প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা-গ্রেপ্তারের ঘটনায় উদ্বেগ আর্টিকেল নাইনটিনের

সমীরণ রায় : [২] শুক্রবার আর্টিকেল নাইনটিনের এক বিবৃতিতে আরও বলা হয়, বিতর্কিত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে স্কুলছাত্র থেকে শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, লেখক, সাংবাদিক ও কার্টুনিস্টের গ্রেপ্তার চলমান কোভিড-১৯ মহামারি মোকাবিলায় সরকারের সক্ষমতা, দক্ষতা ও ব্যবস্থাপনার সংকটকে আরও প্রকট করে তুলেছে। একইসঙ্গে গ্রেপ্তারকৃতদের অবিলম্বে মুক্তি ও দায়েরকৃত মামলা প্রত্যাহারের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানানো হয়।

[৩] আর্টিকেল নাইনটিনের বাংলাদেশ ও দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক পরিচালক ফারুখ ফয়সল বলেন, করোনার সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে সরকারের প্রস্তুতিতে ঘাটতি ছিল শুরু থেকেই। নীতি নির্ধারণী পর্যায় থেকে তৃণমূলে ত্রাণ বিতরণ পর্যন্ত সকল ক্ষেত্রে সমন্বয়হীনতা, অস্বচ্ছতা ও অব্যবস্থাপনার মতো বিষয়গুলো দিনে দিনে স্পষ্ট হয়েছে। সরকার এসব দুর্বলতা কাটানোর প্রতি মনোযোগী হবে। অথচ এখন অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ভিন্নমত ও সমালোচনা দমনের নীতি অনুসরণ করা হচ্ছে। সরকারের সিদ্ধান্তের সমালোচনা করায় নবম শ্রেণির কিশোরের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের ও তাকে গ্রেপ্তারের ঘটনা গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের জন্য লজ্জাজনক দৃষ্টান্ত। এছাড়া ফেসবুকসহ বিভিন্ন মাধ্যমে কেবল মত প্রকাশের কারণে সম্প্রতি লেখক, কার্টুনিস্ট, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও সাংবাদিক-সম্পাদকের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।

[৪] তিনি বলেন, করোনার সংক্রমণ ঠেকাতে কারাবন্দিদের জামিনে মুক্তি দেয়া হচ্ছে। ভার্চ্যুয়াল আদালতে ৩০ দিনে বিভিন্ন মামলায় অভিযুক্ত ৪৫ হাজার ব্যক্তির জামিন হয়েছে। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় অভিযুক্তরা খুন, ধর্ষণ, সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ বা রাষ্ট্রদ্রোহিতার মতো ভয়ঙ্কর কোনো মামলার আসামি নন। তবুও তাদের জামিন প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। পক্ষকাল ম্যাগাজিনের সম্পাদক ও ফটোসাংবাদিক শফিকুল ইসলাম কাজলের জামিন আবেদন এ পর্যন্ত আটবার প্রত্যাখ্যাত হয়েছে। এই আইনে গ্রেপ্তার হওয়া অভিযুক্তদের অবিলম্বে মুক্তি ও সংশ্লিষ্ট মামলাগুলো প্রত্যাহার করতে হবে। সম্পাদনা : রায়হান রাজীব

সর্বাধিক পঠিত