প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

কয়েক মিনিটেই ‘আইএমইআই’ নম্বর পরিবর্তন করে দিত হাবীব

ডেস্ক রিপোর্ট : চট্টগ্রামে অপরাধীদের ব্যবহৃত মোবাইলের ‘আইএমইআই’ নম্বর পরিবর্তনকারী ‘মাস্টারমাইন্ড’ আহসান হাবীব অবশেষে ধরা পড়েছে পুলিশের হাতে। প্রতিটি মোবাইলের স্বতন্ত্র আইএমইআই নম্বরে যাবতীয় তথ্য থাকলেও পুলিশের নজরদারি এড়াতে আহসান মাত্র কয়েক মিনিটে সেই নম্বর পরিবর্তন করে দিতো। এমনকি বিশেষ কৌশলে কয়েকশ মোবাইলে একই ডিজিটের আইএমইআই নম্বর দিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে বিভ্রান্তিতে ফেলেছে। সময় টিভি অনলাইন

ল্যাপটপের পাশাপাশি বিভিন্ন ডিভাইস ব্যবহার করে মোবাইলের ‘আইএমইআই’ নম্বর পরিবর্তনের কৌশল পুলিশ কর্মকর্তাদের দেখায় গ্রেফতার হওয়া ‘মাস্টারমাইন্ড’ আহসান হাবীব। বিভিন্ন সফটওয়্যারের মাধ্যমে মুহূর্তেই পরিবর্তন হয়ে যায় মোবাইলের যাবতীয় তথ্য। সম্প্রতি বেশ কয়েকটি মামলার তদন্ত করতে গিয়ে একই আইএমইআই নম্বরের একাধিক মোবাইল সেট দেখে চমকে ওঠেন পুলিশ কর্মকর্তারা। আবার সেই সেটগুলো ব্যবহার হচ্ছে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে। এই অবস্থায় প্রকৃত অপরাধী শনাক্তে বিভ্রান্তিতে পড়ে যায় পুলিশ প্রশাসন।

সিএমপি অতিরিক্ত উপ-কমিশনার শাহ মো. আবদুর রউফ বলেন, আমরা আইএমইআই নম্বর ট্র্যাকিং করে হারিয়ে যাওয় বা ছিনতাই হওয়া মোবাইলগুলো উদ্ধার করার চেষ্টা করি। কিন্তু প্রথমে মোবাইলটা ফ্লাশ করে আইএমইআই চেঞ্জ করে দেয়।

প্রতিটি মোবাইলেরই প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান স্বতন্ত্র ডিজিটের ইন্টারন্যাশনাল মোবাইল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টি (আইএমইআই) নম্বর দিয়ে দেয়। যেখানে থাকে মোবাইলটির যাবতীয় তথ্য। আর এর মাধ্যমে সহজেই শনাক্ত করা যায় মোবাইল ব্যবহারকারীকে। কিন্তু আইএমইআই নম্বর পরিবর্তন হয়ে গেলে সেই মোবাইল ব্যবহারকারীকে আর নজরদারির আওতায় আনা যায় না।

শেষ পর্যন্ত আইএমইআই নম্বর পরিবর্তনকারী অপরাধী প্রযুক্তিবিদের সন্ধানে নামে পুলিশ। অবশেষে তার সন্ধান মেলে নগরীর রিয়াজউদ্দিন বাজারে। উদ্ধার করা হয় বেশক’টি মোবাইলসহ নানা ডিভাইস।

সিএমপি কোতোয়ালি থানা অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ মহসিন বলেন, তার বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করা হয়েছে। এই মোবাইলগুলো তারা আর্থিক লেনদেনে ব্যবহার করে।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আহসান হাবীব স্বীকার করে গত দু’বছরের বেশি সময় ধরে প্রযুক্তি ব্যবহার করে মোবাইলের আইএমইআই নম্বর পরিবর্তন করে আসছিলো সে। শত শত চোরাই মোবাইলের আইএমইআই পরিবর্তন করে দিয়েছে আহসান।

অভিযুক্ত আহসান হাবিব বলেন, আমি মনে করেছি, এটা চেঞ্জ করার ব্যাপারটা পুলিশ ধরতে পারবে না। পরে দেখি পুলিশের কাছে অনেক অ্যাডভান্স টেকনোলজির প্রযুক্তি রয়েছে।

এই ঘটনায় কোতোয়ালী থানায় আহসান হাবীবের বিরুদ্ধে তথ্য প্রযুক্তি আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত