প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] সাহেদের পাসপোর্ট জব্দ, আরও মামলার সন্ধান

সুজন কৈরী : [২] কোভিডের জাল রিপোর্ট তৈরির অভিযোগে বন্ধ হওয়া রিজেন্ট গ্রুপ ও হাসপাতলের চেয়ারম্যান এবং মামলার পলাতক আসামি সাহেদের পাসপোর্ট জব্দ করেছেন তদন্তকারী কর্মকর্তা।

[৩] অভিযানকালে গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রিমান্ডে থাকা আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে শনিবার রিজেন্ট কার্যালয় ও হাসপাতালে অভিযান চালান তদন্তকারী দল। এ সময় গুরুত্বপূর্ণ আলামতসহ পাসপোর্ট জব্দ করে তারা।

[৪] তদন্তকারী দলের একজন কর্মকর্তা বলেন, সাহেদ দেশত্যাগ করতে পারেন, এমন শঙ্কা ছিল। সাহেদের পাসপোর্ট জব্দ করা হয়েছে। এখন অন্তত সাহেদ কোনো এয়ারপোর্ট বা বন্দর হয়ে দেশত্যাগ করতে পারবেন না। এছাড়া অভিযানকালে আমরা রিজেন্ট কার্যালয়ের রান্নাঘর থেকে কম্পিউটারের তিনটি হার্ডডিস্ক জব্দ করেছি। এর মধ্যে সাহেদের ল্যাপটপের হার্ডডিস্কও রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, ধরা পড়ার শঙ্কায় এবং গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ও নথি গায়েব করার উদ্দেশ্যে হার্ডডিস্কগুলো তাৎক্ষণিকভাবে সরিয়ে ফেলা হয়েছিল। আমরা হার্ডডিস্ক বিশ্লেষণ করব, ফাইল ডিলিট করা হলে সেগুলো উদ্ধার করে খতিয়ে দেখা হবে।

[৫] তদন্তকারী ওই দলের সঙ্গে সেখানে উপস্থিত ছিলেন র‌্যাব সদর দপ্তরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আলম। তিনি সিলগালা করা কার্যালয় খুলে দেন।

[৬] অভিযান শেষে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, আগে আমরা সাহেদের নামে ৩২ মামলার বিষয়ে জানতাম। অভিযানের পর তার বিরুদ্ধে আরেকটি মামলা দায়ের করা হয়। তবে এরপর নানা দিক থেকে তথ্য ও অভিযোগ আসতে থাকে। ভুক্তভোগীরা র‌্যাব ও থানা পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন। সর্বশেষ আমরা আরও ২৩টি মামলার হদিস পেয়েছি। সবমিলিয়ে সাহেদের বিরুদ্ধে ৫৬টি মামলা রয়েছে। এর অধিকাংশ মামলাই প্রতারণা ও ব্যবসায়িক জালিয়াতি সংক্রান্ত।

[৭] র‌্যাবের লিগ্যাল এন্ড মিডিয়া শাখার পরিচালক লে. কর্ণেল আশিক বিল্লাহ বলেন, সাহেদের হাসপাতাল ও প্রধান কার্যালয়ে তল্লাশি চালিয়ে সাহেদের পাসপোর্ট জব্দ করেছেন উত্তরা পশ্চিম থানায় দায়ের হওয়া মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। পলাতক সাহেদকে গ্রেপ্তারে ধারাবাহিক অভিযান চলছে। সীমান্ত এলাকাগুলো বাড়ানো হয়েছে নজরদারিও। ইতোমধ্যে সম্ভাব্য সকল স্থানে অভিযান চালানো হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। তবে শিগগিরই তাকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত