প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] ১৯৯৮ সালের মতো দীর্ঘস্থায়ী বন্যার আশঙ্কা আছে : ড. আইনুন নিশাত

ভূঁইয়া আশিক : [২] এই পানিসম্পদ ও জলবায়ু পরিবর্তন বিশেষজ্ঞ বলেন, চর এলাকার মানুষ বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে, তাদের সহযোগিতা করা উচিত।

[৩] তিনি বলেন, আবহাওয়ার পূর্বাভাস পর্যালোচনা করে দেখা যাচ্ছে, আগামী আট-দশ দিন দেশে ভারী বৃষ্টিপাত হবে। এমনিতেই নদীগুলো পানিতে কানায় কানায় ভরা। বহু জায়গায় বৃষ্টির পানি উপচে বন্যা হচ্ছে।

[৪] অনেক সময় টানা ৫-৭ দিন বৃষ্টি হয়, থেমে গিয়ে আবারও হয়। এতে ওয়েবের মতো একেকটা ঢেউ বা চাপ আসে। কোনো কোনো নদীতে দুই-তিনবার করে এমনটি হয়েছে। আরও দশ-বারোদিন যদি টানা বৃষ্টিপাত হয় পরিস্থিতি খারাপের দিকে যাবে। বন্যার স্থায়িত্ব অনেক দীর্ঘ হবে।
[৫] দেশের যেখানে বাঁধ নেই কিংবা ভেঙে গেছে সেখানে বন্যা হবে। শেরপুর, জামালপুরে বন্যা নিয়ন্ত্রণকারী বাঁধ নেই।  বন্যায় চর এলাকার অনেকের বাড়িঘর ডুবে গেছে। কোভিডের কারণে তিন-চার মাস ধরে মানুষের রোজগার কমে গেছে। আয় নেই, যেটুকু সঞ্চয় ছিলো তাও খরচ করে ফেলেছে। তারা এখন চরম বিপদের মধ্যে আছে।

[৬] বাঁধ মেরামতের জন্য জুলাই-আগস্ট-সেপ্টেম্বরে টেন্ডার আহ্বান করা উচিত। আর ডিসেম্বর-জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি-মার্চ মাসে বাঁধগুলো মেরামত করবে। এই কাজে জনসাধারণকে সম্পৃক্ত করতে হবে।

[৭] বাঁধ নির্মাণে সরকার শতশত কোটি টাকা বরাদ্দ করে। অনুগ্রহ করে এই অর্থ বরাদ্দ বন্ধ করুন। কারণ টাকাটা দেওয়া হয় এপ্রিল-মে মাসে। মে-জুন মাসে বাঁধ নির্মাণ কিংবা মেরামত করা যায় না। ব্রিটিশ আমল থেকে যে প্রক্রিয়ায় বন্যা নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা করা হয়, সেটা বন্ধ করতে হবে।

সর্বাধিক পঠিত