প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] ঠাকুরগাঁওয়ে চিনা বাদাম চাষে ঝুঁকেছেন কৃষক

সাদ্দাম হোসেন: [২] উৎপাদন খরচ ও পরিশ্রম কম হওয়ায় চিনা বাদামের চাষে ঝুঁকছেন ঠাকুরগাঁওয়ের কৃষক। বাদাম চাষে লাভের মুখ দেখছেন তারা। ধান চাষে যেমন খরচ, তেমনি রোপনের পর থেকে দুঃচিন্তায় থাকতে হয় চাষিদের। তবে বাদাম চাষ নিয়ে চিন্তায় থাকতে হয় না তাদের। কৃষি বিভাগ বলছে, এই জেলার মাটি বাদাম চাষের উপযোগী। সেচ, সার, বালাই নাশক ওষুধ খুবই কম লাগে। তাই কৃষকদের বাদাম চাষে উদ্বুদ্ধ করছেন তারা।

[৩] গত কয়েক বছর ধরে ধানের বাজার দর নিম্মমুখী। এ কারণে বোরো ধান চাষ কমিয়ে দিয়েছে ঠাকুরগাঁওয়ের কৃষক । ধানের বদলে বাদাম চাষে ঝুঁকছেন তারা।ধান আবাদ করে লাভ তো দূরের কথা খরচের টাকা তুলতেই হিমশিম খেতে হয় চাষিদের। ফলে ঝুঁকছেন বাদামসহ অন্যান্য ফসলে। কৃষকরা বলছেন, ৫০ শতক জমিতে বাদাম আবাদে খরচ হয় ১০ হাজার ৩শ টাকা। আর বাদাম উৎপাদন হয় ১৫ থেকে ১৮ মণ। প্রতিমণ বাদাম তিন থেকে সাড়ে ৩ হাজার টাকা দরে বিক্রি হলে মোট বিক্রি হয় প্রায় ৪৫ হাজার টাকা। এতে খরচ বাদে লাভ হয় ৩৫ হাজার টাকা।

[৪] আড়াই থেকে তিন মাসের মধ্যে বাদাম ঘরে তোলা যায়। বাদাম মুখরোচক খাবার এবং এর পুষ্টিগুন ভালো তাই বাদামের চাহিদাও রয়েছে প্রচুর । বাদাম তোলার পর ওই জমিতে আমন ধান চাষও ভালো হয় বলে জানায় চাষিরা।

[৫] আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবার বাদামের বাম্পার ফলনের আশা করছেন কৃষক ও সংশ্লিষ্ট বিভাগ। করোনা সংকটের মধ্যেও ন্যায্য দর পাবেন বলে আশা চাষিদের।

[৬] ঠাকুরগাঁও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর , উপ-পরিচালক মো. আফতাব হোসেন জানান, এবার জেলায় বাদামের আবাদ হয়েছে ৩শ ২৭ হেক্টর জমিতে । এ থেকে বাদাম উৎপাদন হবে ৫শ ৫৬ মেট্রিক টন। সম্পাদনা: সাদেক আলী

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত