প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

দীপু তৌহিদুল: এদেশের বাম রাজনীতিকেরা কেন ডানে চলে যান?

দীপু তৌহিদুল: বিএনপিকে আজকাল রাজনৈতিক দল না বলে গোল্লাছুট খেলার দল বললেই মনে হয়। আশা করা যায় নিত্যনতুন কার্টুন মার্কা রাজনৈতিক বক্তব্য দিয়ে তারা আমাদের আনন্দ দেওয়া অব্বাহেত রাখবেনই। সম্পর্ক যখন মরে যায়, তখন বেকুবে তা ধরে রাখে আর বুদ্ধিমান শান্তি খুঁজে ফিরে নতুন সম্পর্কের মাঝে। গত কয়টা বছর ধরে দেখছি বিএনপি-জামায়াতের বৈবাহিক সম্পর্ক খুব সুবিধের যাচ্ছে না। অথচ বিএনপির কেন্দ্রিয় নেতারা নিজ দলের ছোট নেতা কর্মীদের উপেক্ষা করে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, এই সংসার সুখের না হলেও তা চালিয়ে যাবেনই। একবার কয় জামায়াত তালাক আবার কয় না এক তালাক কইছি পুরা তালাক দিই নাই। এই বিয়া বিয়া তালাক তালাক হিল্লা হিল্লা চালাবে আগামী কোরবানি পর্যন্ত, পরে বলবেÑ আগামী বছর রামাদানের পর খেজুর গাছ তারা বেয়েই দেখাবেই। বিএনপি নামক দলটার সাথে আরেকটা রাজনৈতিক ধারা আছে যাদের কথাবার্তা শুনলেই মনে হয় স্কুলে ধর্ম ক্লাসে বসে জীবন দর্শন টাইপের ক্লাস শুনতেছি, এরা হচ্ছে সিপিবি-বাসদ। এরাও কিন্তুক কম আনন্দ দেয় না। তাই এদের কথা না বললে খুব বড় অন্যায় হয়ে যাবে।

সিপিবি-বাসদের কাজ হচ্ছে চমৎকার সব কারেক্ট ইস্যু নিয়ে এক বা দুদিনের রাজপথে প্রেস শো করা। শো শেষে পত্রিকায় ছোট করে তাদের নাম এলেই এরা খুব খুশি হয়ে দাঁতে খিলাল মেরে মাংস খুচিয়ে বের করেন। সিপিবি বাসদ নেতারা রাস্তার কষ্টের চাইতে তত্ত্বকথা বলেই হাঁটে থাকতে পছন্দ করেন। রাস্তায় অনেক গরম তায় আবার সাথে ধুলিবালির ব্যাপার আছেই। মাঝে মাঝে এসব তথাকথিত বামদল গুলোরে টুকরা টুকরা নানা ব্লকে বিভক্ত নেতা তৈরির ট্রেনিং ইন্সটিটিউটই মনে হয় আমার। তবে এদের উৎপাদিত নেতারা বেশ বুদ্ধিমান হয় ভিন্ন দলে প্রবেশ করে। তথাকথিত বামরা নেতা হয়েই পরে সময় সুযোগ বুঝে আওয়ামী লীগে বিরাট অংশ আর বিএনপিতে ছোট অংশ হয়েই বিলীন হন। এটা তো ঠিক লেনিন আর মাও তো বেঁচে নেই, তাই তাদের আদর্শ নিয়ে বড় হয়ে পরে অন্য কলেজে ট্র্যান্সফার হওয়া দোষেরই-বা কী! যাই হোক আমি জাতীয়তাবাদ আর বেলাইন বামদের কীর্তি দেখে মজাই পাই। আসেন সবাই রাজনীতির গোল্লাছুটই দেখি। ফেসবুক থেকে

সর্বাধিক পঠিত