প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

আব্দুল হাই সাঞ্জু: খুরশীদ আলমের মতো লোকেরা বৈজ্ঞানিক ও চিকিৎসা পরামর্শ দেওয়ার কাজে নিয়োজিত থাকলেই ভালো হতো

আব্দুল হাই সাঞ্জু: স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডিজি পদে নেতৃত্বের দক্ষতাসম্পন্ন একজন ভালো ম্যানেজার দরকার ছিল। নতুন ডিজির যদি সেটি থাকে, তবে ঠিক আছে। না থাকলে তার কাছ থেকেও খুব বেশি আশা করা ঠিক হবে না। সৎ ও ভালো লোক হলেই হয় না; ম্যানেজমেন্টের দক্ষতা অন্য বিষয়। বিদায়ী ডিজি সরাসরি দুর্নীতির সাথে জড়িত ছিলেন বলে আমার মনে হয় না। তবে তার ম্যানেজমেন্টের দক্ষতায় ঘাটতি ছিল। অন্য সময়ের চেয়ে করোনার সময়টা যে ভিন্ন, সেটি হয়তো তিনি অনুধাবন করতে ব্যর্থ হয়েছেন।

সরকারের মন্ত্রী ও প্রভাবশালীদের কথা শুনতেই হবে-এমন ধারাবাহিক সংস্কৃতিকে তিনি মানতে গিয়ে ধরা খেয়ে গেছেন। সবার মনোযোগ এখন স্বাস্থ্য বিভাগ, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এবং চিকিৎসা বিষয়ক ইস্যুগুলোর ওপর; পান থেকে চুন খসলেই সব দৃশ্যমান হয়। এমন সময়ে সরকারের মন্ত্রী ও প্রভাবশালীদের মন রক্ষার ধারাবাহিকতা রক্ষা করতে গিয়ে অধ্যাপক আজাদের আজ এই পরিণতি বরণ করতে হয়েছে। অন্যদিকে, ঢাকা মেডিকেলের মতো গুরুত্বপূর্ণ হাসপাতালের সার্জারি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান আবুল বাশার এখন শিক্ষার্থীদের শিক্ষা দেওয়ার সময় পাবেন না; দিনরাত তাকে ব্যবস্থাপনার কাজ করতে হবে।

একজন ভালো ব্যবস্থাপক খুঁজে পাওয়া যতো সহজ, একজন সার্জারির অভিজ্ঞ শিক্ষক খুঁজে পাওয়া বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে ততোই কঠিন। প্রয়োজন ছিল না এরকম একজন গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষকের জ্ঞান বিতরণের সময়কে অপচয় করার। হাসপাতালগুলোতে গেলে দেখা যায়, বিভিন্ন বাহিনীর লোক ইউনিফর্ম পরিধান করে পরিচালনার দায়িত্ব নিয়ে বসে আছেন। ব্যক্তিগতভাবে সিভিল প্রতিষ্ঠানে ইউনিফর্মওয়ালা লোক দেখলে আমার একটু অস্বস্তি হয়। বাহিনী থেকে না হোক, বড় প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনার কাজে অভিজ্ঞতা থাকা লোককে ডিজির পদে বসালে হয়তো আরও ভালো হতো। আর আবুল বাশার সাহেবদের মতো লোকেরা বৈজ্ঞানিক ও চিকিৎসা পরামর্শ দেওয়ার কাজে নিয়োজিত থাকলেই ভালো হতো। যাই হোক, দেখা যাক কী হয়। ফেসবুক থেকে

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত