শিরোনাম
◈ জুলাই যোদ্ধাদের দায়মুক্তি ও আইনি সুরক্ষা দিয়ে অধ্যাদেশ জারি ◈ প্যারোল কী, কারা পান এবং কীভাবে—বাংলাদেশের আইন কী বলে ◈ ভোটকেন্দ্র ছাড়া অন্য কোথাও ভোট গণনা করা যাবে না: ইসির পরিপত্র জারি ◈ ক্ষমতায় গিয়ে কথা না রাখলে জবাব দিতে হবে: তারেক রহমান ◈ ইতিহাসের সব রেকর্ড ভাঙল স্বর্ণের দাম ◈ ‘ভয়াবহ দুর্নীতি’ আদানি চুক্তিতে: বাতিলের জন্য যেতে হবে আন্তর্জাতিক আদালতে ◈ সিডনিকে সিক্সার্সকে হা‌রি‌য়ে বিগ ব্যাশে রেকর্ড ষষ্ঠ শিরোপা জয় কর‌লো স্করচার্স ◈ দেশের মানুষের জন্যই বিএনপির রাজনীতি: তারেক রহমান ◈ ভারত থেকে ৮ ট্রাকে ১২৫ মেট্রিক টন বিস্ফোরক প্রবেশ করল দেশে ◈ চীনের অনুদানে যে কারণে নীলফামারীতে হবে ১০ তলা হাসপাতাল, আরও যা যা থাকছে

প্রকাশিত : ২৫ জুলাই, ২০২০, ০৯:৫৬ সকাল
আপডেট : ২৫ জুলাই, ২০২০, ০৯:৫৬ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] রামগঞ্জে কামার শিল্পীরা ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন

মনির হোসেন : [২] ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে রামগঞ্জ উপজেলার কামার শিল্পীরা এখন দা, ছুরি, কাঁচি, চাপাতিসহ লোহার বিভিন্ন সামগ্রী তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন। দিন রাত হাতুরের খুটখাট শব্দে এখন মুখরিত হাট বাজার ও কামার বাড়ি।

[৩] জানা গেছে, রামগঞ্জ পৌরসভার রামগঞ্জ,সোনাপুর ও চৌমুহনী বাজারসহ উপজেলার কাঞ্চনপুর, নোয়াগাঁও, ভাদুর, ইছাপুর, চন্ডিপুর, লামচর, দরবেশপুর, করপাড়া, ভোলাকোট, ভাটরা, এ ১০টি ইউনিয়নের কামারহাট, পানপাড়া, মাঝিরগাঁও, দল্টা, চাঙ্গিরগাঁও, পদ্মাবাজারসহ বিভিন্ন হাট বাজারে কুরবানির ঈদকে সামনে রেখে কামার শিল্পীরা দা, বটি, চাকু, চাপাতিসহ লোহার বিভিন্ন সরঞ্জাম তৈরি করছে।

[৪] নিত্যপ্রয়োজনীয় এসব সরঞ্জাম মৌসুমি অর্ডারের পাশাপাশি স্থানীয় জনগণের চাহিদা মিটিয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানের পাইকারি দরে সরবরাহ করছে। বর্তমান আধুনিক যন্ত্রের প্রভাবে কামার শিল্পের দুর্দিন চললেও ঈদুল আজহার মৌসুমকে সামনে রেখে তাদের ব্যবসা কিছুটা জমে উঠেছে বলে কামারহাটের কামার শিল্পী পরেশ কর্মকার জানান।

[৫] তিনি আরো জানান, এক সময় তাদের এ ব্যবসার অনেক কদর ছিল। কিন্তু এখন আর সেই কদর আর নেই। বর্তমানে আধুনিক যন্ত্রপাতি আসার ফলে আমাদের হাতে তৈরি জিনিসের কদর কমে গেছে। পরেশ কর্মকার আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, অদূর ভবিষ্যতে হয়তবা এই পেশা বিলুপ্ত হয়ে যাবে। কুরবানির ঈদের সময় আমাদের ভরা মৌসুম।

[৬] সারা বছর তেমন কোনো কাজ না থাকলেও এ সময় আমাদের কাজের চাহিদা কয়েকগুণ বেড়ে যায়। রামগঞ্জ পৌরসভার ঐতিহ্যবাহী সোনাপুর বাজারে গিয়ে দেখা যায় কামারদের দোকানে সাজিয়ে রাখা হয়েছে দা, বটি, ছুরি, চাপাতি ও কুড়ালসহ লোহা ও ইস্পাতের তৈরি ছোট বড় বিভিন্ন ধারালো সরঞ্জাম। এসব সরঞ্জাম পছন্দ মতো কিনছে ক্রেতারা। সম্পাদনা: সাদেক আলী

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়