প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] বাগেরহাটে কোরবানির পশু নিয়ে দুশ্চিন্তায় খামারীরা

শেখ সাইফুল, বাগেরহাট প্রতিনিধি : [২] আসছে ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের পবিত্র ধর্মীয় উৎসব ঈদুল আযহা। কোভিড-১৯ এর পরিস্থিতিতে হাটে কোরবানির গরু বিক্রি নিয়ে এবার চরম দুশ্চিন্তায় রয়েছেন বাগেরহাটের গরু পালনকারীরা। লোকসান পুষিয়ে নিতে প্রনোদনার দাবি জানিয়েছেন তারা।

[৩] জেলার ৯টি উপজেলায় ছোট-বড় প্রায় সাড়ে ৫ হাজার ডেইরি খামারে গরু মোটা-তাজাকরণ প্রকল্প এবং দুধ উৎপাদন চালু আছে। আর আসন্ন কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে বাগেরহাটের খামারীরা গরু মোটাতাজাকরণের প্রক্রিয়া ইতোমধ্যেই শেষ করেছে। খামারীরা স্থানীয় বাজারের জন্য ৫০হাজার গরু ও ১৫ হাজার ছাগল প্রস্তুত রেখেছে বলে নিশ্চিত করেছে বাগেরহাট জেলা প্রাণি সম্পদ বিভাগ।

[৪]  বিক্রেতারা বলছেন, খামার থেকে গরু হাটে আনা অনেক কষ্টকর। কারণ, গরুগুলো সেখানে গরমের সময় ফ্যানের নিচে থাকে। হাটে আনার পর অস্থির হয় গরুগুলো কিন্তু গরুর দাম অনুযায়ী ক্রেতা না থাকায় বিক্রি হচ্ছে না। সে কারণে আবার গরুগুলো ফেরত নিতে হয়। ফলে লোকসানের পাল্লা বাড়ছেই। সেই সঙ্গে কষ্ট বাড়ছে গরুগুলোর।

[৫] খামারিরা বলছেন, ঈদকে টার্গেট করে ধারদেনা করে বড় করা গরুগুলোতে স্বপ্ন দেখতো খামারিরা কিন্তু করোনায় সেই স্বপ্ন ফিকে। গো-খাদ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় খরচ উঠবে না বলে উদ্বেগে খামারিরা। তাই কোরবানির হাট শুরু হতে মাসখানেক দেরি থাকলেও গরু পালনকারীরা এখনই তাঁদের গরু বিক্রির চেষ্টা করে যাচ্ছেন। করোনাকালে কোরবানির ঈদের অপেক্ষায় থাকলে লাভের বদলে লোকসান গুনতে হবে তাদের।

[৬] বাগেরহাট জেলা প্রাণি সম্পদক কর্মকর্তা ডা. মো. লুৎফর রহমান বলেন, করোনা কালীন সময়ে পশুর হাটে আগের মতো কেনাকাটা নেই। এমন পরিস্থিতি চলতে থাকলে খামারী ও গৃহস্থরা চরম লোকসানে পড়বেন। এদিক বিবেচনা করে আমরা সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে পশুর হাটে ক্রেতাদের আসার উপযোগী পরিবেশ সৃষ্টির চেষ্টা করছি। সম্পাদনা : হ্যাপি

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত