প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] লক্ষ্মীপুরে ননদ ভাবীর স্বপ্নের বাস্তবায়নে এখন সফল উদ্যোক্তা

জাহাঙ্গীর লিটন, লক্ষ্মীপুর : [২] উদ্যোক্তা হিসেবে নারীরা এখন অনেকটাই সফল। বিভাগীয় শহরগুলোতে উদ্যোক্তারা বেশি সুবিধা পেয়ে থাকেন। তুলনামূলক কম সুযোগ সুবিধা থাকা স্বত্বেও মফস্বল শহরের নারীরা উদ্যোক্তা হিসেবে এগিয়ে আসছেন। লক্ষ্মীপুরের দিল আফরোজা মিতু ও হাসনা আবেদিন দুই গৃহবধূ এই তালিকায় যুক্ত হয়েছেন। নারীদের জন্য তারা অনলাইন ভিত্তিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান চালু করেছেন। এগিয়ে চলেছেন স্বপ্ন পূরণের লক্ষ্যে।

[৩] মিতু সৌদি আরব প্রবাসী ইব্রাহিম খলিলের স্ত্রী। তার বাবার বাড়ি লক্ষ্মীপুর পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ড বাঞ্চানগর এলাকায়। ব্যবসায়িক অংশীদার হাসনা তার ভাই শরীফ হোসেনের স্ত্রী। হাসনা লক্ষ্মীপুর সরকারি কলেজ থেকে রসায়ন বিভাগে বিবিএ (অনার্স) পাশ করেছেন।

[৪] তাদের প্রতিষ্ঠানের নাম ‘ডিভাস আউট ওয়্যার’। যেখানে মেয়েদের থ্রি-পিস, ওয়ান পিস, ফোর-পিস, শাড়ি পাওয়া যায়। তাদের অনলাইন বাজারে বাটিকের বিছানার চাদরও পাওয়া যাচ্ছে। লক্ষ্মীপুর ভিত্তিক এই প্রতিষ্ঠানটির জামা-বিছানার চাদর বিক্রিতে ভালোই চাহিদা রয়েছে।

[৫] এ ব্যাপারে হাসনা আবেদিন জানান, মিতুর অনুপ্রেরণায় তিনি অংশীদার হয়ে অনলাইন ভিত্তিক ব্যবসা শুরু করেছেন। শুরু থেকেই ভালো সাড়া মিলছে। তারা এখন পাইকারি দোকান থেকে জামা-কাপড়গুলো কিনে এনে বিক্রি করছেন। খুব শিগগিরই নিজেদের প্রতিষ্ঠান থেকেই এসব জামা কাপড় তৈরি করে বিক্রির আশা রয়েছে তাদের।

[৬] জানতে চাইলে প্রধান উদ্যোক্তা দিল আফরোজা মিতু জানান, খুব কম বয়সে তার বিয়ে হয়েছে। তার সংসারে এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। বিয়ের পরে তিনি এইচএসসি ও ডিগ্রি পাশ করেন। বর্তমানে তিনি মাস্টার্স ও প্যারামেডিকেলে অধ্যয়নরত। বিয়ের পর থেকে পড়ালেখাসহ সকল কাজে তার স্বামী ইব্রাহিম খলিলের সহায়তা ও সমর্থন পেয়েছেন।

[৭] তিনি জানান, শুধু স্বামীর ওপর নির্ভরশীল থাকাটা উচিত নয়। দীর্ঘদিন থেকে তিনি চেয়েছেন নিজের একটা পরিচয় হোক। সেই ইচ্ছা থেকেই এ ব্যবসা শুরু করেছেন তিনি। তবে অংশীদার হিসেবে তিনি বেছে নিয়েছেন তার কাছের বন্ধু ও তার ভাবি হাসনা আবেদিনকে। এখন অন্যদের কাছ থেকে জামা-কাপড় কিনে এনে বিক্রি করলেও একদিন তাদের একটা ব্রান্ড হবে বলে তার আশা। তার লক্ষ্য একদিন নিজেরাই জামা-কাপড় তৈরি করে বিক্রি করবেন। সম্পাদনা: জেরিন

সর্বাধিক পঠিত