প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] কুমিল্লায় হলুদ চাষে সফল হচ্ছে কৃষকরা

মাহফুজ নান্টু, [২] বিস্তৃর্ণ ক্ষেতজুড়ে হলুদ গাছ। সারি সারি সবুজ পাতায় চোখ জুড়ানো দৃশ্য। আগাছা পরিস্কারে কৃষকরা ব্যস্ত সময় পার করছেন। কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার সীমান্তবর্তী নোয়াপাড়া গ্রাম। হলুদের গ্রাম নামে পরিচিত। ওই এলাকার মাটি হলুদ চাষের উপযোগী। তাই ফলন ভালো। সফল হচ্ছেন কৃষকরা। বেশী মুনাফা হওয়ায় হলুদ চাষে ঝুকছেন সবাই।

[৩] কুমিল্লা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, এ বছর সদর দক্ষিণের লালমাই, নোয়াপাড়া, বুড়িচং ও ব্রাহ্মণপাড়া মিলিয়ে মোট ১শ ৯০ হেক্টর জমিতে হলুদ চাষ করা হয়েছে। তার মধ্যে ডিমলা, বারি ও স্থানীয় উন্নত জাতের হলুদ বেশী চাষ করা হয়েছে।

[৪] সূত্র জানায়, হলুদ রোপণ শেষে অন্তত আট মাস অপেক্ষা করতে হয়। এই আট মাসে ক্ষেতে নিবিড় পরিচর্যা করলে ভালো ফলন হবে। আর ভালো ফলন হলে ভালো মুনাফাও করা সম্ভব হয়।

[৫] সরেজমিনে জেলার সদর দক্ষিণ উপজেলার নোয়াপাড়া গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, বিস্তৃর্ণ প্রান্তরজুড়ে হলুদ গাছ। ক্ষেতে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা। কৃষক জহির জানান, গত কয়েক বছর ধরে নোয়াপাড়া এলাকায় হলুদ চাষে বেশী ঝুকছেন কৃষকরা। তার কারণ হলুদ চাষের জন্য নোয়াপাড়ার মাটি বেশ উপযোগী। হলুদের দাম ভালো। কম বিনিয়োগে বেশী মুনাফা লাভ করা যায়।

[৬] তিন বছর আগে নোয়াপাড়া এলাকায় প্রথম হলুদ চাষ শুরু করেন কবির হোসেন। তিনি প্রথমে ১২ শতক জমিতে হলুদ চাষ করেন। পরে কবির হোসেনের মাধ্যমে নোয়াপাড়া এলাকায় হলুদ চাষের প্রচলন শুরু হয়।

[৭] বিষয়টি নিয়ে কুমিল্লা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক সুরজিৎ চন্দ্র দত্ত জানান, কৃষি বিভাগ সব রকমের সহযেগিতা করতে প্রস্তত রয়েছে। কোন কৃষক যদি মসলা জাতীয় ফসল উৎপাদনে ঋণ সহযোগিতা চায় তাহলে শতকরা ৪ ভাগ সুদে ঋণের ব্যবস্থা করে দেয়া হবে। এছাড়াও কৃষকরা প্রযুক্তিগত সহযোগিতার পাশাপাশি যে কোন প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিতে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর প্রস্তত।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত