প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

১] ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কোরবানীর জন্য প্রস্তুত সুলতান ও টাইগার

তৌহিদুর রহমান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া : [২] কয়েকদিন পরেই পবিত্র ঈদুল আজহা । ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বিভিন্ন স্থানে জমতে শুরু করেছে পশুর হাট। এবার কোরবানীর ঈদ বাজারে আসছে সুলতান ও টাইগার।

[৩] দীর্ঘ দুই বছর আট মাস পর “সুলতান” বাজারে আসবে বলে জানিয়েছেন মোজাম্মেল হক রতন। অপরদিকে ছয় ফুট উচ্চতার ষাড়টিকে আদর করে নাম রাখা হয়েছে টাইগার । বয়স প্রায় সাড়ে তিন বছর ২৫ মণ ওজনের টাইগারকে প্রতিদিন শ্যাম্পু দিয়ে গোসল করানো হয়। প্রতিদিনই বিভিন্ন স্থান থেকে মানুষজন এসে ভিড় করছেন টাইগারকে এক নজর দেখার জন্য । কিন্তু টাইগার ও সুলতানকে নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন তাদের মালিক।

[৪] মোঃ মোজাম্মেল হক পেশায় একজন ব্যবসায়ী। ব্যবসার পাশাপাশি শখ করে তিনি দেশীয় ক্রস জাতের তিনটি ষাঁড় ও শাহী আওয়াল জাতের আরো তিনটি ষাঁড় নিয়ে ছোট একটি গরুর খামার করেন। এর মধ্যে সুলতানের এর বয়স দুই বছর আট মাস। বাকীগুলোর কোনটির ১২ মাস ও কোনটি ১৭মাস।

[৫] মোজাম্মেল হক রতন বলেন, দেশীয় ক্রস জাতে জন্ম নেওয়ার পর থেকেই তাকে ক্ষতিকর খাবার ও ইনজেকশন ছাড়াই দেশীয় খাবারের মাধ্যেমে গরুগুলো পালন করছেন। তিনি জানান, গুরু থাকার ঘর গুলো নিয়িমিত প্রতিদিন তিনবার পরিস্কার করা হয়। ৬টি গরুর জন্য তিনটি ঘর করা হয়েছে। প্রতিটি ঘরে দুটি করে গরু রাখা হয়। খৈল,ভূসি খর রাব ও ঘাস খাওয়ানো হয় গরুগুলোকে।

[৬] তিনি বলেন, গরুটি ১ হাজার ১’শ কেজি হবে। এই হিসাবে ওজন সাড়ে ২৭মণ হবে। তিনি ৮ লক্ষ টাকা এটির দাম চান। তবে এলাকায় বেশ কয়েকটি দাম উঠলেও সঠিক মূল্য পেলে তিনি বিক্রি করবেন। করোনার কারণে সঠিক মূল্য পাবে কিনা এ নিয়ে শঙ্কায় রয়েছে টাইগারের মালিকের।

[৭] আখাউড়া উপজেলার মোগড়া ইউনিয়নের কুসুমবাড়ি এলাকায় ধাতুরপহেলা গ্রামের মিন্টুর খামারে ৪৬টি গরু রয়েছে। এর মধ্যে ৩৭টি গাভী ও ৯টি ষাঁড়।

[৮] প্রতিদিন সকাল ৮টায় টাইগারকে গোসল করানো হয়। গোসলের ১০ মিনিট পর খাবার দেয়া হয়। এরপর আবার দুপুর ২টার দিকে গোসল করিয়ে খাবার দেয়া হয়। সর্বশেষ রাত ৮টার দিকে আবারও গোসল করোনার পর খাবার দেয়া হয়। প্রতিদিন টাইগারকে বিভিন্ন ধরনের প্রায় ৫০ কেজি খাবার খাওয়ানো হয়।

[৯] আখাউড়া উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. কামাল বাশার বলেন, স্বাভাবিক খাবারেই টাইটগার বেড়ে উঠেছে। আমরা নিয়মিত উক্ত খামারিকে পরামর্শ দিয়েছি। পাশাপাশি পরিচর্যাকারীকে প্রশিক্ষণও দিয়েছি। সম্পাদনা : হ্যাপি

সর্বাধিক পঠিত