প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] পূর্বাচলে বঙ্গবন্ধু চত্বর ও আইকন টাওয়ার নির্মাণ হবে, ২ হাজারের বেশি নকশা অনুমোদনের অপেক্ষায়

সুজিৎ নন্দী: [২] পূর্বাচলে নতুন শহর প্রকল্পে প্রায় ২৬ হাজার আবাসিক প্লটের মধ্যে সাড়ে ১৭ হাজারেরও বেশি প্লট হস্তান্তর করা হয়েছে। ইতোমধ্যে দুই হাজারেরও বেশি নকশা অনুমোদনের অপেক্ষায় বাছাই কমিটিতে জমা আছে। করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে আগষ্ট থেকে অনুমোদন শুরু হবে। এরই মধ্যে ৫ শতাধিক বাড়ির নির্মাণ কাজ শুরু হয়েছে।

[৩] রাজউকের চেয়ারম্যান সাঈদ ন‚র আলম বলেন, একদিকে উন্নয়ন কাজ এবং অন্যদিকে বাড়ি তৈরির কাজও চলছে। কয়েকটি ব্রিজ এবং রাস্তা নির্মাণের টেন্ডার খুব শিঘ্রই আহ্বান করা হবে এবং এ বছর কাজ শেষ হবে।

[৪] পূর্বাচল গোল চত্বর ও কাঞ্চন ব্রিজের পাশে ‘বঙ্গবন্ধু চত্বর’ তৈরির পরিকল্পনা থাকলেও নতুন করে জায়গা খোঁজা হচ্ছে। তবে সূত্র জানায়, ১৯ নম্বর সেক্টরটি সিবিডি (ব্যবসায়িক ও বাণিজ্যিক অঞ্চল) এলাকা হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছিল। এই এলাকার প্রায় ১০০ একর জমি বরাদ্দ পেয়েছে ‘কনসোর্টিয়াম অব পাওয়ার প্যাক হোল্ডিংস লিমিটেড অ্যান্ড কাজিমা করপোরেশন’। তাদের এখানে ১০০ থেকে ১৪২ তলা আইকনিক টাওয়ার নির্মাাণ হবে। বাংলাদেশ বেসরকারি বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে উচ্চতার ছাড়পত্র ও সেখানকার মাটি এমন ভবনের উপযোগী কি না, তা নিশ্চিত করা হচ্ছে।

[৫] রাজউক স‚ত্র জানায়, সংশোধনীর শেষ পর্যায়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা ৩টি থেকে বাড়িয়ে ১৬টি, হাসপাতাল ও ক্লিনিকের সংখ্যা ২৭টি থেকে ৪৪টি, গবেষণা ও শিক্ষাসংক্রান্ত প্রতিষ্ঠান বা ইনস্টিটিউটের সংখ্যা ৫টি থেকে ২১টি, মাধ্যমিক স্কুল ও কলেজের সংখ্যা ৬টি থেকে ২৮টি করা হয়েছে। তবে নার্সারি ও প্রাইমারি স্কুলের সংখ্যা কমেছে।

[৬] স‚ত্র জানায়, প্রকল্পটি পাসের পর রাজউক ২০০৪, ২০০৫, ২০০৯ ও ২০১৩ সালে এর নকশা সংশোধন করে। এর পর নকশায় আর কোনো পরিবর্তন আনতে গেলে আদালতের প‚র্বানুমতির নির্দেশনা ছিল। পরবর্তিতে ২০১৭ সালে নকশা সংশোধনের উদ্যোগ নেয় রাজউক।

[৭] এ সময় প্রায় ১শ’ একর জায়গায় ‘আইকনিক টাওয়ার’, আবাসিক প্লটের সংখ্যা বাড়ানো, প্রাতিষ্ঠানিক প্লট ছোট করা, হাসপাতাল ও ক্লিনিকের সংখ্যা বৃদ্ধিসহ পরিবর্তন আনা হয়। এতে মাঠ, উন্মুক্ত স্থাান কমানোর পাশাপাশি ব্যবসায়িক ও বাণিজ্যিক অঞ্চল এলাকার কিছু সমস্যা হয়েছে বলে রাজউকের একাধিক স‚ত্র জানায়।

[৮] জানা যায়, নকশার পঞ্চম সংশোধনীতে আবাসিক প্লটের সংখ্যা ২৫ হাজার ১৬ থেকে বাড়িয়ে ২৫ হাজার ৯১ করা হয়। এতে ৩ কাঠার ৬০টি, ৫ কাঠার ১৪টি ও ১০ কাঠার ১টিসহ মোট ৭৫টি প্লট বাড়ানো হয়েছে এবং তা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। সম্পাদনা: ইকবাল খান

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত