প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

আব্দুন নূর তুষার: সিভিল এভিয়েশন কীভাবে ফ্লাইটে কোভিড-১৯ যাত্রী পরিবহন বন্ধ করা এবং ভুয়া রিপোর্টকে নিরুৎসাহিত করতে পারে?

আব্দুন নূর তুষার: সিভিল এভিয়েশন কীভাবে ফ্লাইটে কোভিড-১৯ যাত্রী পরিবহন বন্ধ করা ও ভুয়া রিপোর্টকে নিরুৎসাহিত করতে পারে। [১] যাত্রী ১২ ঘণ্টা আগে এয়ারলাইন্স নির্ধারিত হোটেলে উঠবে। উঠেই সে স্যাম্পল দেবে। [২] টিকেটের সাথেই তার কোভিড-১৯ টেস্টের জন্য ১০০০ টাকা ৫০০ সরকারি ফি+৫০০ অ্যাডমিন কস্ট সে দেবে। [৩] এয়ারলাইন নির্ধারিত হোটেলে সে নিজ খরচে থাকবে বা এয়ারলাইনের সাথে হোটেলের চুক্তি অনুযায়ী সে হ্রাসকৃত মূল্য দেবে। এতে হোটেলগুলোও বাঁচবে। [৪] কোভিড-১৯ পরীক্ষার রিপোর্ট আসবে ৪ থেকে ৬ ঘণ্টার মধ্যে। [৫] পরীক্ষা কোন ল্যাবে যাবে সেটা র‌্যান্ডম সিলেকশন হবে। ল্যাব জানবে না কার স্যাম্পল। কেবল কোড নাম্বার থাকবে। [৬] রিপোর্ট আসার পরে এয়ারলাইনস জানবে যে কারও কোভিড পজেটিভ বা নেগেটিভ। [৭] এরপর সে ফ্লাই করবে। [৮] ৯ ঘণ্টার মধ্যে সে বিমানবন্দরে চলে যাবে। পরের তিনঘণ্টা হোটেল ডিসইনফেক্ট করা হবে, যদি পজেটিভ রোগী ধরা পড়ে। এর ফলে দেশের কোনো যাত্রীর কোভিড পজেটিভ নেগেটিভ দেখার দায় সরকার বা সিভিল এভিয়েশনের থাকলো না। এয়ারলাইন্স যাত্রী পরিবহনের স্বার্থে পুরো বিষয়টি নিজ দায়িত্বে করবে। নকল রিপোর্ট দেয়া নেয়ার সাথে যাত্রীর কোনো সম্পর্ক থাকবে না। কারণ সে জানে না স্যাম্পল কোথায় যাচ্ছে আর এয়ারলাইন নকল রিপোর্ট দিয়ে যাত্রী নিলে তাকে ফেরত আনার দায় ও খরচ তার উপরে থাকবে বলে সেও এরকম কোনো অসদুপায় অবলম্বন করবে না।

কোভিড-সহ যাত্রী বহন করলে তার দায় তারা নেবে। অর্থাৎ তাকে ফিরিয়ে আনা বা তার জন্য কোয়ারেন্টাইন ব্যবস্থা করার দায় হবে এয়ারলাইনের। জরিমানাও করা হবে। ল্যাবগুলো ভুল রিপোর্ট যাতে না দেয় সে জন্য সতর্ক থাকবে। ৩০ শতাংশ ফলস নেগেটিভের সমস্যা এড়াতে এই টেস্টগুলো দুটি আলাদা স্যাম্পল দু জায়গায় পাঠিয়ে করা যেতে পারে। সেক্ষেত্রে পরীক্ষার খরচ আরেকটু বাড়বে। এর জন্য ডেডিকেটেড কয়েকটি পিসিআর ল্যাব দিয়ে দিতে হবে। বাংলাদেশ এর ফ্লাইটগুলোর প্রতি আস্থা ফেরানোর জন্য এটা হতে পারে একটি কার্যকর উপায়। অর্থনীতি চালু করতে হলে আমাদের ইনোভেটিভ হতে হবে, নিজেদের মতো করে উপায় বের করতে হবে। এসব পরামর্শ দেয়ার কথা যাদের সেই স্বাস্থ্য দপ্তরের লোকজন আজকে তাদের প্রতি সহানুভূতি দেখাতে বলেছে। তারা বলেছে, সাহেদকে তারা চিনতই না আর ইভেন্ট ম্যানেজারকে স্যাম্পল নিতে দিয়েছিল। এসবের বিষয়ে তারা সহানুভূতি আশা করেছে। তাদের জন্য পূর্ণ সহানুভূতি থাকলো। তারা চোর ছ্যাচড় প্রতারক বাটপাড় কীভাবে চিনবে সে বিষয়ে অন্য লেখায় পরামর্শ দেবার বাসনা পোষণ করি। ফেসবুক থেকে

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত