প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

এটা অত্যন্ত দুঃখজনক যদি রাষ্ট্রীয়ভাবে তাজউদ্দীন আহমদের জন্মদিন পালন করা না হয়ে থাকে

কামরুল হাসান মামুন: হঠাৎ করে নিউজ ফিডে বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদের পুত্র ও সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী সোহেল তাজের একটি ভিডিও বার্তা দেখি, যা শুনে মনটা খুব খারাপ হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের উপসচিব পদমর্যাদার একজন কর্মকর্তা (প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী) তার ব্যক্তিগত ফেসবুকে দেওয়া একটি স্ট্যাটাসের প্রতিবাদ জানানোর জন্যই এই ভিডিওবার্তাটি ছিল। এমনিতেই কোভিড-১৯ নিয়ে সরকার এবং দেশবাসী নাকানিচুবানি খাচ্ছে। আর ঠিক এই সময় এইগুলো কি মানায়? মনে হয় না কোনো দুরভিসন্ধি আছে?

জাতীয় চার নেতার একজনের সন্তানকে (যিনি এই সরকারের সাবেক প্রতিমন্ত্রী) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের একজন কর্মকর্তার বক্তব্যের প্রতিবাদ জানাতে ভিডিও বার্তা করতে হয়? কেন উনার কি সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর কাছে গিয়ে বা ফোনে প্রতিবাদ জানানোর সম্পর্ক আর নেই? যাহোক সোহেল তাজের বক্তব্য শোনার পর সেই কর্মকর্তার ফেসবুকে মূল স্ট্যাটাস পড়লাম এবং সেখানে প্রায় সকল কমেন্টও পড়লাম। পড়ে বুঝলাম বিষাক্ত বিভাজন শুরু হয়ে গেছে। কে বড়, কে ছোট এইরকম একটি বিষয়কে নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের কেউ বিতর্কের সূত্রপাত করলে বলতেই হয় বিভাজন ইতোমধ্যেই তৈরি হয়ে গেছে। ওই কর্মকর্তার তুলনামূলক আলোচনা করাই তো অবমাননাকর। বঙ্গবন্ধু যদি একটি টেবিল হন, তাহলে সেই টেবিলের চারটি পা হলো চার নেতা। এই চার নেতাকে গ্লোরিফাই করলে কি বঙ্গবন্ধুকে ছোট করা হয়?

একটি দেশে অনেক বড় মানুষ থাকতে পারে। ভবিষ্যতেও আরও অনেক বড় মানুষ জন্মাবে কিন্তু কেউ তো জাতির পিতা আর হতে পারবেন না। এইটা অত্যন্ত দুঃখজনক যদি রাষ্ট্রীয়ভাবে তাজউদ্দীন আহমদের জন্মদিন পালন করা না হয়ে থাকে। ফেসবুক থেকে

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত