প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] কোভিড-১৯ ঈদের আনন্দ উদযাপনের ধরন পাল্টে দিয়েছে : ডা. জহিরুল হক

শাহীন খন্দকার : [২] ডা. জহিরুল হক বলেন, ছাত্র জীবনে বন্ধুদের সাথে ঈদের দিন কোরবানি দেয়া শেষ হলে বন্ধুরা মিলে সিনেমা দেখতে যাওয়া যা এখন শুধুই স্মৃতি দুয়ারে উকি দেয় সেই সব দিন গুলো। গত বছর আমরা দেখেছি ঈদের দিনে বসুন্ধরা সিটি, যমুনা ফিউচার পার্কে সিনেমা দেখার জন্য মানুষের ভিড় । চিড়িয়াখানা, শিশু পার্কসহ নগরীর বিনোদনকেন্দ্রগুলো জমজমাট ছিলো ঈদের দিনগুলোতে।

[৩] এবার সব পাল্টে দিয়েছে কোভিড-১৯। পাশাপাশি বন্যা বদলে দিয়েছে ঈদের আনন্দ উদযাপনের ধরন। তবে শৈশব, কৈশোরের ঈদ আনন্দের স্মৃতিই সবার মনে চিরজাগরত থাকুক। এখনকার ঈদ আনন্দের নাকি সেকালের, ঈদে আনন্দের উপলক্ষ ছিল বেশি- এই প্রশ্ন জাগে বর্তমান প্রজন্মের অনেকেরই মনে। ঢাকায় মোঘল ও নওয়াবদের আমলে ঈদ উদযাপনে ছিল রাজকীয় আমেজ।

[৪] সে ঈদ দিনে দিনে হয়ে উঠেছে সাধারণ মানুষের উদযাপনের উপলক্ষ। পুরানো ঢাকার উর্দু রোডের বাসিন্দা লাজ মালিক বললেন, ‘ঈদের আনন্দ আছিল আমাগো সময়। চকের মেলা ঈদের মিছিলের এহন আর সেই মজা নাই। চকের মেলায় মিষ্টির স্বাদ এহনো ভুলবার পারি না। মুখে লাইগা আছে।’ আর ধানমন্ডির বাসিন্দা ফিরোজ তালুকদার জানালো, ‘ঈদের দিনে ঘুরে বেড়াতে ভাল লাগে বন্ধু, কাজিনদের সঙ্গে। লং ড্রাইভে যেতেও ভাল লাগে।’ তবে পুরানো ঢাকার ঈদের মিছিলের কথা শোনেনি সে।

[৫] ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞানের ছাত্র আলিফ হাসান মাহমুদ বললেন, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ঈদের রং বদলে গেছে।করোনাভাইরাস মহামারিতে এবার-ই এই প্রথম ঢাকার বিভিন্ন পার্কেও ছিল না কোন আয়োজন। অন্যদিকে, অভিভাবকেরা বলছেন, তাদের সময় থেকে এখনকার উদযাপন ব্যপক এবং ভিন্ন। কিন্তু বিভিন্ন প্রজন্মের ঈদ উদযাপনের ধরন আসলে কতটা আলাদা?

[৬] জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগে পড়াশোনা করেন ফাহাদ । তিনি বলছিলেন, সকালে নামাজ পড়ার পর আত্মীয় পরিজনদের সাথে এবার ফোনে ফোনে আর ফেসবুকে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় হয়েছে। করোনাকালিন সময়ে কোথাও যাবার জায়গা না থাকায় ফেসবুকেই চলেছে ঈদের আনন্দ বন্ধু-সহপাঠিদের সাথে। ধানমন্ডি, চিড়িয়াখানা বা শিশু মেলা বা শিশু পার্ক সবই বন্ধ ।

সর্বাধিক পঠিত