প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

পলাশ রহমান: দূতাবাসের উচিত নিরাপদে রায়হানকে মালয়েশিয়া থেকে দেশে ফেরার ব্যবস্থা করা

পলাশ রহমান: মালেশিয়ায় অভিবাসী শ্রমিকদের নির্যাতনের বিরুদ্ধ কথা বলে গ্রেপ্তার হয়েছেন রায়হান কবির। বৈশ্বিক করোনা সংকটের মধ্যেও সেখানে বিদেশি শ্রমিকদের নির্যাতন করা হয়। হাতে শেকল বেধে ভয়ানক অপরাধীর মতো নির্যাতন করা হয়। মোটা বেত দিয়ে বেধড়ক পেটানো হয়। যার এক আঘাতেই অধিকাংশ মানুষ অজ্ঞান হয়ে পড়ে। শরীর ফেটে গলগল করে রক্ত বেরোয়। তারা নারী শ্রমিকদের অকথ্য নির্যাতন করে। এই করোনা কালেও তারা প্রবাসী শ্রমিকদের উপর অমানবিক নির্যাতন অব্যাহত রেখেছে। এসব কথা বলে বড় অপরাধ করে ফেলেছেন সেদেশে পড়তে যাওয়া রায়হান কবির। তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা দেওয়া হয়েছে। তার স্টে পার্মিট বাতিল করা হয়েছে। তাকে ধরিয়ে দেওয়ার জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে, যেন সে কোনো বিশ্ব সন্ত্রাসী। রায়হান আল জাজিরার সাথে কথা বলেছেন গত তিন তারিখে। এতোদিন তিনি আত্মগোপনে থেকে নিজেকে বাঁচানোর চেষ্টা করেছেন। আমার কথা হলো, এতোদিন আমাদের দূতাবাস কোথায় ছিলো?

তারা কেন রায়হানকে দূতাবাস হেফাজতে নিয়ে যায়নি? কেন আইনি সহযোগিতা নিয়ে তার পাশে দাঁড়ায়নি? রায়হান গ্রেফতার হওয়ার পরেও আমাদের দূতাবাস বা সরকারের দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ দেখা যায়নি। যা খুবই হতাশাজনক। আমাদের সরকার, দূতাবাসের উচিত নিরাপদে রায়হানকে দেশে ফেরার ব্যবস্থা করা। তাকে আইনি সহযোগিতা দেওয়া। মানবাধিকার সংগঠনগুলোর সাথে যোগাযোগ বৃদ্ধি করা এবং মালেশিয়ায় কর্মরত আমাদের শ্রমিকদের মানবিক অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। বহুদিন থেকে শোনা যায়, মালেশিয়া বিদেশি শ্রমিকদের উপর নির্যাতন করে। মোটা বেত দিয়ে পেটায়। তাদের হাতে শেকল বেধে খালিপায়ে রাস্তায় দাঁড় করায়। নারী শ্রমিকদের চরম অসম্মান করে। প্রবাসী শ্রমিকদের থাকা খাওয়ার ব্যাবস্থা খুবই অমানবিক, মানবেতর। সাথে তামিলদের অত্যাচার নির্যাতন তো আছেই। একজন রায়হানের বক্তব্য এবং তার প্রতি মালাই সরকারের আচারণ দেখে বোঝা যাচ্ছে সত্যিই সেখানে বিদেশি শ্রমিকদের মানবাধিকার বলে কিছু নেই। দুই হাজার কুড়ি সালেও তারা সভ্য হয়ে উঠতে পারেনি। বিদেশি শ্রমিকদের রক্ত ঘাম নিংড়ে শুধু বড়বড় অট্টালিকাই বানিয়েছে। ফেসবুক থেকে

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত