প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] বিসিবি থেকে জানানো হয়, ফিকার প্রতিবেদন বিভ্রান্তিকর

নিজস্ব প্রতিবেদক : [২] ক্রিকেটারদের আন্তর্জাতিক সংগঠন ফিকার বার্ষিক প্রতিবেদনে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) পাওনা সংক্রান্ত জটিলতার কথা উঠে এসেছে। সঙ্গে আইসিসির ইভেন্টের প্রাইজমানি বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) খেলোয়াড়দের পরিশোধ করেনি বলেও দাবি করা হয়েছে। এর প্রেক্ষিতে বিসিবি ফিকার এই প্রতিবেদনকে ‘বিভ্রান্তিকর’ ও ‘ত্রুটিপূর্ণ’ বলে আখ্যা দিয়েছে।

[৩] মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে বিসিবি বিপিএলে ৪ জনের (তিনজন খেলোয়াড় ও একজন কোচ) পাওনা বকেয়া থাকার কথা স্বীকার করলেও এটিকে বিচ্ছিন্ন ঘটনা বলেছে।

[৪] বিসিবি বলেছে, ‘বিসিবি স্পষ্টভাবে বলতে চায়, পাওয়া পরিশোধ বা অমীমাংসিত বিষটি মাত্র ৪ জনের। এদের মধ্যে তিনজন বিদেশি খেলোয়াড় ও একজন কোচ। ২০১৮ সালে বিপিএলের ষষ্ঠ সংস্করণে অংশ নেওয়া একটি দলের ক্ষেত্রে এটি ঘটেছে। যেখানে একটা টুর্নামেন্টে ১৭০জনের বেশি স্থানীয় ও বিদেশি খেলোয়াড়, সাপোর্ট স্টাফ রয়েছে, সেখানে এটা একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা।

[৫] ফিকার বার্ষিক প্রতিবেদনে পুরুষ ক্রিকেটারদের ‘গ্লোবাল এমপ্লয়মেন্ট রিপোর্ট ২০২০’-এ বলা হয়, ৬টি ঘরোয়া লিগে ক্রিকেটারদের পারিশ্রমিক দেরিতে দেওয়া হয় বা একদমই দেওয়া হয় না। এই তালিকায় আইসিসি পূর্ণ সদস্য দেশগুলোর একমাত্র টুর্নামেন্ট হিসেবে আছে বিপিএলের নাম।

[৬] বিসিবি বলছে, নিলামের বাইরে থেকে সরাসরি ফ্র্যাঞ্চাইজির সঙ্গে চুক্তি করা ক্রিকেটার ও কোচদের প্রতিনিধিদের কাছ থেকে এই অভিযোগ পেয়েছে তারা।

[৭] ‘ফ্র্যাঞ্চাইজির চুক্তি অনুযায়ী, চুক্তিবদ্ধ ক্রিকেটার ও সাপোর্ট স্টাফদের পাওনা পুরোপুরি পরিশোধ করা ফ্র্যাঞ্চাইজিরই দায়িত্ব। তারপরও, নিয়ন্ত্রক সংস্থা হিসেবে বিসিবি এটির যথাযথ তদন্ত করেছে এবং পাওনা পরিশোধে ও সমস্যা সমাধানের জন্য সংশ্লিষ্ট ফ্র্যাঞ্চাইজির বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া শুরু করেছে। এটাও জানানো হচ্ছে যে, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও তাদের প্রতিনিধিরা বিসিবির পদক্ষেপ সম্পর্কে অবগত আছেন।’ বিবৃতিতে বলেছে বিসিবি।

[৮] আইসিসি ইভেন্টের প্রাইজমানি বিসিবি এখনো খেলোয়াড়দের দেননি, ফিকার এমন তথ্যকে বিসিবি বলছে ‘কাল্পনিক’। ‘এটা সম্পূর্ণ মিথ্যা বর্ণনা। ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলসে অনুষ্ঠিত সবশেষ ২০১৯ বিশ্বকাপসহ বিসিবি অতীতের সব আইসিসি ইভেন্টের প্রাইজমানি পুরোপুরি পরিশোধ করেছে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত