প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত খুলে দেয়া হলেও বাসের চড়া ভাড়ার কারণে মানুষের আগ্রহ কম

মো. তৌহিদ এলাহী : কোভিড পরিস্থিতিতে দীর্ঘ চার মাস বন্ধ থাকার পর আবার পুরনো রূপে ফিরতে শুরু করেছে বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত কক্সবাজার। ঈদের ছুটিতে সৈকতে ভিড় করেছেন অনেক মানুষ, এখনও যাচ্ছেন পর্যটকসহ স্থানীয় দর্শনার্থীরা। সৈকতে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা শিথিল করা হলেও এখনও হোটেল-মোটেল, রেস্তোরাঁ ও বার্মিজ দোকানগুলো খুলে দেওয়া হয়নি।

তবে শীঘ্রই খুলে দেয়া হবে, তাই প্রস্তুতি নিচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। তাদের আশা জলদিই পর্যটকে পরিপূর্ণ হয়ে উঠবে কক্সবাজার। কোভিড মহামারীর কারণে চার মাস কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা ছিল। ঈদের ছুটিতে দীর্ঘসময় পর ঘরবন্দি মানুষগুলো সৈকত দেখতে পেয়ে দারুণ উচ্ছ্বসিত।

 

স্থানীয় দর্শনার্থী সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘সৈকতে এসে অনুভূতি প্রকাশ করার ভাষা হারিয়ে ফেলেছি। কারণ, বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত প্রত্যেক ভ্রমণপিসাসুর জন্য পছন্দের একটি স্থান’। তবে পর্যটকদের কক্সবাজার যাওয়ার পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে যাতায়াত ভাড়া। চড়া বাসভাড়ার কারণে ইচ্ছে থাকলেও অনেকে যেতে পারছেন না।

আশানুরূপ পর্যটকের সমাগম না হওয়ার এটা একটা বড়ো কারণ। ক্ষতির সম্মুখিন হচ্ছে পর্যটন খাত সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা ।তাই তাদের দাবি বাসভাড়া কমিয়ে দেয়ার। কোভিডের কারণে বাসভাড়া ৬০ ভাগ পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়। সাধারণত ঢাকা থেকে কক্সবাজারের ভাড়া ৭০০-৮০০ টাকা । তবে এ ভাড়া এখন দাড়িয়েছে ১৩০০-১৪০০ টাকায়। ফলে কমে গেছে যাত্রির সংখ্যা। অনেকেই অপেক্ষা করছে ভাড়া কমার। বাসভাড়া বাড়লেও স্বাভাবিক স্বাস্থ্য বিধি মানা হচ্ছে না বাসগুলোতে। এক আসন ফাঁকা রাখার কথা বললেও পুরো বাস ভরেই যাত্রি নেয়া হচ্ছে।

তাই প্রশ্ন উঠছে অতিরিক্ত বাসভাড়ার গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে। পর্যটন খাতের অর্থনৈতিক ক্ষতি, ব্যবসায়ীদের লাভের দিক বিবেচনা ও সাধারণ পর্যটকদের ভ্রমন সহজ করতে এখনই বাসভাড়া কমিয়ে আনার বিকল্প নেই।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত