প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] কোভিড পরীক্ষার নামে প্রতারণার অভিযোগে রিজেন্ট হাসপাতালের বিরুদ্ধে

সুজন কৈরী : [২] কোভিড-১৯ রোগীদের চিকিৎসায় বিভিন্ন ধরনের অনিয়ম ও প্রতারণার অভিযোগে রিজেন্ট হাসপাতালের উত্তরা শাখায় র‌্যাবের অভিযান চলছে।

[৩] সোমবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে র‌্যাব সদর দফতরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আলমের নেতৃত্বে উত্তরার ১১ নম্বর সেক্টরের ১৭ নম্বর রোডে অবস্থিত হাসপাতালটিতে অভিযান শুরু হয়।

[৪] তিনি বলেন, কোভিড-১৯ পরীক্ষা ও চিকিৎসা সংক্রান্ত বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে এই হাসপাতালটির বিরুদ্ধে। এসব অভিযোগের সূত্র ধরেই আমরা অভিযান শুরু করেছি। অভিযান শেষ হলে বিস্তারিত জানানো হবে।

[৫] কোভিড রোগীর নমুনা পরীক্ষা ছাড়াও রিজেন্ট হাসপাতালের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম-প্রতারণার অভিযোগ রয়েছে। জানা গেছে, হাসপাতাল পরিচালনার লাইসেন্সের মেয়াদ অনেক আগেই শেষ হয়েছে তাদের। তারপরও স্বাস্থ্য অধিদফতরের সঙ্গে সমঝোতার ভিত্তিতে করোনা চিকিৎসা দিতে শুরু করে তারা। তবে সরকারি ব্যবস্থাপনায় চিকিৎসা চললেও তাদের বিরুদ্ধে রোগীদের কাছ থেকে বিপুল অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ রয়েছে।

[৬] জানা গেছে, হাসপাতালের একটি শাখার লাইসেন্সের মেয়াদ শেষ হয়েছে ছয় বছর আগে, আরেকটি শাখার তিন বছর আগে। তা সত্ত্বেও স্বাস্থ্য অধিদফতরের সঙ্গে সমঝোতা চুক্তির মাধ্যমে কোভিড-১৯ রোগীদের চিকিৎসা দেয়ার অনুমতি পেয়েছিল রিজেন্ট হাসপাতাল। অধিদফতরের পক্ষ থেকে লাইসেন্স নবায়নের তাগিদ দেয়া হলেও তারা নবায়ন করেনি।

[৭] স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ৫০ শয্যার রিজেন্ট হাসপাতালের উত্তরা শাখার (ঠিকানা- বাড়ি#৩৮, রোড#১৭, সেক্টর#১১, উত্তরা, ঢাকা) লাইসেন্স দেয়া হয় ২০১৩ সালের ৮ ডিসেম্বর। এই হাসপাতালের লাইসেন্সের মেয়াদ শেষ হয় ২০১৪ সালের ৩০ জুন। রক্ত সঞ্চালনা কার্যক্রম ছাড়া এই শাখায় প্যাথলজিক্যাল ল্যাবের লাইসেন্স (নং-৭৮৭৬) দেয়া হয় ২০১৩ সালের ৮ ডিসেম্বর। এই লাইসেন্সের মেয়াদও শেষ হয় ২০১৪ সালের ৩০ জুন। অর্থাৎ ছয় বছর আগেই রিজেন্ট হাসপাতাল উত্তরা শাখার সব লাইসেন্সের মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে। একইভাবে ২০১৭ সালের ২৩ মার্চ রিজেন্ট হাসপাতালের ৫০ শয্যাবিশিষ্ট মিরপুর শাখার (১৪/১১, মিতি প্লাজা, মিরপুর-১২, ঢাকা) লাইসেন্স দেয়া হয়, যার মেয়াদ শেষ হয় ২০১৭ সালের ৩০ জুন।

[৮] স্বাস্থ্য অধিদফতরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক) ডা. আমিনুল হাসান সাংবাদিকদের বলেন, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে কাগজপত্র আপডেটের জন্য একাধিকবার জানানো হলেও এখনো তারা আপডেট করেন নি।

সর্বাধিক পঠিত