শিরোনাম
◈ আইসিসির প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক শেষে যা জানাল বিসিবি ◈ নিয়মভিত্তিক বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সহযোগিতার পক্ষে বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা ◈ ‘ব্লাডি সিটিজেন’ বিতর্কে ইসির নিষ্ক্রিয়তা নিয়ে ক্ষোভ হাসনাত আব্দুল্লাহর (ভিডিও) ◈ গুম-খুনের শিকার পরিবারের সদস্যদের আর্তনাদ শুনে কাঁদলেন তারেক রহমান (ভিডিও) ◈ আইনশৃঙ্খলা জোরদার: ৩৩০ সন্ত্রাসীর চট্টগ্রামে প্রবেশ ও অবস্থান নিষিদ্ধ, গণবিজ্ঞপ্তি জারি ◈ ঢাকা ক‌্যা‌পিটাল‌সের বিদায়, ‌বি‌পিএ‌লের প্লে-অফে রংপুর রাইডার্স  ◈ ইসরায়েলি সমর্থকদের মা‌ঠে ঢুক‌তে না দেয়ায় চাকরি হারালেন ব্রিটিশ পুলিশ কর্মকর্তা ◈ আইসিসি প্রতিনিধি দলের ভারতীয় কর্মকর্তা বাংলাদেশের ভিসা পাননি ◈ তামিম ইকবাল, বিসিবি ও কোয়াব ত্রিমুখী সংকটের নেপথ্যে রাজনীতি  ◈ চট্টগ্রামে জুলাইযোদ্ধা হাসনাত আবদুল্লাহর ওপর সশস্ত্র হামলা

প্রকাশিত : ১০ জুলাই, ২০২০, ০১:৫২ রাত
আপডেট : ১০ জুলাই, ২০২০, ০১:৫২ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] করোনায় মৃত্যু, বলা হলো এই মৃত্যু নাকি পাপের ফসল, খাটিয়া জোটেনি, বাঁশও কাটতে দেয়নি গ্রামবাসী

জেরিন আহমেদ : [২] ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার মধ্যপাড়া গ্রামে এ অমানবিক ঘটনা ঘটে।

[৩] স্থানীয় সূত্র জানায়, উপজেলার মধ্যপাড়া গ্রামের বাসিন্দা রফি উদ্দিনের ছেলে গোলাম সরোয়ার মোর্শেদ (৫২) দুই সন্তানের জনক। বাংলাদেশ রেলওয়ের চট্টগ্রাম অঞ্চলের ইঞ্জিনিয়ার ছিলেন তিনি। দুই বছর আগে প্যারালাইজড হন মোর্শেদ। কয়েক মাস আগে সুস্থ হন। এরই মধ্যে করোনাভাইরাসের উপসর্গ দেখা দিলে ২৯ জুন শৈলকুপায় আসেন তিনি। পরে পরীক্ষার জন্য নমুনা দেন। রিপোর্ট পজিটিভ আসায় ১ জুলাই ভর্তি হন কুষ্টিয়া সরকারি হাসপাতালে। পরে অবস্থার অবনতি হলে পরদিন ভর্তি হন রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে।

[৪] শনিবার (০৪ জুলাই) দুপুরে ওই হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়। ওই দিন রাতে তার মরদেহ অ্যাম্বুলেন্সযোগে শৈলকুপার বাড়িতে আনা হয়। মরদেহ বাড়িতে এনে দাফন কাফনে ভোগান্তিতে পড়েন স্বজনরা। গ্রামবাসীর বাধায় মেলেনি খাটিয়া। এমনকি দাফনের জন্য বাঁশ-খুঁটি কাটতেও বাধা দেয় স্থানীয়রা। গ্রামবাসীর ভাষ্য, এটি মৃতের পাপের ফল।

[৫] এ অবস্থায় গভীর রাতে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ফিল্ড সুপারভাইজার আব্দুর রাজ্জাকের তত্ত্বাবধানে কমিটির সদস্যদের মাধ্যমে অ্যাম্বুলেন্সে মৃতের জানাজা পড়ানো হয়। পরে দাফন-কাফন সম্পন্ন করা হয়।

[৬] মৃতের মেয়ে সুমাইয়া বলেন, ‘গ্রামবাসী বলল- এটি আব্বুর পাপের ফসল। আব্বু নাকি কোনো একটা পাপ করেছেন। যার জন্য করোনায় মরে পাপের শাস্তি পেয়েছেন। এজন্য জানাজা আর দাফন-কাফনে অংশ নেয়নি গ্রামবাসী। এমনকি কবরের জন্য বাঁশ-খুঁটিও কাটতে দেয়নি তারা।’

[৭] সরোয়ার মোর্শেদের স্ত্রী ফারজানা খাতুন বলেন, করোনাভাইরাস তো বৈশ্বিক মহামারি। মৃতদের জানাজায় খাটিয়া দেবে না, কেউ আসবে না, কবর খুঁড়তে দেবে না, এ কোন কুসংস্কার আর ভীতিকর সমাজে বসবাস করছি আমরা। প্রতিবেশীর এমন ব্যবহারে মন ভেঙে গেছে আমাদের। সূত্র: জাগো নিউজ , বিডি নিউজ

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়