প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] জাতিসংঘ ঘোষিত ৯ আগস্ট আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস রাষ্ট্রীয়ভাবে পালনের দাবি

মনিরুল ইসলাম : [২] জাতিসংঘ ঘোষিত ৯ই আগস্ট আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস রাষ্ট্রীয়ভাবে পালন এবং আদিবাসীদের আত্ম-নিয়ন্ত্রণ অধিকার ও সাংবিধানিক স্বীকৃতির দাবিসহ ১৪ দফা দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরাম। ফোরামের পক্ষ থেকে দাবি আদায়ে সপ্তাহব্যাপী কর্মসূচী ঘোষণা করা হয়েছে।

[৩] বৃহস্পতিবার এক ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে এই কর্মসূচী ঘোষণা করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে মূল বক্তব্য তুলে ধরেন বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরামের সাধারণ সম্পাদক সঞ্জীব দ্রং। আলোচনায় অংশ নেন ঐক্য ন্যাপের সভাপতি পঙ্কজ ভট্টাচার্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মেসবাহ কামাল, বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরামের সহ-সভাপতি অজয় এ মৃ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক রোবায়েত ফেরদৌস, বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরামের সহ-সভাপতি রবীন্দ্রনাথ সরেন প্রমুখ।

[৪] সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, করোনা পরিস্থিতির এর কারণে কর্মসূচী সীমিত করা হয়েছে। কর্মসূচীর মধ্যে রয়েছে, ৭ আগস্ট রাত ৮টায় আদিবাসী বিষয়ক সংসদীয় ককাসের ওয়েবিনার। ৮ আগস্ট বিকাল ৩টায় এএলআরডি-প্রথম আলো আয়োজিত গোলটেবিল ওয়েবিনার ও জনইতিহাস চর্চা কেন্দ্র, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুষ্ঠান। ৯ আগস্ট সকাল ১০টায় জাতীয় সংগীত পরিবেশনা, ভিডিও বার্তা ও আদিবাসী শিল্পীদের সংগীত পরিবেশনা এবং বিকেলে ওয়েবিনার আলোচনা সভা ও প্রদীপ প্রজ্জ্বলন ও এক মিনিট মৌনব্রত পালন। ১০ আগস্ট বাংলাদেশ আদিবাসী ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের কর্মসূচী। ১১ আগস্ট জাতিসংঘের প্রতিনিধিসহ বিভিন্ন দূতাবাসের প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে ওয়েবিনার। ১২ আগস্ট আইইডি ও জনউদ্যোগ আয়োজিত অনুষ্ঠান। সর্বশেষ ১৩ আগস্ট বিএনপিএস ও আদিবাসী নারী নেটওয়ার্ক আয়োজিত আদিবাসী নারীর অধিকার বিষয়ক সেমিনার। এছাড়াও দেশের বিভিন্ন জেলায় ও উপজেলায় নানাভাবে আদিবাসী দিবস উদযাপন করা হবে বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।

[৫] সংবাদ সম্মেলনে উত্থাপিত দাবিনামায় বলা হয়, আদিবাসী অঞ্চলে উন্নত স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করতে হবে। করোনা মহামারির কারণে ক্ষতিগ্রস্থ আদিবাসীদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থায় এককালীন আর্থিক প্রণোদনা প্যাকেজ প্রদান করতে হবে। কমপক্ষে ১০ হাজার আদিবাসী পরিবারকে করোনাকালে খন্ডকালীন কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে হবে। আদিবাসী ছাত্র-ছাত্রীদের শিক্ষা কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে আর্থিক সহায়তাসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। এসডিজি বাস্তবায়নে আদিবাসীদের অংশীদারিত্ব নিশ্চিত করতে হবে। পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি যথাযথ বাস্তবায়নে কর্মপরিকল্পনা বা রোডম্যাপ ঘোষণা করতে হবে। ভূমি কমিশন আইন অবিলম্বে কার্যকর করতে হবে।

সর্বাধিক পঠিত