প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] কোভিড-১৯ লঞ্চের যাত্রী কমেছে ৭০ ভাগ

মিনহাজুল আবেদীন : [২] কোভিড-১৯ মহামারির কারণে লঞ্চে যাত্রীর সংখ্যা কমে গেছে। ইতিমধ্যে বেশ কয়েকটি লঞ্চ চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। আগে প্রতিদিন ঢাকা থেকে ৮০টি লঞ্চ ছেড়ে যেত, বর্তমানে তা কমে দাঁড়িয়েছে ৬০টিতে। প্রথম আলো

[৩] লঞ্চ মালিক সমিতি বলছে, যাত্রীর সংখ্যা কমে যাওয়ায় লঞ্চের মালিকেরা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। বাংলাদেশ প্রতিদিন

[৪] লঞ্চ মালিক সমিতির সভাপতি মাহবুব উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘কোভিড-১৯ কারণে লঞ্চ চলাচল বন্ধ ছিল টানা ৬৬ দিন। ২৮ দিন ধরে আমরা লঞ্চ চালাচ্ছি, কিন্তু যাত্রীর সংখ্যা অনেক কম। অধিকাংশ লঞ্চের কেবিন থাকছে ফাঁকা। ডেকেও সেভাবে যাত্রী নেই। যে পরিমাণ যাত্রী নিয়ে লঞ্চ চলাচল করছে, তাতে তেলের খরচই উঠছে না। কত দিন এভাবে চালাতে পারব, সেটি জানি না।’

[৫] বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান কমডোর গোলাম সাদেক বলেন, কোভিডের কারণে মানুষ যাতায়াত করছে কম। তবে বাস-ট্রেনের তুলনায় লঞ্চে যাত্রীর সংখ্যা তুলনামূলকভাবে কিছুটা বেশি। সময়নিউজ

[৬] তিনি বলেন, লঞ্চের যাত্রী কিংবা লঞ্চের কর্মচারী কেউই স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলছে না। বিআইডবিøউটিএর মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের দুর্বল মনিটরিংয়ের কারণে অনেক যাত্রী মাস্ক ছাড়া ঘাটে প্রবেশ করছে। লঞ্চগুলো স্যানিটাইজ না করে যাত্রীদের লঞ্চে তুলছে। যাত্রীদের কেউই স্বাস্থ্যবিধি মেনে বসছে না কিংবা লঞ্চের কর্মচারীরা যাত্রীদের স্বাস্থ্যবিধি মানার ব্যাপারে নজরদারিও করছেন না। বিবিসি বাংলা

[৭] বিআইডবি্লউটিএর চেয়ারম্যান কমডোর গোলাম সাদেক বলেন, ‘৬৬ দিন বন্ধ ঘোষণার পর আমরা সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার জন্য অনেক পদক্ষেপ নিয়েছিলাম। মাইকিংসহ নানা কর্মসূচি হাতে নিয়েছি। অনেক চেষ্টা করেও যাত্রীদের মধ্যে শৃঙ্খলার মধ্যে আনা সম্ভব হয়নি। তবে ঘাট পর্যবেক্ষণ করা হবে, বিআইডবিøউটিএর কর্মকর্তাদের দায়িত্বে অবহেলা পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত