প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

কালা চাঁন ও নবাব নামের ষাঁড় বিক্রি নিয়ে শঙ্কিত খামারি

সোহেল হোসাইন : [২] কোভিড-১৯ এর প্রাদুর্ভাবে সারাবিশ্বের মতো বাংলাদেশের অবস্থাও নাজেহাল। এই ভাইরাসের কারণে থমকে গেছে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা ও আয় উপার্জন। ফলে কোরবানির ঈদে কালা চাঁন ও নবাব নামের দুটি ষাঁড় গরু বিক্রি নিয়ে শঙ্কিত খামারি সামাদ মিয়া।

[৩] সাড়ে তিন বছর বয়সের ষাঁড়টি গাঁয়ের রং কালো হওয়ায় নাম কালা চাঁন আর চার বছরের অন্য ষাঁড়টির গাঁয়ের রং সাদা থাকায় নাম রেখেছেন নবাব। সামনে কোরবানির ঈদের জন্য বড় আকারের এই দু’টি ষাঁড় গরু প্রস্তুত করেছেন তিনি। তবে বয়সে ছোট হলেও আকার এবং ওজনে বড় হয়েছে কালা চাঁন নামের ষাঁড়টি।

[৪] মিষ্টি লাউ, কলা, মালটাসহ দামি খাবারে অভ্যস্ত কালা চাঁন ও নাবাব। তবে করোনার শুরু থেকে বন্ধ রয়েছে তাদের দামি খাবার। প্রায় দু,বছর ধরে স্বাভাবিক খাবারের পাশাপাশি এসব দামি খাবার খাওয়ানো হয় তাদের। কিন্তু বর্তমানে তাদের খাবারের তালিকায় রয়েছে কুড়া, ভূষি, ভূট্টা, ছুলা, ঘাস ও খড়।

[৫] ষাঁড় কালাচাঁন ও নবাবের বিষয়ে জানতে চাইলে ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলার শোল্লা ইউনিয়নের আটকাহনিয়া গ্রামের গো-খামারি সামাদ মিয়া আমাদের সময় ডটকম’কে বলেন, ন্যায্য দাম না পাওয়ায় গত কোরবানির ঈদে ষাঁড় দু’টি বিক্রি করা হয়নি। তবে বিক্রির জন্য চেষ্টা করা হয়েছিলো। এবার আবার করোনা সংক্রমণ চলছে যে কারণ ষাঁড় দু’টির ন্যায্য বাজারদর পাবো কিনা তা নিয়েও চিন্তা রয়েছি।

তিনি আরোও বলেন, ষাঁড় দু’টি পেছনে এ পর্যন্ত প্রায় ১০ লাখ টাকা খরচ হয়েছে। লালন-পালনে প্রচুর খরচ তাই কমিয়ে দেয়া হয়েছে তাদের দামি খাবার। আসন্ন ঈদে ন্যায্য দামে তাদেরকে বিক্রি করতে না পারলে বেশ বিপাকে পড়তে
হবে বলেও জানান এই খামারি।

বিদেশ যাওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দেওয়ায় চাচার সাথে গরু পালন শুরু করেন স্বপন মিয়া। তিনি বলেন, গরু পালনে প্রচুর অর্থ আর যত্নের প্রয়োজন আর তাই কালা চাঁন ও নবারের নিয়মিত দেখাশুনায় ব্যস্ত থাকেন তিনি। গরু পালন লাভ
জনক হলে বিদেশ না গিয়ে নিয়মিত গরু পালন করবেন বলে মন্তব্য করেন তিনি।

কালো ষাড়টির ওজন হবে আনুমানিক ৩৫ থেকে ৩৭ মণ আর সাদাটির ওজন ৩০ থেকে ৩২ মণ। ষাঁড় দু’টি সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক খাবার খেয়ে বড় হয়েছে বলে জানান স্থানীয় কৃত্তিম প্রজনন টেকনেশিয়ান আব্দুল কাদের। সম্পাদনা : হ্যাপি

 

সর্বাধিক পঠিত