প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] ওসি প্রদীপ ও এসপি মাসুদের ফোনালাপের বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে: র‍্যাব

সুজন কৈরী : [২] শনিবার বিকেলে র‌্যাবের মিডিয়া সেন্টারে র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক লে. কর্নেল আশিক বিল্লাহ বলেন, সাবেক মেজর সিনহা রাশেদ নিহতের ঘটনায় বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত টেকনাফ থানার সাবেক ওসি প্রদীপ কুমার দাস ও কক্সবাজারের এসপি এবিএম মাসুদ হোসেনের ফোনালাপটি র‍্যাবের নজরে এসেছে। বিষয়টি যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। যাচাই করা সাপেক্ষে তদন্ত কর্মকর্তা পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নিবেন।

[৩] তিনি বলেন, সিনহা হত্যা মামলার আসামিদের রোববার র‌্যাব হেফাজতে নিয়ে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেবে। সম্পূর্ণ নিরেপক্ষভাবে ও প্রভাবমুক্ত হয়ে এই মামলাটির তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করবে। প্রকৃত অপরাধীকে শনাক্ত করে আইনের কাছে সোপর্দ করাই র‌্যাবের মূখ্য উদ্দেশ্য।

[৪] বাদির করা এই মামলায় মোট ৯ জন আসামির নাম রয়েছে। এরমধ্যে ৭ জন আদালতে আত্মসমর্পন করেছে। বাকি দুজনের বিষয়ে আমরা খোঁজ খবর নিচ্ছি। প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছি বাহারছড়া তদন্ত কেন্দ্রে এই দুজনের নামে কোনো পুলিশ সদস্য নেই। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা তদন্ত করে তাদের বিষয়ে সিন্ধান্ত নিবেন।

[৫] মামলাটি অত্যন্ত স্পর্শকাতর উল্লেখ করে লে. কর্নেল আশিক বিল্লাহ বলেন, এ মামলায় র‌্যাব সম্পূর্ণ নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করবে। পাশাপাশি যেসব বিষয় র‌্যাবের নজরে এসেছে বা গণমাধ্যমে জানা গেছে, সকল বিষয়ে সমন্বিত আকারে তদন্ত কর্মকর্তা কাজ করবেন। তদন্ত কর্মকর্তা প্রয়োজন মনে করলে তার বাহিনীর যে কোনো সদস্যের সহায়তা নিতে পারেন। এক্ষেত্রে আইনী কোনো বাধ্যবাধকতা নেই।

[৬] এছাড়া নজরে আসা অন্য বিষয়গুলো মাথায় রেখে তদন্ত চলবে। র‌্যাবের অন্যতম মূল লক্ষ্য হত্যাকাণ্ডের মোটিভ, কোন কোন ব্যক্তি নির্দিষ্টভাবে দায়ি, তাকে নিরুপণ করাই মূল উদ্দেশ্য।

[৭] র‌্যাবের এ কর্মকর্তা বলেন, তদন্তের স্বার্থে টেকনাফ থানা পুলিশের করা মামলায় কারান্তরীণ সিফাত ও শিপ্রাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে জানিয়ে র‌্যাবের এ কর্মকর্তা বলেন, অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহার বোনের দায়ের করা মামলায় সিফাত এই মামলার গুরুত্বপূর্ণ স্বাক্ষী। অপরপক্ষে সংশ্লিষ্ট পুলিশের মামলায় সিফাত একজন অপরাধী বা তিনি পুলিশের হেফাজতে আছেন। এ বিষয়ে র‌্যাব পর্যালোচনা করছেন।

[৮] এ বিষয়ে র‌্যাবের বক্তব্য হচ্ছে যেহেতু দুটি পৃথক মামলা হয়েছে। এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা সিফাত ও শিপ্রাকে মুক্ত বা জামিনের বিষয়ে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণ করবেন। এর বাইরে র‌্যাবের নিযুক্ত তদন্ত কর্মকর্তা তাদের খোয়া যাওয়া ল্যাপটপ ও হার্ডডিস্ক এবং এ সংক্রান্ত বিষয় আমলে নিয়ে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

[৯] র‌্যাবের এ কর্মকর্তা বলেন, যে বিষয়ে মামলাটি দায়ের করা হয়েছে, সেই বিষয়কে কেন্দ্র করেই র‌্যাবের তদন্ত চলবে। পাশাপাশি আসা সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোকে আমলে নিয়ে তদন্ত করা হবে। সংশ্লিষ্ট যে অভিযোগটি দায়ের হয়েছে, মেজর (অব.) সিনহার বোন যে ঘটনার প্রেক্ষিতে মামলা করেছেন, ওই ঘটনার প্রেক্ষিতেই র‌্যাব একটি নিরপেক্ষ এবং সুষ্ঠু তদন্ত করবে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত