প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] ৯৯৯ এ ফোন কলে যমুনায় ভাসমান নৌকা থেকে ৫০ শিক্ষার্থীকে উদ্ধার করলো নৌ পুলিশ

সুজন কৈরী : [২] নৌ পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (লিগ্যাল এন্ড মিডিয়া) ফরিদা পারভীন বলেন, পুলিশ পরিচালিত জাতীয় জরুরি সেবা থেকে জানানো হয়, কিছু শিক্ষার্থী পথ হারিয়ে ফেলেছে তাদেরকে উদ্ধার করতে হবে। তারা আতংকিত এবং ভয় পাচ্ছে।

[৩] ফরিদা পারভীন জানান, শিক্ষার্থীরা নৌকা নিয়ে বর্ষার সৌন্দর্য্য উপভোগ করতে বের হয়। যেই ভাবা সেই কাজ। সোমবার সকাল ১০ টায় পিকনিকের উদ্দেশ্যে নৌ ভ্রমনে বের হয় তারা। গন্তব্য ছিল বঙ্গবন্ধু সেতু। শিক্ষার্থীদের মধ্যে ১৩ জন দৌলতপুর পিএস হাইস্কুল এবং ৩ জন বালক মাইঝালি বাজার প্রাইমারি স্কুলে পড়াশোনা করে। এছাড়া মানিকগঞ্জের দৌলতপুর মাতিলাল ডিগ্রি কলেজের ১৬ শিক্ষার্থী ছিল। তারা সঙ্গে বাদ্যযন্ত্র বাজানোর টেকনিশিয়ান এবং নৌকার মাঝিদের নিয়ে নৌকায় ঘুরতে বেড়িয়েছিল। সারাদিন নদীতে কাটানোর পর সন্ধ্যায় নাগরপুরে ফেরার পথে নৌকাটির ইঞ্জিন নষ্ট হয়ে যায়। মাঝি নৌকার ইঞ্জিন মেরামতের শত চেষ্টা ব্যর্থ হন। নদীর তীব্র শ্রোতের কারনে নৌকাটি ভাসতে ভাসতে যমুনা সেতু থেকে প্রায় ২২ থেকে ২৫ কিলোমিটার ভাটিতে সিরাজগঞ্জের বেলকুচির নদীর মাঝে ছোট্ট একটা চরে আটকা পরে। ইতোমধ্যে নৌকার ভীত সন্ত্রস্ত যাত্রীরা ৯৯৯ এ কল করে উদ্ধার পেতে সাহায্য কামনা করে। এরপর নৌ পুলিশের চৌহালী, বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব-পশ্চিম ও সিরাজগঞ্জ নৌপুলিশ স্টেশন এবং এনায়েতপুর থানা পুলিশ তাদের উদ্ধার অভিযান শুরু করে। ক্রমাগত ফোনে যোগাযোগ করে এবং সাহস দিতে থাকে নৌ পুলিশ সদস্যরা। এক পর্যায়ে বিশাল বঙ্গবন্ধু সেতুর নীচে থেকে যাত্রীসহ নৌকার অবস্থান খুঁজে বের করে এবং উদ্ধার করে বঙ্গবন্ধু সেতুর পূর্ব নৌ পুলিশ স্টেশন। ততক্ষনে মধ্যরাত পেরিয়ে ভোর ৪টা বেজে যায়। পুলিশ পরিদর্শক মান্নান বুদ্ধি করে ভুক্তভুগীদের জন্য বিশুদ্ধ খাবার পানি, শুকনো খাবার নিয়েছিলেন। যা তাদের খেতে দেয়া হয়। নৌ পুলিশের কর্ম তৎপরতা ও আতিথিয়তার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে উদ্ধার হওয়া শির্ক্ষার্থীরা।

[৪] ফরিদা পারভীন বলেন, টেকনিশিয়ানকে ডেকে নৌকাটি সম্পূর্নরুপে মেরামত করে যাত্রীদের বাড়ি পাঠায় নৌ পুলিশ। সেইসঙ্গে ভবিষ্যতে এমন কাজ না করতে উৎসাহিত করা হয়।

 

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত