প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] উইঘুর মুসলিমদের জন্ম নিয়ন্ত্রণে বাধ্য করছে চীন, ‘পরিকল্পিত গণহত্যা’ বলেছেন বিশেষজ্ঞরা

লিহান লিমা: [২] চীনের শিংজিয়াং প্রদেশে সংখ্যালঘু উইঘুর মুসলিম সম্প্রদায়ের জনসংখ্যা সীমিত রাখতে নারীদের জোরপূর্বকভাবে স্টেরিলাইজ করা হচ্ছে বা জন্মনিয়ন্ত্রক ওষুধ খাওয়ানো হচ্ছে। এমনকি গর্ভপাতে বাধ্য হচ্ছেন হাজারো নারী। বিবিসি

[৩] চীনা গবেষক আদ্রিয়ান জেনজের এই প্রতিবেদন প্রকাশ হওয়ার পর আন্তর্জাতিক আইনপ্রণেতারা একত্র হয়ে জাতিসংঘের তদন্তের আহ্বান জানান। বিশেষজ্ঞরা এটিকে ‘পরিকল্পিত গণহত্যা’ বলে দাবি করছেন। মার্কিন পররাষ্টমন্ত্রী মাইক পম্পেও এক বিবৃতিতে বলেছেন, চীনকে অতিসত্ত্বর এই ভয়াবহ চর্চা বন্ধ করতে হবে। তবে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয় এই প্রতিবেদনকে ‘অসত্য এবং ভুয়া খবর’ বলে দাবি করেন।

[৪] সরকারি পরিসংখ্যান, রাষ্ট্রীয় নথি, সাবেক বন্দি, পরিবারের সদস্য এবং বন্দি শিবিরের সাবেক পরামর্শকের সাক্ষাৎকারের ভিত্তিতে চালানো এই অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে উঠে আসে, উইঘুর নারীরাসহ অন্যান্য সংখ্যালঘু গোষ্ঠির নারীরা একের বেশি সন্তান নেওয়ার চেষ্টা করলে তাদের হুমকি,জরিমানা এবং যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের ভয় দেখানো হচ্ছে। আল জাজিরা

[৬] চীনা বংশোদ্ভূত উইঘুর মুসলিম ওমিরযখ বলেন, তৃতীয় সন্তান জন্মানোর আগে তার স্ত্রীকে গর্ভপাত করতে বাধ্য করা হয়েছিলো এবং এই অপরাধে তাকে তিন বছর জেলে থাকতে হয়েছিল। আর গত বছর জেল থেকে পালিয়ে আসার পর সরকার তাকে ২.৬৮৫ ডলার জরিমানা করে।

[৭] উইঘুরদের বন্দীশিবিরে আটকে রাখার জন্য দীর্ঘদিন ধরেই সমালোচনার সম্মুখীন হয়ে আসছে চীন। যেটাকে বেইজিং বিলছে ‘পুনঃশিক্ষা কেন্দ্র’। এর আগে ২০১৯ সালে এক প্রতিবেদনে উঠে আসে, চীন পরিকল্পিতভাবে উইঘুর শিশুদের পরিবার থেকে আলাদা করছে। স্কাই নিউজ। সম্পাদনা: ইকবাল খান

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত