প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

আরিফ মাহবুব: রিজেন্ট সাহেদদের কারণে প্রবাসীরা কেন বিপদে পড়বেন?

আরিফ মাহবুব: কেউ কি বলতে পারবেন দুর্নীতির বিরুদ্ধে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জিরো টলারেন্সের মেয়াদ কাল কতো? সেই কবে থেকে দেশের সকল নেতা কর্মীরা কিছুদিন পর পর হঠাৎ আচমকা পথে ঘাটে মাঠে সাংবাদিকদের দেখলেই চোখ মুখ রাঙ্গিয়ে একখান ছবি খিচে চিৎকার করে উঠেন অনিয়ম-দুর্নীতির বিরুদ্ধে বঙ্গবন্ধুকন্যার জিরো টলারেন্সের। ইতোমধ্যে দেশের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও প্রতিষ্ঠান থেকে আমলা, সরকারি কর্মকর্তা, সচিবদের অপসারণ করা হলেও অনিয়ম-দুর্নীতির বিরুদ্ধে বঙ্গবন্ধুকন্যার জিরো টলারেন্সের প্রক্রিয়া কিন্তু থেমে নেই, মনে হচ্ছে যতোদিন সরকার ক্ষমতায় আছে এই অভিযানের আড়ালেই গড়ে উঠছে দুর্নীতির এক বিশাল সাম্রাজ্য।

ইদানীংকালে প্রবাসের ইমিগ্রেশনে বাংলাদেশিদের হাতে ভুয়া করোনার কাগজ থাকার কারণে বাংলাদেশি ভাইদের যেই না প্যাঁদানি দেওয়া শুরু হয়েছে আর ঠিক তখনি জেকেজি-রিজেন্টের কর্মকাণ্ড ও তার থলের বিড়াল বেরিয়ে আসতে শুরু করে, জেকেজি-রিজেনটের বড় বাবু সাহেদকে সবাই চিনলেও ঠিক সাংবাদিকদের সামনে ধরা পরার পর তার প্রতি আমলা মন্ত্রী সচিবরা সবাই মুখ ফিরিয়ে নিলেও তলে তলে গোমড় ফাঁস হবার ভয়ে স্বাস্থ্য খাতের স্বয়ং মন্ত্রী মশাইও জেকেজি-রিজেন্টের সঙ্গে নাকি চুক্তিপত্র না দেখেই সই করে ভেজালের কথা বেমালুম ভুলে যাচ্ছেন। এরকম আত্মভোলা মন্ত্রী দিয়ে যে রাজ কার্য চলতে পারে না সেটা জনগণ বুঝলেও সরকার কিন্তু কানে তুলো গুজে বসেছেন।

সুযোগ বুঝে স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডুগডুগি বাজিয়ে অনিয়ম-দুর্নীতির বিরুদ্ধে বঙ্গবন্ধুকন্যার জিরো টলারেন্সের সেই পুরনো গানে তাল ধরেছেন। ধাপে ধাপে করোনার নমুনা পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশে গজিয়ে ওঠে দুর্নীতির নতুন ব্যবসা, স্বাস্থ্য খাতের চিকিৎসা নিয়ে প্রতারণা চালিয়ে আসা শতাধিক বেসরকারি হাসপাতাল-ক্লিনিকের তালিকা যখন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে আসতে শুরু করে তখন এই তালিকার মাঝেও যে দুর্নীতি ঢুকে পরছে না তা জি জনগণ হলপ করে বলতে পারবে? সংক্ষেপিত ফেসবুক থেকে

সর্বাধিক পঠিত