প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] সুন্দরবনে বঙ্গোপসাগরে ইলিশ আহরণ শুরু হচ্ছে

শেখ সাইফুল ইসলাম: [২] সুন্দরবনে শেষ হলো বঙ্গোপসাগরে ইলিশ আহরণে ৬৫দিনের অবরোধ। আগামী বৃহস্পতিবার রাত ১২টার পর থেকেই শুরু হবে সমুদ্রযাত্রা। সাগরে রওনা হবে বাগেরহাটের শরণখোলাসহ উপকূলের হাজার হাজার জেলে। এ জন্য চলছে ব্যাপক তোড়জোর। উৎসবমূখর হয়ে উঠেছে দীর্ঘদিনের ঝিমিয়ে পড়া মৎস্যপল্লী।

[৩] এ দিকে, গত ২০মে থেকে ২৩ জুলাই পর্যন্ত ইলিশ সংরক্ষণ ও উৎপাদন বৃদ্ধিতে সরকার নিষেধাজ্ঞা জারি করলেও তা অমান্য করে উপকূলের বিভিন্ন এলাকা থেকে অসাধু জেলেরা সাগরে নেমেছে। অবরোধ চলাকালীন সরকারের সুবিধা ভোগ করেও তারা আইন অমান্য করে দেশের মৎস্য সম্পদের ক্ষতি করছে। এজন্য সরকারি আইন প্রয়োগে শিথিলতাকে দায়ি করেছেন মৎস্যজীবি সংগঠন ও শরণখোলার জেলে-মহাজনরা।

[৪] বুধবার শরণখোলার রাজৈর মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে গিয়ে দেখা যায়, ঘাটে ট্রলারগুলো নোঙর করে আছে সাগরে যাওয়ার অপেক্ষায়। ট্রলারে জাল, জ্বালানী তেল, সরদ সামগ্রী তুলছে জেলেরা। সবাই ব্যস্ত সময় পার করছে। মৎস্য আড়তগুলোতেও মহাজনরা হিসাব-নিকাশ কসছেন জেলেদের নিয়ে।

[৫] এ সময় মৎস্য আড়তদার মো. মুজিবর তালুকদার, মো. কবির হাওলাদার, মো. জামাল হাওলাদার জানান, অবরোধের দুই মাসে মহাজনরা অনেক লোকসানে পড়েছে। অবরোধ চলাকালীন জেলেদের খোরাকি হিসেবে অগ্রিম দেওয়া এবং জাল-ট্রলার মেরামত করতে গিয়ে তিন লাখ থেকে পাঁচ লাখ টাকা পর্যন্ত খরচ হয়েছে একেক জন মহাজনের। ট্রলার সচল থাকলে এই বাড়তি খরচটা হতো না। অথচ, সরকারের আইন অমান্য করে বিভিন্ন এলাকার জেলেরা সাগরে অবাধে ইলিশ আহরণ করে লাভবান হয়েছে বলে তারা অভিযোগ করেন।

[৬] মৎস্য কর্মকর্তা জানান, শরণখোলার জেলেরা সরকারের আই যথাযথভাবে পালন করেছে। অবরোধের এই দুই মাসে উপজেলার ছয় হাজার ৭৪৪জন সমুদ্রগামী জেলেকে ৪০কেজি করে চাল দেওয়া হয়েছে। সম্পাদনা: সাদেক আলী

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত