প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

ঘাস কাটতে না দেয়ায় পেয়ারাবাগান-মরিচখেত কেটে সাবাড়!

ডেস্ক রিপোর্ট : চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার আন্দুলবাড়িয়া করচাডাঙ্গা মাঠে রাতের আধারে দুই বিঘা জমির ফলন্ত পেয়ারাবাগান ও ১০ কাঠা জমির মরিচখেত কেটে সাবাড় করে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। সোমবার রাতে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় জীবননগর থানায় লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে।

জীবননগর উপজেলার আন্দুলবাড়িয়া ইউপির করচাডাঙ্গা লাইনপাড়ার ভুক্তভোগী চাষি হানিফ মিয়া বলেন, আমি ও আমার প্রতিবেশী আবেদ আলী মোল্লার ছেলে মিলন, জাহিদুল মোল্লা ও হামিদ সর্দারের ছেলে জামির হোসেন মিলে করচাডাঙ্গা মাঠে প্রত্যেকে ১০ কাঠা করে দুই বিঘা জমিতে এক বছর আগে পেয়ারাবাগান করি। বাগানের গাছে গাছে এখন পেয়ারা ঝুলছে। অন্যদিকে শামসুল মীরের ছেলে নিজাম উদ্দিনের পার্শ্ববর্তী ১০ কাঠা জমিতে মরিচের আবাদ রয়েছে।

তিনি আরো বলেন, আমাদের ওই পেয়ারা বাগানের মধ্যে ঘাস কাটাকে কেন্দ্র করে আমাদের গ্রামের শাহারের ছেলে শিমুল, বারেকের ছেলে রিপন, আতিয়ারের ছেলে মামুন, আহারের ছেলে সবুজ, রবিউলের ছেলে নয়ন ও হাফিজুলের ছেলে মাহাবুলের সঙ্গে শত্রুতা সৃষ্টি হয়। আমরা তাদের পেয়ারা বাগানের ভেতরে ঘাস কাটতে না দেয়ায় তাদের সঙ্গে আমাদের কয়েক দফায় ঝগড়া হয়। সে সময় তারা আমাদের মাঠে চাষ করতে দেবে না বলে হুমকি দেয়।

মঙ্গলবার সকাল সাড়ে সাতটার দিকে মাঠে গিয়ে দেখি আমাদের দুই বিঘা জমির পেয়ারা গাছ ও ১০ কাঠা জমির মরিচ খেত কেটে সাবাড় করে দেয়া হয়েছে। দুর্বৃত্তরা এভাবে গাছ কেটে সাবাড় করে প্রায় পাঁচ লাখ টাকার ক্ষতি করেছে।

আমরা প্রতিপক্ষকে ঘাস কাটতে না দেয়ায় তারা রাতে যে কোনো সময় পেয়ারা গাছ ও মরিচ খেতের গাছ কেটে সাবাড় করে দিয়েছে। এ ঘটনায় প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছি।

আন্দুলবাড়িয়া ইউপি সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ড মেম্বার বাহাউদ্দিন বলেন, ঘটনার বিষয়টি ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকেরা আমাকে বলেছেন। তবে ঘটনাটি যারাই ঘটিয়েছে, তারা ঠিক করেনি। ঘটনাটি অমানবিক এবং ক্ষমার অযোগ্য। দেখা যাক পুলিশ কি ব্যবস্থা নেয়।

জীবননগর থানার ওসি সাইফুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনার ব্যাপারে একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। তদন্ত শেষে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
সূত্র- ডেইলি বাংলাদেশ

সর্বাধিক পঠিত