প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

১] বিচারপতিদের স্বাক্ষর জাল, চূড়ান্ত ব্যবস্থাসহ আবেদন নিষ্পত্তিতে তিন বছর পার

নূর মোহাম্মদ : [২] ২০১৬ সালের ২৬ জুন বকতার আহমেদ নামের এক ব্যক্তিকে ৫০ হাজার পিস ইয়াবাসহ রাজধানীর খিলগাঁও থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এ মামলায় হাইকোর্টে জামিন চেয়ে আবেদন করেন তিনি। জামিনের আবেদনটি কার্যতালিকায় থাকলেও শুনানি হয়নি। তবে বেঞ্চ অফিসার রফিকুল ইসলাম হাইকোর্টের দুই বিচারপতির স্বাক্ষর জাল করে জামিন ও রুল আদেশ প্রস্তুত করেন। আর সেই ভুয়া জামিনের আদেশ দিয়ে কারাগার থেকে মুক্তিও পান বকতার।

[৩] একই মামলার অন্য আসামি নুরুল আলম টিটো জামিন চেয়ে আবেদন করেন। ওই আবেদনের শুনানিতে মূল আসামি বকতারের জামিন পাওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করা হয়। আর তখনই এ ভয়াবহ জালিয়াতির ঘটনা ধরা পড়ে। তখন রফিকুলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে রেজিস্ট্রারকে ২০১৭ সালের ২০ জুলাই নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। এরপর অসদাচরণ ও দুর্নীতির অভিযোগে ২ আগস্ট তাকে চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করে বিভাগীয় মামলা করা হয়।

[৪] বিভাগীয় মামলার প্রেক্ষিতে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ২০১৮ সালের ১১ ডিসেম্বর রফিকুলকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়। তবে তিনি সাময়িক বহিষ্কারের সময়কে কর্মকাল বা অর্জিত ছুটি হিসেবে মঞ্জুর করতে আবেদন করেন। কিন্তু প্রধান বিচারপতি গত ১৫ জুন তার ওই আবেদন নাকচ করেন। এরপর ১২ জুলাই সুপ্রিম কোর্ট থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

[৫] এদিকে বিষয়টি নিষ্পত্তি হতে দীর্ঘ সময় লাগার কারন হিসেবে সুপ্রিম কোর্টের স্পেশাল অফিসার সাইফুর রহমান বলেন, রফিকুলকে ২০১৮ সালেই বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়। তবে এরপর সে বেশ কয়েকটি আবেদন করেছিলেন। সেগুলো নিষ্পত্তি করতে সময় লেগেছে। আর এটা স্বাভাবিক সময়, কোন বিলম্ব হয়নি।

সর্বাধিক পঠিত