প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১]কোভিডের গতি-প্রকৃতি জানতে প্রয়োজন অ্যান্টিবডি টেস্ট, বিশ্লেষকদের অভিমত

শিমুল মাহমুদ: [২] স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ বিভাগের সাবেক পরিচালক ডা. বে-নজির আহমেদ বলেন, করোনায় আক্রান্ত হয়ে অনেকে ছিলেন উপসর্গ বিহীন; আবার অনেকে আসেননি শনাক্তের আওতায়। তাই স্থানীয় পর্যায়ে কি পরিমাণ বিস্তার ঘটেছে; কি বা তার গতি-প্রকৃতি জানতে প্রয়োজন অ্যান্টিবডি টেস্ট।

[৩] কানাডার মাইক্রোবিয়াল বায়োটেকনোলজিস্ট ড. সোয়েব সাইদ বলেন, অ্যান্টিবডি টেস্টকে আরটি পিসিআরএর বিকল্প ভাবা যাবে না। রোগ নির্ণয়ের জন্য শুধু মাত্র আরটিপিসিআর টেস্ট। জরিপ ও তথ্য উপাত্তের জন্য অ্যান্টিবডি টেস্ট।

[৪] যুক্তরাষ্ট্রের রোগ প্রতিষেধক বিশেষজ্ঞ ডা. আবু সিদ্দিকী বলেন, অ্যান্টিবডি শনাক্ত করতে পারলে দ্রুত কাজে ফেরা সম্ভব। এছাড়া আক্রান্তদের টেস্টে জানা যাবে অ্যান্টিবডির টাইটারটা কেমন আছে। কিওর আছে কিনা। তার প্লাজমাটা আমরা ব্যবহার করতে পারবো কিনা।

[৫] সরকার গঠিত করোনাবিষয়ক কারিগরি পরামর্শ কমিটিও গবেষণা ও সংক্রমণ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের ক্ষেত্রে অ্যান্টিবডি টেস্টের অনুমতি দেওয়ার জন্য সরকারকে সুপারিশও করেছে। কিন্তু এখনো কোনো ক্ষেত্রেই কোনো রকম অগ্রগতি নেই।

[৬] এ বিষয়ে স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক নাসিমা সুলতানা বলেন, বিষয়টি মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। মন্ত্রণালয় একটা এক্সপার্ট কমিটি করে দিয়েছে। এক্সপার্ট কমিটি সেটা রিভিউ করছে। মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন পাওয়া গেলেই ওষুধ প্রশাসন অধিদফতর সে অনুযায়ী অ্যান্টিবডি-অ্যান্টিজেন কিট কেনার জন্য স্পেসিফিকেশন দেবে।

[৭] আয়ারল্যান্ড প্রবাসী চিকিৎসক বিজ্ঞানী ডা. আরমান রহমান জানান, আমাদের শরীরে যে কোন ধরণের ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়া ঢুকলেই এর থেকে প্রতিরোধের উপায় হিসাবে এন্টিবডি তৈরি হয়. প্রথমবার এন্টিবডি তৈরী হতে কিছুদিন সময় নেয়, দ্বিতীয় বার একই ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়া শরীরে ঢুকলে এন্টিবডি খুব দ্রুত এদের ঝেটিয়ে বিদায় করতে সক্ষম হয়. প্রথম বারে তৈরি হওয়া এন্টিবডি গুলি সুপ্ত আকারে শরীরে নিষ্ক্রিয় অবস্থায় অপেক্ষা করতে থাকে ওই এক ই ভাইরাস বা ভাইরাস এর পরে আবার ফিরে আসে কি না.

[৮] তিনি আরো জানান, এন্টিবডি দুই ভাবে ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়া কে নিষ্ক্রিয় করে: এক. সরাসরি, যেমন এন্টিবডি ভাইরাস কে ঘিরে ফেলে, পরে আরো কিছু উপাদান এই এন্টিবডি ঘিরে থাকা ভাইরাসকে ধ্বংস করে দেয়.

দুই. এন্টিবডি শরীরের আরো বিধ্বংসী অস্ত্র ( সেল) কে ডেকে নিয়ে আসে যেমন টি সেল. এদের অনেককেই এন্টিবডি ডেকে না নিয়ে এলে তেমন সক্রিয় হতে চায় না। সম্পাদনা: ইকবাল খান

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত