প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] প্রদীপের অবৈধ সম্পদের খোঁজে দুদক, বন্দুকযুদ্ধকে আয়ের হাতিয়ার বানান ওসি

সুজন কৈরী : [২] টেকনাফ থানার আলোচিত ওসি প্রদীপ ও তার স্ত্রীর অবৈধ সম্পদের খোঁজে দুদকের অনুসন্ধান চলছে। যত দ্রæত সম্ভব প্রতিবেদন দেয়ার কথা জানিয়েছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চট্টগ্রাম সমন্বিত কার্যালয় ২ এর উপ পরিচালক মো. মাহবুবুল আলম।

[৩] দুদক সূত্র জানায়, ওসি প্রদীপের চট্টগ্রামের দাশের লাল খান বাজারে একটি ফ্ল্যাট, কক্সবাজারে দুটি হোটেলের মালিকানা, বেয়ালখালীতে স্ত্রী চুমকির নামে রয়েছে কয়েক কোটি টাকার সম্পদ। রয়েছে মৎস্য খামার, আগরতলা ও অষ্ট্রেলিয়ায় তার বাড়ি রয়েছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া বিদেশে টাকা পাচারের অভিযোগও উঠেছে ওসির বিরুদ্ধে। ওসি প্রদীপের আয়কর নথিতে শুধু বেতন ভাতা, শান্তিরক্ষা মিশন থেকে পাওয়া ভাতা ও জিপিএফ থেকে সুদ প্রাপ্ত টাকার বর্ণনা রয়েছে।

[৪] তার স্ত্রী চুমকি গৃহিণী হলেও ১৩ লাখ ৫০ হাজার টাকার মৎস্য খামার তার নামে করা হয়। পাথর ঘাটায় ৮৬ লাখ ৭৬ হাজার টাকা মূল্যের ৪ শতক জমি রয়েছে চুমকির নামে। ওই জমির ছয়তলা ভবনের বর্তমান মূল্য ১ কোটি ৩০ লাখ ৫০ হাজার, পাঁচলাইশে ২০১৫-১৬ অর্থবছরে ১ কোটি ২৯ লাখ ৯২ হাজার ৬০০ টাকার জমি কেনা হয়। ২০১৭-১৮ সালে কক্সবাজারে ঝিলংজা মৌজায় ১২ লাখ ৩২ হাজার টাকা মূল্যের ৭৪০ বর্গফুটের ফ্ল্যাটকেনা হয়।

[৫] সব স্থাবর সম্পদের মূল্য দাঁড়ায় ৩ কোটি ৫৯ লাখ ৫১ হাজার ৩০০ টাকা। এছাড়া অস্থাবর সম্পদের ৫ লাখ টাকা দামের প্রাইভেটকার, ১৭ লাখ টাকার মাইক্রোবাস ও ৪৫ ভরি স্বর্ণ। ব্যাংকে ৪৫ হাজার ২০০ টাকা দেখানো হয়েছে।

[৬] ‘বন্দুকযুদ্ধ’ থেকে বাঁচাতে কারও কাছ থেকে ৫ থেকে ১০ লাখ টাকা, আবার কারও কাছ থেকে তারও বেশি টাকা নিয়েছেন ওসি প্রদীপ। কেউ ধারদেনা করে, আবার ভিটেমাটি বিক্রি করে টাকা দিলেও বাঁচতে পারেননি টেকনাফ থানার সাবেক ওসির কথিত বন্দুকযুদ্ধ থেকে। অভিযোগ রয়েছে, টাকার জন্য ওসি প্রদীপ কাউকে কাউকে মাসের পর মাস আটকে রেখেছেন থানা বা বন্দিশালায়। তার মেয়াদে নিহত ১৬১ জনের বেশিরভাগের কাছ থেকেই নিয়েছেন মোটা অঙ্কের টাকা। সূত্র : সময় টিভি ও চ্যানেল ২৪ অনলাইন

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত