প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] কোভিডের ভুয়া পরীক্ষা: রূপপুর মেডিকেয়ার ক্লিনিক বন্ধ ঘোষণা

ঈশ্বরদী প্রতিনিধি : [২] কোভিড-১৯ টেস্টের জন্য নমুনা সংগ্রহ ও ভুয়া রিপোর্ট দেয়ার অভিযোগ উঠে রূপপুর মেডিকেয়ার ক্লিনিকের বিরুদ্ধে। এতে পাবনা সিভিল সার্জন বিভাগ এ ক্লিনিক বন্ধের নির্দেশ দেন গেল কয়েকদিন আগে। নির্দেশের প্রতি বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে কার্যক্রম চালু রেখেছিল প্রতিষ্ঠানটি।

[৩] এ বিষয় নিয়ে সংবাদ মাধ্যমে খবর প্রকাশের পরপরই নড়েচড়ে বসে প্রশাসন। অবৈধ এই হাসপাতালটিতে প্রতারণার চিত্র উঠে আসে আবার। এরই আলোকে বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সকালে পাবনা সিভিল সার্জন বিভাগ ক্লিনিক সিলগালা করে দেন।

[৪] বৃহস্পতিবার ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ কর্মকর্তা ডাক্তার আসমা খান ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আরএমও ডা. শফিকুল ইসলাম শামিম জানান হাসপাতালটি সিলগাল করে দেয়।

[৫] হাসপাতালটিতে নভেল করোনাভাইরাসের (কভিড-১৯) নমুনা সংগ্রহ করে তা পরীক্ষা না করেই ইচ্ছামতো ‘নেগেটিভ’, ‘পজিটিভ’ ফল বসিয়ে দেওয়া হতো রোগীদের।

[৬] অভিযান শুরুর আগেই আসমা খান বলেন, ‘রূপপুর মেডিকেয়ার ক্লিনিক হাসপাতাল পরীক্ষা না করে করোনার রিপোর্ট দেওয়াসহ নানা অপরাধমূলক কাজ করে আসছিল। সেসবের প্রমাণও আমরা পেয়েছি। পাবনা সিভিল সার্জন বিভাগ সিদ্ধান্ত নিয়ে হাসপাতালটি সিলগালা করে দিয়েছি।

[৭] খোঁজ নিয়ে জানা যায়, নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে রূপপুর মেডিকেয়ার ক্লিনিকের মালিক আব্দুল ওহাব রানা এবং নাটোরের বড়াইগ্রামের সুজন আহমেদের যোগসাজশে গত কয়েক দিন যাবত করোনা পরীক্ষার জন্য নমুনা সংগ্রহ করা হয়। এ জন্য রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের পাশে একটি পরিত্যক্ত ইটভাটার মাঠে তাঁবু বসায় ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ। বিদ্যুৎ প্রকল্পের কয়েক শতাধিক শ্রমিক ও কর্মকর্তার নমুনা সংগ্রহ করা হয়। প্রতিটি রিপোর্টের জন্য ৫-৬ হাজার টাকা নিয়ে তা পাঠানো হতো ব্রাহ্মণবাড়িয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে।

[৮] জালিয়াতির অভিযোগে গত মঙ্গলবার (৭ জুলাই) রাতে আটক করা হয় রূপপুর মেডিকেয়ার ক্লিনিকের মালিক আব্দুল ওহাব রানাকে। সম্পাদনা : হ্যাপি

সর্বাধিক পঠিত