প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

দেশের চাহিদা মিটিয়ে বিদেশেও শীর্ষে কুমিল্লার বাটিক

মাহফুজ নান্টু : [২] নজরকারা রং- নান্দনিক ডিজাইন। দেখতে সুন্দর, দামে সাশ্রয়ী। ব্যবহারে নিজস্ব ঐতিহ্যর পরশ। কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার কমলপুর গ্রামের বাটিক কাপড়। স্বাধীনতার পর থেকে এখনও পরিধেয় বস্ত্রের চাহিদা মিটিয়ে যাচ্ছে। দেশের পাশাপাশি বিদেশেও চাহিদা ও জনপ্রিয়তায় শীর্ষে রয়েছে।

[৩] জেলার আদর্শ সদর উপজেলার জগন্নাথপুর ইউনিয়নের কমলপুর গ্রামে একদল নারী-পুরুষ বাটিক কাপড় দিয়ে পরিধেয় বস্ত্র তৈরিতে সময় পার করছেন। এ কারখানায় অন্তত ৩০-৪০ জন নারী পুরুষ কাজ করে।

[৪] স্বাধীনতার পরবর্তী সময় থেকে কুমিল্লা কমলপুর গ্রামে বাটিক কাপড়ে রং দিয়ে নকশা করা হয়। তারপর বানানো হয় লুঙ্গি, থ্রীপিস, শার্ট ও বেডশীট। কমলপুরে তৈরী করা পোষাকগুলো দেশের চাহিদা মিটিয়ে বিদেশেও রপ্তানী করা হয়।

[৫] কমলপুরের বাসিন্দা ও বাটিক কারখানা কুমিল্লা ডাইংয়ের ব্যবস্থাপক ইব্রাহিম জানান, কমলপুরে ৭-৮টি বাটিক কোম্পানী রয়েছে। তার মধ্যে কুমিল্লা ডাইং অন্যতম। বর্তমানে কারখানায় ৪০ জন কর্মী কাজ করেন। কাজের দক্ষতা অনুযায়ী ৬-১২ হাজার টাকা বেতন পান কর্মীরা।

[৬] কারখানার একাধিক মালিক জানান, বাটিক কুমিল্লা সারা দেশের ঐতিহ্যর নির্দশন। আকর্ষণীয় ডিজাইন, দামে সাশ্রয়ী পরতেও আরাম বলে দেশে-বিদেশে চাহিদার শীর্ষে রয়েছে। তবে দেশে প্রচার- প্রসারসহ বাটিকের অস্তিত্ব রক্ষায় সরকারি সহযোগীতা পেলে শিল্পটি দেশের অর্থনীতিতে গুরত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পাবে বলে মনে করছেন তারা।

[৭] চাহিদা অনুযায়ী লুঙ্গি থ্রি পিচ, শার্ট ও বেডশীট তৈরি করা হয়। কুমিল্লা কমলপুরের বাটিক কারখানাগুলো সপ্তাহে দুই থেকে আড়াই হাজার পিস লুঙ্গি-থ্রিপীচ, শার্ট ও বেডশীট তৈরি করা হয়। সম্পদনা : হ্যাপি

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত