প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

সিন্ডিকেট-দালালদের দিন শেষ : মেয়র তাপস

নিজেস্ব প্রতিবেদক : ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে (ডিএসসিসি) উন্নয়নকাজে প্রভাব বিস্তার করা বিভিন্ন সিন্ডিকেট ও দালালদের দিন শেষ বলে মন্তব্য করেছেন সংস্থাটির মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস। বিভিন্ন প্রকল্পের কেনাকাটা ও অনিয়মে সক্রিয় জড়িতদের জন্য নগরভবনের দরজা চিরতরে বন্ধের কথা জানিয়ে দেন তিনি। এ ছাড়া মশক নিধন ও জলাবদ্ধতাসহ ডিএসসিসির নানা কার্যক্রম নিয়ে একান্তে আলাপ করেন তিনি।

প্রশ্ন : ঢাকার মেয়রদের প্রধান চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায় মশক নিধন। অতীতের অনেক মেয়রের মেয়াদকাল এ বিষয়ে সুখকর ছিল না। আপনাকেও প্রধানমন্ত্রী অনুশাসন দিয়েছেন সাফল্য যেন মশায় খেয়ে না ফেলে। অতীতে মশক নিধনে ড্রেন ও ডোবায় গাপ্পি মাছের চাষ, জলাশয়গুলো পরিষ্কারসহ বেশ কিছু পদক্ষেপ নিয়েছিল। আপনিও মশক নিধনে বেশ কিছু পদক্ষেপ নিয়েছেন। উদ্যোগগুলো কীভাবে বাস্তবায়ন করবেন।

উত্তর: মশক নিধনে আগেও কিছু উদ্যোগ নেওয়া হয়। কিন্তু তেমন সফলতা লাভ করতে পারেনি। এ ক্ষেত্রে উদ্যোগুলো একদমই ভুল ছিল বিষয়টি এমন নয়, বিষয়টি হলো- সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা, নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করা। পাশাপাশি দরকার ছিল কাজগুলো ঠিকভাবে হচ্ছে কিনা তা তদারকি করা। মশা নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম সারা বিশে^রই একটি প্রতিকূল অবস্থা। এ জন্য প্রায় সব দেশেই একটি কৌশল ও কর্মপরিকল্পনা রয়েছে। আমরা সেই আলোকেই কাজ শুরু করেছি। পুরোটা ঢেলে সাজিয়েছি।নতুন করে কর্মপরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এর আগে যে কীটনাশক বা ওষুধ ব্যবহার করা হয়েছে, তার মান নিয়ে যথেষ্ট অভিযোগ রয়েছে। সেই সময় ভালো ওষুধ ব্যবহার করা হয়নি। এবার যেসব ওষুধ ব্যবহার করছি, তার মান অনেক ভালো। সবাই এটি বলেছে। আমরা প্রয়োগেও তার প্রমাণ পেয়েছি। এই করোনা মহামারীর মধ্যেও দুটি কারখানা পরিদর্শন করেছি। এর মধ্যে একটি কারখানায় কোনো অবকাঠামো নেই। যথেষ্ট সক্ষমতা না থাকায় বাদ দিয়েছি।

অন্যটির সক্ষমতা আছে বলে বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। আমরা ওষুধ পরীক্ষা করেছি। সেই পরীক্ষায় একশ ভাগ মশা মারা গেছে। এর আগে ৮০ ভাগ মশক মারা গেলেই তা কার্যকর বলে ধরে নেওয়া হতো। অতীতে সকাল ৮টায় মাত্র এক ঘণ্টা লোকদেখানো লার্ভিসাইডিং করা হতো। এটি কেবল লোকদেখানো বললেই বাতুল্য হবে, মানুষের ঘুম ভাঙার আগেই কাজটি সম্পন্ন হতো। মানুষও দেখতে পারত না, আসলে সেখানে মশককর্মী আদৌ গেছে, লার্ভিসাইডিং করা হয়েছে কিনা- জনগণ জানার আগেই কাজ সম্পন্ন হয়ে গেছে বলে বলা হতো। সূর্যাস্তের সঙ্গে সঙ্গেই মশাগুলো উড়ে যায়। কিন্তু গৎবাঁধা, মান্ধাতা আমলের কিছু কাজ করা হতো। কিন্তু সেই সময় লোকদেখানো কিছু ধোঁয়া ছিটিয়ে দেখানো হতো মশক নিধন হচ্ছে। প্রাপ্তবয়স্ক মশক নিধনের ক্ষেত্রে এমন প্রয়োগ হতো। কিন্তু সন্ধ্যার সময় মশা উড়ে ঘরে বা ওপর দিকে চলে যায়। আমরা এ কাজ ঢেলে সাজিয়ে দুপুর আড়াইটা থেকে মাগরিব পর্যন্ত করেছি। সকালেরটা সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত। প্রতিদিন চার ঘণ্টাব্যাপী প্রতি ওয়ার্ডে নির্ধারিত আটজন মশককর্মী বিভিন্ন স্থানে লার্ভিসাইডিং করবে। দুপুর আড়াইটা থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত এডাল্টিসাইডিং করা হচ্ছে। এর কার্যকারিতা অত্যন্ত ভালো। এর সুফলও পাচ্ছি। জনগণও সুফলের কথা জানাচ্ছেন। আমাদের শহরে অনেক জলাশয় রয়েছে। এসব জলাশয়ে মশার বংশবিস্তার হয়।

কিন্তু সংখ্যাগরিষ্ঠ জলাশয়গুলোই বিভিন্ন সংস্থা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। এসব জলাশয়ে ময়লা-আবর্জনা দিয়ে পরিপূর্ণ। এগুলোর মধ্যে আমাদের যাওয়ার অধিকার নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। আমলাতান্ত্রিক জটিলতা রয়েছে। তবে আমাদের নিয়ন্ত্রণে যেসব জলাশয় রয়েছে। সেগুলো নিয়ে কাজ শুরু করেছি। সেগুলো পরিষ্কার করার পাশাপাশি রক্ষণাবেক্ষণ করার কাজ শুরু করেছি। কিন্তু বছর বছর জলাশয় পরিষ্কার কাজে খরচ না বাড়িয়ে এলাকাবাসীর সহায়তায় রক্ষণাবেক্ষণ করে নান্দনিক বিনোদনের ব্যবস্থা করা হবে। তার সঙ্গে সঙ্গে সেখানে হাঁস চাষ করছি। বিভিন্ন দেশের পার্কে হাঁস রয়েছে। এগুলো কেবল সৌন্দর্যবৃদ্ধির জন্য নয়। এগুলো পানির প্রবাহ ঠিক রাখবে, স্থিরতা কাটাবে। এতে মশার প্রজনন হতে পারবে না। পাশাপাশি আমরা মাছ চাষ করছি। দেশি তেলাপিয়া মাছ। বছরে অন্তত দুবার এসব জলাশয়ে জ¦াল টানাব। এতে মাছের উপকারের পাশাপাশি মশক প্রজনন ব্যাহত হবে। এ ছাড়া উন্মুক্ত প্রায় দেড়শ কিলোমিটার নর্দমা রয়েছে। এসব জায়গায় মশক প্রজনন হয়। এগুলো মাসে অন্তত দুবার পরিষ্কার করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এতে মশক প্রজনন ধ্বংসসহ জলাবদ্ধতা নিরসনেও ভূমিকা রাখবে। আমাদের এ কার্যক্রম সুনির্দিষ্ট লোকবল, চেইন অব কমান্ডের মাধ্যমে পরিচালিত হবে। আমরা যেখানেই অনিয়ম দেখছি, গাফিলতি দেখছি বা অপচয় দেখছি সঙ্গে সঙ্গেই ব্যবস্থা নিচ্ছি। কোনোরকম অন্যায় বরদাশত করা হবে না। আমাদের কাছে এখন পর্যন্ত মাঠপর্যায়ের যে প্রতিবেদন, তাতে ডেঙ্গু বড় ধরনের কোনো পরিস্থিতি আশা করি হবে না।

প্রশ্ন : ডিএসসিসিতে মশক নিধন কার্যক্রমে অতীতে বেশ কিছু পদক্ষেপ প্রশ্নবিদ্ধ ছিল। অভিযোগ উঠেছিল দুর্নীতিরও। বিশেষ করে মশক নিধনে মানহীন ও নিম্নমানের ওষুধ ছিটানো, যন্ত্রাংশ ক্রয়, প্রয়োজনীয় অ্যারোসল ক্রয় ও বিতরণ। পরিকল্পনার অভাবও ছিল। সেসব কি তদন্ত হবে। কার্যকর ওষুধ ক্রয় ও ব্যবহার নিয়ে আপনার কোনো পরিকল্পনা আছে?

উত্তর : দায়িত্ব নিয়ে আমি উপলব্ধি করেছি, এখানে অনেক কিছুই শূন্য থেকে শুরু করতে হয়েছে। অনেক কার্যক্রম শুরু করেছি। প্রশাসনিক সংস্কারেও হাত দিয়েছি। কেবল দুর্নীতিই নয়; অপচয়, অবহেলা, অনিয়ম ও গাফিলতি রন্ধ্রে রন্ধ্রে রয়েছে। তাই প্রশাসনিক সংস্কারে হাত দিয়েছি। প্রশাসনিক সংস্কার ছাড়া সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা সম্ভব নয়। সেবাগুলো ঢাকাবাসীর কাছে সঠিকভাবে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব নয়। একেকটি বিভাগ, একেকটি কাজ নতুন করে সাজাচ্ছি। এর সঙ্গে সঙ্গে প্রশাসনিক সংস্কারের কাজ চলমান থাকবে। আমরা পুরনো ঘানি টানতে চাই না। কিন্তু কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বলেছিÑ ১৭ মে থেকে সামনের ৫ বছর, কোনোরকম কোনো দুর্নীতি, অবহেলা ও গাফিলতি বরদাশত করা হবে না। জিরো টলারেন্স মানে শূন্যই। এটি কখনো শূন্য থেকে বাড়বে না। প্রায় প্রতিদিনই কিছু না কিছু কার্যক্রম হাতে নেওয়া হচ্ছে। মহামারীর কারণে আমরা প্রতিকূলতার মধ্যে রয়েছি। সব বিভাগ যখন একাগ্রচিত্রে কাজ শুরু করতে পারবে, তখন ঢাকাবাসীকে আরও বেশি সেবা দিতে পারব।

প্রশ্ন : ঢাকার অন্যতম প্রধান সমস্যা জলাবদ্ধতা। প্রতি বর্ষায় জলাবদ্ধতায় মানুষকে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয়। ঢাকা সিটিতে যেসব সেবা সংস্থা কাজ করে, এর মধ্যে কেবল সিটি করপোরেশনের মেয়র জনগণের ভোটে নির্বাচিত। ফলে নগরবাসীর প্রত্যাশাটা মেয়রের কাছে বেশি। এর আগে দায়িত্ব পালন করা মেয়ররা বিভিন্ন সেবা সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে জলাবদ্ধতা নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখবেন বলে কথা দিয়েছিলেন। সেবা সংস্থাগুলোর সমন্বয়হীন যত্রতত্র রাস্তা খোঁড়াখুঁড়িসহ নানা কারণেই এ জলাবদ্ধতার সৃষ্টি। আপনার মন্তব্য?

উত্তর : পুরোটাই ঢেলে সাজাতে হবে। এখানে সমন্বয় আনতে হবে। অন্য সংস্থাগুলোকে দায়বদ্ধ করতে হবে। জলাবদ্ধতা কেবল ড্রেনের মুখ বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণেই হয় না। যেমন হাতিরঝিলের মুখগুলো খুলে না দেওয়ার কারণে ধানমন্ডি, কাঁঠালবাগান, গ্রিন রোড এলাকায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হচ্ছে। এখানে সমন্বয়ের অভাব হচ্ছে। এই কার্যক্রমগুলো ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের কাছে ন্যস্ত করলে সঠিকভাবে, সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে জলাবদ্ধতা নিরসন করতে পারব। প্রত্যেকটি জলাশয় যদি সঠিকভাবে রক্ষণাবেক্ষণ করতে পারি, নদীর সঙ্গে সংযুক্ত খালগুলো রক্ষণাবেক্ষণ করতে পারি, তবেই জলাবদ্ধতা নিরসনে অনেকটা সহজ হবে। বিভিন্ন সংস্থা জলাশয়-খালগুলোর দায়িত্ব নিয়ে কাজ করে না। গাফিলতি আর অবহেলার কারণে সংকটের সৃষ্টি হয়েছে। আমরা এগুলো নিয়ন্ত্রণে নিতে চাচ্ছি। এ কাজ সিটি করপোরেশনের আওতায়ই পড়ে। ঢাকাবাসীর প্রত্যাশাও এসব কাজ দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের দ্বারা পরিচালিত হোক। তারাই এর সুষ্ঠু সমাধান দিতে পারবে। নির্বাচনী ইশতেহারেও বলেছি- আমরা দীর্ঘমেয়াদি মহাপরিকল্পনার মাধ্যমে কাজ করব। ইতোমধ্যে এ নিয়ে কাজ শুরু করেছি। কামরাঙ্গীরচরে বুড়িগঙ্গার আদি চ্যানেল। এটি প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে। এটি আমরা পুনঃখনন করব। ইতোমধ্যে পরামর্শক প্রতিষ্ঠানকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। চলতি বছরের মধ্যেই কাজটি আরম্ভ করতে পারলে জলাবদ্ধতা নিরসনে সহায়ক হবে। নর্দমা ব্যবস্থাও ঢেলে সাজাতে হবে। ঢাকা ভবিষ্যতে কোনপর্যায়ে যাবে, সেই অনুপাতে কাজ না করলে সবই লোকদেখানো হবে। ইতোমধ্যে আমরা নগরপরিকল্পনাবিদদের সঙ্গে আলোচনা করেছি। এলাকা ভাগ করে কাজ শুরু করে দেব। পাশাপাশি বিভিন্ন সংস্থার অধীনে যেসব কাজ রয়েছে, সেই কাজগুলো আমরা চাইব দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের আওতায় নিয়ে আসতে।

প্রশ্ন : বিভিন্ন সময় দেখা গেছে সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের দায়িত্বে ঠিকাদারদের বণ্টন, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বদলি, পদোন্নতিসহ নানা কাজ কেন্দ্র করে নগরভবনে একটি বিশেষ সিন্ডিকেট গড়ে ওঠে। যারা সিটি করপোরেশনের উন্নয়নমূলক কাজ, কেনাকাটা নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। এ ধরনের সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে আপনার অবস্থান কী?

উত্তর : দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে সিন্ডিকেটের কোনো সুযোগ নেই। যারা ছিল তাদের দিন শেষ। এখন স্বচ্ছ উপায়ে সঠিক ব্যবস্থাপনার আওতায় কাজ চলছে। কোনো দুর্নীতি, অপচয়, অবহেলার সুযোগ নেই। যারা এসবের সঙ্গে জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। জিইয়ে রেখে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয় না। সঙ্গে সঙ্গেই ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। এভাবেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে। চলমান থাকবে। উন্নয়ন ত্বরান্বিত করতে নিবিড় তদারকি দরকার, নিবিড় পর্যবেক্ষণ দরকার। আমরা সেভাবেই কাজ করছি। ঢাকাবাসী যতদিন না আত্মবিশ্বাস জন্মাবে- এই সংস্থা সঠিকভাবে সেবা পৌঁছে দিচ্ছে, ততদিন এভাবে কাজ চলবে। নগরভবনে সিন্ডিকেট করার সুযোগ নেই। কোনো সিন্ডিকেট-দালালের জায়গা নেই। তাদের দরজা নগরভবনে প্রবেশের ক্ষেত্রে চিরতরে বন্ধ।

প্রশ্ন : গুলিস্তান সুন্দরবন স্কয়ার মার্কেট, ফুলবাড়িয়া সিটি প্লাজা, নগরপ্লাজা ও জাকের সুপার মার্কেটসহ বেশ কয়েকটি মার্কেটে অবৈধ কমিটি বছরের পর বছর দায়িত্ব পালন করছে। তারা সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগসাজশ করে নিজেরাই এসব মার্কেটে বহুতল ভবন বানিয়ে কোটি কোটি টাকায় বিক্রি করে দিয়েছে। কানাকড়িও সিটি করপোরেশন পায়নি। এ ধরনের অপকর্মের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবেন কিনা।

উত্তর : মহামারী করোনার কারণে অনেক কিছু চাইলেও করা যাচ্ছে না। এর পরও বিষয়গুলো পর্যবেক্ষণে রয়েছে। দক্ষিণ সিটির যেসব সম্পত্তি বেদখল হয়ে আছে, অনেক হাটবাজার বেদখল রয়েছে, বিভিন্ন মার্কেটে অনিয়ম করে সঠিক রাজস্ব আহরণ করা যাচ্ছে না। বিষয়গুলো আমরা পর্যবেক্ষণ করছি। রাজস্ব আহরণের অনেক ক্ষেত্র দুর্নীতি, গাফিলতি ও অনিয়মের কারণে বঞ্চিত হচ্ছি। এটির সুযোগ দেওয়া হবে না। তবে কোনোভাবেই ঢাকাবাসীকে হয়রানি করতে দেওয়া হবে না। কোনো করও বাড়ানো হবে না।

প্রশ্ন: রাজস্ব বৃদ্ধির আর কোনো পরিকল্পনা রয়েছে?

উত্তর : রাজস্ব আয়ের যেসব ক্ষেত্রে অনিয়ম, দুর্নীতির কারণে বন্ধ রয়েছে, কম রাজস্ব আসছে। আমরা সেসব জায়গা থেকে সঠিকভাবে রাজস্ব আহরণ করব। এর বাইরে যেসব খাত রাজস্বের আওতায় আনা হয়নি, সেসব খাত রাজস্বের আওতায় আনা হবে। এর মাধ্যমে ঢাকাবাসীকে আমরা বেশি সেবা দিতে পারব। দীর্ঘদিন ধরে এমন অচলায়তন তৈরি হয়েছে। একদিনেই সব সমাধান সম্ভব নয়। তবে একটি শক্ত বার্তা পৌঁছে দিতে পেরেছি। আমরা কোনো অনিয়ম মানব না। এ বার্তা মানুষের কাছে কিছুটা হলেও পৌঁছেছে। জনগণও বুঝতে পেরেছে দক্ষিণ সিটিতে অনিয়ম, দুর্নীতির দিন শেষ। নতুন যাত্রা শুরু হয়েছে।

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত