প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

করোনাকালের উপলব্ধি

বিপ্লব রঞ্জন সাহা: করোনা কালে পৃথিবীজুড়ে পুঁজিবাদী দেশগুলো যখন স্থবির হয়ে মুখ থুবরে পড়েছে ঠিক তখন বিপরীত চিত্র দেখা যাচ্ছে সমাজতান্ত্রিক দেশগুলোতে এবং প্রাক্তন সোভিয়েত ইউনিয়নভুক্ত অথচ বর্তমানে বিনা রক্তক্ষয়ে স্বাধীন রাষ্ট্রসমূহে বা সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র ব্যবস্থার বদলে সংস্কারের নামে খোলনলচে না পাল্টিয়ে নামমাত্র পুঁজিবাদী ধারায় প্রত্যাবর্তন করা দেশসমূহে। গণতন্ত্রের ধ্বজাধারী সাম্রাজ্যবাদী দেশগুলো করোনা প্রতিরোধের কোন পথ খুঁজে না পেয়ে, লকডাউনে নাজেহাল হয়ে, নিজেদের স্বেচ্ছা অবরুদ্ধ করে গুটিয়ে নিয়েছে তাদের অর্থনৈতিক, সামাজিক, রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড। যারা নিজদের উন্নয়ন ও অগ্রগতি নিয়ে বড়াই করার জন্য প্রচারণা ব্যয় করে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার, তাদের স্বরূপ উন্মোচিত হয়ে পড়ায়, মিডিয়াকে তারা এখন ব্যবহার করছে দোষারোপের প্রচারণায়। তারও আবার কোন পারম্পর্য নেই। আজ এই কথা বলছে তো কাল সেই কথা। একবার ভাইরাসটিকে বলছে ‘চাইনিজ ভাইরাস’ আবার যেই দেখছে এতে থলের বিড়াল বেরিয়ে যাবে, কথা পাল্টে নিয়ে বলছে ‘না, না, আমি তো এমন কথা বলিনি। মিডিয়া আমার কথার ভুল ব্যাখ্যা করছে,’ (ডোনাল্ড ট্রাম্প)। একবার বলছে, এটি একটি ‘প্রাকৃতিক ভাইরাস’ আবার বলছে এটি উহানের ল্যাবে তেরি। যেই প্রশ্ন উঠেছে উহানের ল্যাবটা কার? প্রশ্নটাকে ধামাচাপা দিতে তখন আবার বলছে চীন নিজেদের আধিপত্য বিস্তারের লক্ষ্যে ইচ্ছাকৃতভাবে সারা বিশ্বে এটি ছড়িয়ে দিতে চেয়ে নিজেরাই ফেঁসে গেছে। সত্যানুসন্ধানীদের মুখোমুখি হয়ে বলছে, এটি ল্যাব থেকে দুর্ঘটনাক্রমে বেরিয়ে এসেছে। সব প্রচারণাই পুঁজিবাদী দেশগুলো বিশেষত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র দূর থেকে বসে সারা বিশ্বের অনুন্নত দেশসমূহে এবং সর্বোপরি চীনের দুর্দশা দেখে বগল বাজানোর অভিপ্রায় থেকে করেছে। তারা ভাবতেও পারেনি যে, অদৃশ্য এই ভাইরাসটি সাত সমুদ্র পাড়ি দিয়ে তাদের সকল জারিজুড়ি ফাঁস করে দিবে। আমরা না চাইলেও চরম দুঃখজনক এক পরিস্থিতি দেখেছি আমেরিকা, ইংল্যান্ড, জার্মানি, ইতালি, ফ্রান্স ও স্পেনের মতো উন্নত দেশসমূহে। লক্ষ লক্ষ মানুষ আক্রান্ত হয়েছে এবং এর পরিণতিতে লক্ষ লক্ষ মানুষের মৃত্যুর দৃশ্য তাদেরকে নীরব দর্শকের মতো অবলোকন করতে হয়েছে এবং সেই শোকের ভার বইতে হয়েছে নিহতদের আত্মীয়-পরিজন, স্বজন-সুহৃদদের এবং সেই হৃদয়বিদারক মুহূর্তেও নির্বিকার থেকেছে শাসকগোষ্ঠী ও সকল বিরূপ পরিস্থিতির মুনাফাভোগীরা। একজন তো একান্ত সাক্ষাৎকারে বলেই ফেলেছেন, ‘এতো আরোগ্যপ্রাপ্ত লোক আমরা চাই না। আমাদের দৃষ্টি নিবদ্ধ রাখতে হবে একটি কার্যকর ভ্যাক্সিন আবিষ্কার ও দুনিয়াব্যাপী ভ্যাক্সিনেশনের দিকে।’ (বিল গেটস)। এমনকি টেক্সাসের গভর্নর তো মিডিয়ার সামনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেই বসলেন যে, ‘আওয়ার এলডারলি পিপল উইলিংলি টু ডাই টু সেভ আওয়ার ইকোনমি।’ তাদের এতদিনকার আস্ফালন মিথ্যা প্রমাণ করে দিয়ে একটা অণুবীজ যাকে খালি চোখে দেখা যায় না, তার বীভৎস ধ্বংসযজ্ঞে নাজেহাল হয়ে শেষ পর্যন্ত বিকারগ্রস্ত হতে হয়েছে।

তথ্য প্রযুক্তির বর্তমান দুনিয়ায়, অবাধ তথ্য প্রবাহের বদৌলতে যেহেতু প্রতিদিনের তথ্য মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে মিডিয়া বাণিজ্য নিজ মুনাফার স্বার্থে সদা তৎপর, তাই এই ক্ষুদ্র লেখার পরিসরে আমি সে চেষ্টা থেকে বিরত থাকতে চাই। যে কেউ যেকোন মুহূর্তে পৃথিবীর কোন প্রান্তে কি ঘটছে তা অনায়াসেই সরাসরি জানতে পারছে। কোন সংবাদ মাধ্যমকে পাশে না পেলেও হালনাগাদ তথ্য পেতে গুগল, ইউটিউব, উইকিপিডিয়া পাবেন নাগালের মধ্যে, তার জন্য প্রয়োজন পড়বে একটি মাত্র বাটন টেপা। আর করোনার মতো বিশ্বজনীন এক মহামারীর এই দুর্যোগের সময়ে যারা এর থেকেও ফায়দা লুটতে জীবন বাজি রেখে নেমেছে তারা তথ্যের হাজারো জানালা খুলে দিয়েছে যাতে না চাইলেও সবাইকে করোনা ভাইরাস দ্বারা সংক্রমিত না হলেও, এই তথ্য ভীতি দ্বারা আক্রান্ত করা যায়। তাই পরিসংখ্যান তুলে ধরে আমার আলোচ্য বিষয়কে বিশ্বাসযোগ্য করানোর কোন অবকাশ বা অভিপ্রায় আমার নেই। আমি শুধু প্রাপ্ত পরিসংখ্যান থেকে কিছু জায়গায় আলোকপাত করতে চাই, আমার আলোচনার মর্মবস্তুকে খোলাশা করার নিমিত্তে, এর বেশি কিছু নয়।

উহানে করোনা টেস্ট

সমাজতান্ত্রিক চীন যখন এই ভাইরাসটির বিরুদ্ধে মরণপণ যুদ্ধে লিপ্ত তখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ইংল্যান্ড, ফ্রান্স, স্পেন, জামার্নির মতো উন্নত দেশগুলো কত কি বলেছে তা কারোরই ভুলে যাওয়ার কথা নয়। চীন তার পরিকল্পিত কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা প্রয়োগ করে, বাধ্যতামূলক লক ডাউন চলু করে, কোয়ারেন্টাইন, আইসোলশন পদ্ধতি অনুসরণ করে, সংক্রমণ শনাক্তকরণ ও নিবিড় স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করে, প্রথম ঝটকায় পরিস্থিতি বুঝে উঠার আগেই ঘটে যাওয়া ৪,৬৩৪ জন মানষের জীবনের বিনিময়ে অল্প কিছুদিনের মধ্যে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে। যখন তারা করোনাকে পুরোপুরি পর্যুদস্ত করে তাদের বিজয় কেতন উড়িয়েছে, তখন উন্নত পুঁজিবাদী দেশগুলোতে একে একে সংক্রমণ ছড়াতে শুরু করলো। সারা বিশ্ব কি দেখলো? দেখলো তাদের মাস্ক সংকট, পিপিই নেই, ভেন্টিলেটর অপ্রতুল, হাসপাতালগুলো অব্যবস্থাপনার চূড়ান্ত, সিদ্ধান্ত গ্রহণে কালক্ষেপণ, চরম স্বেচ্ছাচারিতা সর্বত্র বিরাজমান। তাহলে কোথায় গেল তাদের স্বাস্থ্যবীমা ব্যবস্থা? যা নিয়ে তারা সব সময় গর্ব করে এসেছে এবং যেকোন পরিস্থিতি মোকাবেলায় সদাপ্রস্তুত বলে দম্ভ প্রকাশ করেছে। দুঃখজনক হলেও সত্য যে, গত ছয় মাসে, ১৩/০৭/২০২০ নাগাদ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পরিসংখ্যান অনুযায়ী মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে মৃত্যুবরণ করেছে ১,৩৭,৯৪৮, ব্রাজিলে ৭২,২৩৪, ইংল্যান্ডে ৪৪,৮৩০, ইতালিতে ৩৪,৯৬৭, ফ্রান্সে ৩১,00৪, স্পেনে ২,৮৪০ জন। তালিকাটি না হয় আর বড় নাই করলাম। এর বিপরীতে বর্তমানে সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র ব্যবস্থায় পরিচালিত চীন, কিউবা, ভিয়েতনাম, উত্তর কোরিয়ার অবস্থা খতিয়ে দেখলে দেখা যাবে তারা মানুষের বেঁচে থাকার নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করেছে। সবচেয়ে লক্ষণীয় বিষয় হলো যেসব দেশ সোভিয়েত ইউনিয়নের সেই সুসময়ে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা গড়ে তুলেছিল যেমন উজবেকিস্তান, আজারবাইজান, কিরঘিজিস্তান, আর্মেনিয়া, জর্জিয়া, লাটভিয়া, লিথুয়ানিয়া, এস্তোনিয়া, কাজাখস্তান, তুর্কমেনিস্তানসহ পূর্ব ইউরোপের সার্বিয়া, ক্রোয়েশিয়া, রুমানিয়া, বুলগেরিয়া, চেক, শ্লোভাক এবং এর বাইরেও পোল্যান্ড, স্লোভেনিয়া পুঁজিবাদী ধারায় ফিরে গেলেও আজ সমাজতান্ত্রিক শাসনামলে গড়ে উঠা স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনার সুফল ভোগ করছে। কোভিড-১৯ যখন উন্নত দেশগুলোতে ঝড়ের তাণ্ডব তুলেছে তখন এসব দেশে যেন আম কুড়ানোর মতো ঝড় বয়ে গেল যাতে দু’একটি ডালপালা ভাঙলো অথবা একেবারে দুর্বল শেকড়ওয়ালা দু’একটি গাছ উপরে গেল। কোভিড-১৯ আমাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে দুই ধরণের সমাজ ব্যবস্থার পার্থক্যসূচক বৈশিষ্ট্যগুলো। গণমানুষের স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনায় একপক্ষ বেসামাল আর আরেকপক্ষ সুষ্ঠু ও পরিকল্পিতভাবে মহাশক্তিধর এই নভেল করোনা ভাইরাসকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে মানুষের জানমাল নিরাপদ রেখে সচল রেখেছে অর্থনৈতিক জীবনের স্বাভাবিক গতিপ্রবাহ। একদিকে উন্নত পুঁজিবাদী দেশগুলো গত ছয় মাসেও এই ভাইরাসটির বিরুদ্ধে কোন কার্যকর কর্মকৌশল খুঁজে বের করতে পারেনি আর অপরদিকে সমাজতান্ত্রিক দেশসমূহের কোন কোনটি তাদের কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনার কারণে অতিদ্রুত ভাইরাসটির আগ্রাসন প্রাথমিক পর্যায়েই রুখে দিয়েছে আর কোন কোন দেশ তাকে কোনভাবে ঢুকতেই দেয়নি। রাশিয়া তো ঘোষণা করেছে যে, ১৭টি ভিন্ন ভিন্ন ধরনের ভ্যাক্সিন তৈরির এবং ইতোমধ্যে তারা একটি ভ্যাক্সিনের চূড়ান্ত পরীক্ষা শেষ করেছে এবং কিছুদিনের মধ্যেই তা বাজারজাত করা হবে। এই পার্থক্যসূচক দৃশ্যপট কে না দেখেছে যদিও উন্নত দেশসমূহের মিডিয়া প্রতিনিয়ত ভীতি সংক্রমণে ব্যস্ত ছিল এবং আছে। তার এসব ইতিবাচক চিত্রকে সামনে আসতে দেয়নি ও দিচ্ছে না। কারণ তাদের লক্ষ্যই এই ভাইরাসটিকে ততক্ষণ অজেয় হিসেবে প্রমাণ করা যতদিন না তাদের পছন্দের একটি ভ্যাক্সিন বাজারে আসছে। এখানেও তারা অগুণিত মানুষের মৃত্যুর বিনিময়ে মুনাফার হিসাবটাই কষছে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে।

নিউইয়র্কে করোনা টেস্ট

এমন একটা সময় আমরা পার করেছি বিশেষত বিগত শতাব্দীর নব্বই-এর দশক থেকে কিছুদিন আগ পর্যন্ত, যখন সবাই প্রায় ভুলতে বসেছিলো মানব সভ্যতায় সমাজতন্ত্রের ইতিবাচক অবদানসমূহ! কিন্তু সেই সমাজ ব্যবস্থার স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা মানবিক মূল্যবোধ জাগিয়ে তোলার জন্য রাষ্ট্র নিয়ন্ত্রিত ব্যবস্থাপনার সুফল যখন আবারও স্পষ্টভাবে দৃশ্যমান তখন আমরা নিশ্চয়ই উপলব্ধি করতে পারছি সামাজিকভাবে কতটা দৃঢ় তাদের ভিত্তি এবং তার পেছনে অবশ্যই সমাজতন্ত্রই মূল নিয়ামক। আমরা অনেকেই ‘সমাজতন্ত্রের পতন’ কথাটার সাথে পরিচিত হয়েছি পশ্চিমা প্রচার মাধ্যমের ডামাডোল থেকে। অনেকেই দিশেহারা বোধ করেছি। অনেকেই করণীয় নির্ধারণে দিকভ্রান্ত হয়ে নিজের হতাশাকে অপরের মধ্যে সংক্রমিত করে সেই একতরফা প্রচরণার অনুঘটক হিসেবে কাজ করেছি। অথচ সমাজের অনিবার্য বিকাশের প্রবহমান ধারায় কিছু কিছু দেশ তাদের কৌশল পরিবর্তন করে হলেও মূলধারায় প্রবাহিত হয়েছে তাদের লক্ষ্যাভিমুখে। তাতে আজ একাধারে তারা তাদের অর্থনৈতিক উন্নয়নের পথে ধাপে ধাপে এগিয়ে গেছে, আর তার পাশাপাশি সামাজিক দায়বদ্ধতার জায়গায় স্বকীয়তার স্বাক্ষর রেখে মানবজাতির এই দুর্যোগের কালে নিজেদের রক্ষা করার পাশাপাশি বিশ্ব মানবতার পাশে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে।

অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় হলো, আজ দেশে দেশে সমাজতন্ত্রের পক্ষে যৌক্তিক কথাগুলো তুলে ধরার মতো মানুষের সংখ্যাও এতটাই নগণ্য হয়ে পড়েছে, তাদের সামাজিক গ্রহণযোগ্যতা এতটাই কমে গেছে, মানুষকে সঠিক পথ দেখানোর মতো দূরদৃষ্টির ঘাটতি এতোটাই প্রবল হয়েছে যে, মুনাফার পেছনে অবিরাম ছুটতে থাকা কোন মিডিয়াই এসব প্রচারণায় সামান্যতম আগ্রহও বোধ করে না। তাদের বিবেচনায় চটকদার সংবাদ পরিবেশনের চেয়ে ঢের লাভজনক যা প্রতিযোগিতামূলক বাজারে টিকে থাকার জন্য অপেক্ষাকৃত অনুকূল এবং সহায়ক। রাজনীতি বা সমাজ বিপ্লবের ক্ষেত্রে মেধাশূন্যতার এক চরম প্রদর্শনী চলছে আমাদের দেশে, পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে, উন্নয়নশীল দেশসমূহে। যার পরিণতিতে সাম্রাজ্যবাদী দেশসমূহ ও সাম্রাজ্যবাদের সমর্থনপুষ্ট পুঁজিবাদী দেশগুলোতে শাসকগোষ্ঠী আজ ফ্যাসিবাদী ও মৌলবাদীদের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছে। শুধু দু’একটি দাবী-দাওয়া উত্থাপন করে, তার সমর্থনে যৎকিঞ্চিত প্রচারণা চালিয়ে, এবং দু’একটি রুটিন কর্মসূচি পালন করে আত্মতুষ্টিতে ভোগার সময় আর নেই। এখনই এই বোধ প্রগতিশীল মানুষদের চিন্তায়, চেতনায় ও কর্মকাণ্ডে ধীরে ধীরে ক্রিয়াশীল না হলে আমরা নিশ্চিতভাবেই ঘোর অন্ধকারের দিকে অগ্রসর হচ্ছি, এবং তা শেষ পর্যন্ত কোথায় গিয়ে ঠেকবে বলা মুশকিল!

লেখক: সহযোগী অধ্যাপক, ইংরেজি বিভাগ, ঢাকা মহানগর মহিলা কলেজ।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত