প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] ইসির সিদ্ধান্ত নারীর রাজনৈতিক ক্ষমতায়নের পরিপন্থী: এডভোকেসি ফোরাম

সমীরণ রায় : [২] মঙ্গলবার জাতীয় কন্যাশিশু এডভোকেসি ফোরাম অনলাইনে এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের সভাপতি ড. বদিউল আলম মজুমদার বলেন, নির্বাচন কমিশন কার স্বার্থে এই আইনটা করছে। ইসির জনস্বার্থে কাজ করার কথা। জনগণ ও রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকেও এমন কোনো দাবি ওঠেনি। তাহলে সপ্রণোদিত হয়ে কমিশন এই আইন কেন করছে? এই আইন সংবিধানের লঙ্ঘন। কমিশনকে এই অপচেষ্টা থেকে সরে আসার জন্য অনুরোধ করছি।

[৩] ফোরামের সম্পাদক নাছিমা আক্তার জলি বলেন, ৩৩ শতাংশ নারী সদস্য পদ পূরণের সিদ্ধান্ত দলের ওপর ছেড়ে দিয়ে দল নিবন্ধনে নতুন আইন প্রণয়ন করতে ইসির সিদ্ধান্তটি কোনোভাইে গ্রহনযোগ্য নয়। রাজনৈতিক দলগুলোকে সব পর্যায়ের কমিটিতে ৩৩ শতাংশ নারী পদ পূরণে বাধ্য করতে হবে। ২০২০ সালের মধ্যে লক্ষ্য অর্জনের বাধ্যবাধকতা ২০০৮ সালে নির্ধারিত হলেও, প্রায় এক যুগেও রাজনৈতিক দলগুলো এক্ষেত্রে গুরুত্ব দেয়নি। আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটিতে ২৩ দশমিক ৪৫ শতাংশ, বিএনপিতে ১৫ শতাংশ ও জাতীয় পার্টিতে ২০ শতাংশ নারী রয়েছেন। শুধু ‘গণফ্রন্ট’ ছাড়া অন্য কোনো রাজনৈতিক দলই শতকরা ৩৩ ভাগ লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের কাছাকাছি যেতে পারেনি।

[৪] নির্বাহী সদস্য ওয়াহিদা বানু বলেন, যেখানে নারীদের অংশগ্রহণ পুরুষের অর্ধেক থাকা উচিত সেখানে যদি ৩৩ শতাংশও না থাকে, তাহলে এতদিনের অর্জন ভূলুণ্ঠিত হয়ে যাবে।

[৫] বিকশিত নারী নেটওয়ার্কের সভাপতি এডভোকেট রাশিদা আক্তার শেলী বলেন, এমনিতেই নারীদের মূল্যায়ন কম হয়, সেখানে ৩৩ শতাংশও তুলে দিলে নারীর মূল্যায়ন আরও কমে যাবে। এটা আমাদের জন্য আত্মঘাতী।

[৬] এতে বক্তব্য রাখেন প্ল্যান ইন্টারন্যাশনালের প্রতিনিধি কাশফিয়া ফিরোজ, গুড নেইবারস’র নির্বাহী পরিচালক এমএম মাইনুল, ওয়াইডব্লিউসিএর প্রতিনিধি বিনা অধিকারীসহ অনেকে। সম্পাদনা : রায়হান রাজীব

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত