প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] রিজেন্ট হাসপাতালে লিম্পা হত্যা মামলার চার্জশিটে সাহেদের নাম নেই

সুজন কৈরী : [২] ২০১৭ সালে ১৪ ফেব্রুয়ারি রিজেন্ট হাসপাতালের মিরপুর শাখায় জান্নাতুল ফেরদৌস লিম্পা নামের একজন কিশোরীর মৃত্যু ঘটে।

[৩] লিম্পার বাবা বলেন, মেয়ের বেঁকে যাওয়া হাত ঠিক করতে পঙ্গুতে ভর্তি করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু সাইফুল নামের একজনের কথায় রিজেন্ট হাসপাতালে ভর্তি করি।

[৪] বিকেল ৪টার দিকে চিকিৎসকরা তাকে অপারেশন থিয়েটারে নেয়। দুই ঘণ্টা পর চিকিৎসকরা জানান, লিম্পার অবস্থা খারাপ। তাকে আইসিইউতে নিতে হবে। পরে সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে নেয়ার সময় পথে মারা যায় লিম্পা। সেখানে নেয়ার পর ডাক্তার বললেন যে, এই মেয়ে তো অনেক আগেই মারা গেছে।

[৫] পল্লবী মডেল থানার তৎকালীন ওসি দাদন ফকির সাংবাদিকদের জানান, ফারুক নামের যে ডাক্তার এনেস্থেসিয়া দিয়েছিলো সে আমাদের জানায় আসলে আমি ডাক্তার না। আমি এসএসসিও পাস করিনি। সাহেদ আমাকে এ্যাপয়েন্টমেন্ট লেটার দিয়েছে। আমি এনেস্থেসিয়া দিয়েছি। পরে মেয়েটি মারা যায়।

[৬] লিম্পার বাবা বাদী হয়ে চিকিৎসক ফারুক হোসেন, রিজেন্ট হাসপাতালের মিরপুর শাখার ব্যবস্থাপনা পরিচালক মেজবাহ, দালাল সাইফুল ও নাছির নামের চারজনকে আসামি করে পল্লবী থানায় হত্যা মামলা করেন। ঘটনার দিনই মূল আসামি ফারুককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। ফারুক বর্তমানে কারাগারে।

[৭] মামলার তদন্ত শেষে পিবিআই অভিযুক্ত চারজনকে আসামি করে ২০১৯ সালের জুলাই মাসে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। তবে সেখানে সাহেদের নাম নেই।

[৮] পিবিআইর তদন্তকারী কর্মকর্তা পরিদর্শক মো. কবির হোসেন বলেন, ভুয়া চিকিৎসক নিয়োগের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। সম্পাদনা: সালেহ্ বিপ্লব, ইকবাল খান

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত