প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] গরুতে ভরপুর মাঠ নেই ক্রেতা

সোহেল হোসাইন: [২] ছোট-বড় এবং মাঝারি আকারের গরুতে ভরপুর পুরো মাঠ। হাটে পর্যাপ্ত গরু থাকলেও নেই গাহেক(ক্রেতা) বলে জানান খামারি আলিম। তবে সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে গরু নিয়ে মাঠে আসছে খামারি ও ব্যবসায়ীরা।

[৩] রোববার দুপুরে মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলার হরগজ গরুর হাটে আলাপকালে আলিম বলেন, সকাল ১০ টায় গরু নিয়ে হাটে আসেন তিনি। দুপুর ১২ টা পর্যন্ত তার ষাঁড় গরুটির দরদামে আসেনি কোন ক্রেতা। এসময় আক্ষেপ করে তিনি বলেন, মাঠ ভরা গরু থাকলেও গাহেক(ক্রেতা) নেই।

[৪] কোরবানী ঈদকে সামনে রেখে দুইটি ষাঁড় লালন পালন করেছেন কৃষক আমজাদ। ষাঁড় গরু দুইটি বিক্রির জন্য হরগজ হাটে এসেছেন। ধামরাইয়ের কুশুড়া থেকে গরু দু’টি পিকআপে হাটে আনতে তার খরচ হয়েছে দুই হাজার টাকা। তবে দুপুর দেড়টা পর্যন্ত গরু দু’টির কাছেও আসেনি কোন ক্রেতা। ফের গাড়ি ভাড়া করে বাড়ি যাওয়া ছাড়া কোন উপায় নেই বলে জানান তিনি।

[৫] গরু ব্যবসায়ী বিল্লাল মিয়া বলেন, করোনার কারণে বেশ কিছুদিন বন্ধ ছিলো হরগজ গরুর হাট। ফলে অনেক ক্রেতাই হরগজ হাটে গরু বিকিকিনি শুরু হলেও
বিষয়টি জানেনা। যে কারণে ক্রেতার আগমন কম বলে জানান তিনি।

[৬] ঢাকা থেকে গরু কিনতে সাটুরিয়ার হরগজ হাটে আসেন ব্যবসায়ী আমজাদ আহমেদ। তিনি বলেন, বড় গরুর তুলনায় মাঝারি গরুর দাম বেশি। দামে মিল না হওয়ায় কোনো গরুই কেনা হয়নি তার। তাছাড়া ঢাকায় গরু নিয়ে রাখাও এখন ঝামেলা। তবে কম দামে পছন্দের মাঝারি গরু পেলে কিনে নিয়ে যাবেন বলে জানান তিনি।

[৭] গরুর হাটের স্বাস্থ্যবিধির বিষয়ে জানতে চাইলে হরগজ গরু হাটের সভাপতি স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন খান জ্যোতি বলেন, ক্রেতা-বিক্রেতাদের সচেতন করার জন্য মাস্ক মাইকিং ও স্প্রে করা হচ্ছে। তবে হাটে আসা ক্রেতা এবং বিক্রেতাদের অনেকেই এ বিষয়ে বেশ উদাসিন বলে
জানান তিনি।

[৮] সাটুরিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার আশরাফুল আলাম আমাদের সময়.কম’কে জানান, স্বাস্থ্যবিধি মেনেই কোরবানির জন্য হরগজের গরু হাটটি চালু রাখা হয়েছে।খামারিরা যাতে গরু বিক্রি করতে পারে সে জন্য সব ধরনে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। এছাড়া হরগজের হাটে সার্বক্ষণিক স্বাস্থ্যবিধি বিষয়ে নজরদারির জন্য
মেডিকেল টিমও গঠন করা হয়েছে বলে জানান তিনি। সম্পাদনা: জেরিন

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত