প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মাতৃভাষায় বই থাকলেও বেশিরভাগ শিক্ষকই পড়তে পারেন না

দেবদুলাল মুন্না : [২] আজ ৯ আগস্ট আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস। কিন্তু দেশে সাংবিধানিক হিসেবে আদিবাসীদের ক্ষুদ্র নৃ গোষ্ঠী বলা হয়। এদিনটি উপলক্ষ্যে গতকাল শনিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাষাতত্ত¡ বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক সৌরভ শিকদার বলেন, একই ক্লাসে বহুভাষায় কথা বলা শিক্ষার্থীদের পাঠদান পদ্ধতি প্রচলিত শিক্ষা পদ্ধতির চেয়ে আলাদা। তাই অনেক সময় শিক্ষকদের উপযুক্ত প্রশিক্ষণ এবং পাঠদান সম্পর্কে সুস্পষ্ট নির্দেশনা না থাকায় ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মাতৃভাষার বই পড়াতে পারেন না।

[৩] মাতৃভাষায় শিক্ষাদানে প্রাক-প্রাথমিক পর্যায়ে সরকার ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীগুলোর মধ্যে পাঁচটি ভাষায় লেখা পাঠ্যবই আছে। ২০১৭ সাল থেকে চাকমা, মারমা, ত্রিপুরা, সাদ্রি এবং গারো পাঁচ ভাষায় পাঠ্যবই বিতরণ করা হচ্ছে। সরকারি পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রাক-প্রাথমিক থেকে দ্বিতীয় শ্রেণি পর্যন্ত নিজেদের ভাষায় পড়াশোনা করবে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর শিক্ষার্থীরা। তৃতীয় শ্রেণি থেকে তাদেরকে বাংলা শেখানো হবে।

[৪] শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক জেষ্ঠ্য কর্মকর্তা বলেন, চাকমা, গারো ও ত্রিপুরা ভাষা জানেন এমন প্রশিক্ষক না থাকায় শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। তবে গতবছর প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছিল। এবছর কোভিডের কারণে প্রশিক্ষণ না ও হতে পারে।

[৫] সেভ দ্য হেরিটেজ অ্যান্ড এনভায়রনমেন্ট এর শীর্ষ কর্মকর্তা নৃবিজ্ঞানী আবদুল হাই আল হাদী জানান, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মানুষ বিশেষত শিশুরা বিদ্যালয় এবং অন্যান্য জায়গায় নিজস্ব ভাষায় কথা বলতে পারে না। এক পর্যায়ে এমনকি পারিবারিক পরিবেশেও তারা নিজের ভাষায় কথা বলতে অস্বস্তিতে ভোগে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত