প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] দীর্ঘমেয়াদী বন্যার আশঙ্কা নেই: ড.আতিক রহমান

শাহীন খন্দকার : [২] এই জলবায়ু বিশেষজ্ঞ বলেন, নদীগুলোর গভীরতা কমে যাওয়ায় ঘনঘন বৃষ্টি হয়, ফলে কখনো ছোট ছোট বর্ষা, আবার হঠাৎ নদীতে পানি উপচে বন্যার সৃষ্টি হয়|

[৩] তিনি বলেন, বন্যাকবলিত অঞ্চলে মনিটরিংসহ টর্নেডো-সাইক্লোনের ন্যয় বন্যা পূর্ব-প্রস্তুতির ওপর জোর দিয়ে বলেন, বন্যা কবলিত বাড়ি-ঘর এবং লোকসংখ্যা গণণাসহ দুর্যোগও ত্রানমন্ত্রনালয়ের তত্বাবধানে জেলা প্রশাসক উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তাসহ উপজেলা চেয়ারম্যান, ইউনিয়ণ চেয়ারম্যানদের মাধ্যমে কমিটি করে বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী দ্রুত পৌছানো।

[৪] বন্যা, ঘুর্ণিঝড়, খরা, জলোচ্ছ্বাস, টর্নেডো, ভূমিকম্প, নদী ভাঙন, জলাবদ্ধতায় পানি বৃদ্ধিও পেয়ে থাকে। দুটি প্রলয়ঙ্করী বন্যার কথা উল্লেখ করে ড. আতিক রহমান বলেন, ১৯৮৮ ও ১৯৯৮ সালের বন্যা ছিলো বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে দীর্ঘস্থায়ী বন্যা। দেশের ৭০ শতাংশ এলাকা পানির নিচে তলিয়ে গিয়েছিল। বাংলাদেশে মৌসুমী বায়ুর প্রভাবে জুন থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রচুর বৃষ্টি হয়ে থাকে। পৃথিবীর ৮ থেকে ৯ ভাগ পানি উপরিভাগে বাংলাদেশের ভেতরে পড়ে, ৯২ ভাগ পানি চীন-ভারত, নেপাল ভূটান, চেরাপুঞ্জি-ভারতের মেঘালয় রাজ্যের পূর্ব খাসিয়া হয়ে ভারতের ৭টা প্রদেশ, আসাম, মেঘালয়, অরুনাচল, ত্রীপুরায় প্রচুর বৃষ্টি হয়। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ঘনঘন বৃষ্টি হয়।

[৫] এই বৃষ্টির পানি বাংলাদেশের দিকে নেমে ব্রহ্মপুত্র, পদ্মা, যমুনা মেঘনা হয়ে চাদঁপুর দিয়ে সমুদ্রে চলে যায়। ফলে সারাদেশে সড়ক যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়, নিরাপদ খাবার পানিসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পন্যের সংকট দেখা দেয়।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত