প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] বাংলাদেশি পণ্যের প্রধান রপ্তানিবাজার হতে যাচ্ছে ভারত

বিশ্বজিৎ দত্ত : [৩] বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাবে, বাংলাদেশি পণ্যের সবচেয়ে বড় ২টি রপ্তানিবাজার যুক্তরাষ্ট্র ও জার্মানি। এই দুটি দেশে মোট পণ্যের ৩০ শতাংশ রপ্তানি হয়। তবে এই দুটি দেশে রপ্তানির ৯০ ভাগই হলো গার্মেন্ট পণ্য। অন্যদিকে রপ্তানির তালিকায় ৫ স্থানে থাকা ভারতে গার্মেন্ট ছাড়াও ইলেকট্রনিক্স, মাছ ও পাট রপ্তানি হচ্ছে। ভারতে মোট ২১০৪ মিলিয়ন টাকার পণ্য রপ্তানি করে বাংলাদেশ। সেই তুলনায় চীনে রপ্তানি নাই বললেই চলে। সার্ক চুক্তির আওতায় ভারতে রপ্তানিতে শতভাগ পণ্যে শুল্কমুক্ত সুবিধা পায় বাংলাদেশ।

[৪] বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি পণ্য আমদানি করে চীন থেকে। যার বেশির ভাগই খুচরা যন্ত্রাংশ ও গর্মেন্ট এক্সেসরিজ ও ফেব্রিক্স। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ভারত। সেখান থেকে বেশি আমদানি হয়, তুলা ও কৃষিজাত পণ্য।

[৫] ভারতের সংবাদ মাধ্যমের খবর চীন থেকে ভারত প্রায় ৯ হাজার কোটি টাকার বিভিন্ন পন্য আমদানি করে। কিন্তু ভারত ও চীনের মধ্যে দ্বন্দ্বের কারণে ভারত ৩২০ টি চীনা পণ্য আমদানি নিষিদ্ধ করেছে।

[৬] বাংলাদেশের অর্থনীতিবিদরা বলছেন, ভারতে নিষিদ্ধ চীনা পণ্যগুলো বাংলাদেশ সহজেই উৎপাদন করে শুল্কমুক্ত সুযোগে ভারতে রপ্তানি করতে পারে। যেমন মোবাইল ও ইলেকট্রনিক্স পণ্য।

[৭] সিপিডির, গবেষণা পরিচালক ড. গোলাম মোয়াজ্জেম বলেন, লীড টাইম ও শুল্কমুক্ত সুবিধার কারণে বাংলাদেশ কিছু পণ্য ভারতে রপ্তানিতে সুযোগ পাবে। ভারতের দুটি অর্থনৈতিক জোন হচ্ছে বাংলাদেশে সেক্ষেত্রে হয়তো ভারতীয় ব্যাবসায়ীরাও এই সুযোগ বাংলাদেশ থেকে নিতে পারে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত