শিরোনাম
◈ পবিত্র রমজানের চাঁদ দেখা গেছে, কাল থেকে শুরু রোজা ◈ বিএনপি জোট ৩৫ ও জামায়াত ১৩ সংরক্ষিত নারী আসন পেতে পারে: ইসি ◈ মানবিক সফরে ঢাকায় এলেন বিশ্বকাপজয়ী মেসুত ওজিল ◈ শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে পুনঃভর্তি ফি নেয়া যাবে না, নীতিমালা জারি ◈ স্বজনপ্রীতির ঊর্ধ্বে থেকে কাজ করতে বলেছেন প্রধানমন্ত্রী ◈ পরীক্ষায় নকল-প্রশ্নফাঁস আর ফিরে আসবে না: শিক্ষামন্ত্রী ◈ যত দ্রুত সম্ভব পৌর-সিটি ও উপজেলা নির্বাচনের ব্যবস্থা করবো: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী ◈ জাতীয় জুলাই সনদের কার্যকারিতা স্থগিত চেয়ে রিট ◈ নতুন আইজিপি ও ডিএমপি কমিশনার হওয়ার আলোচনায় যাঁরা ◈ নতুন চাকরি পেলেন সদ্যসাবেক প্রেস সচিব শফিকুল

প্রকাশিত : ২৬ জুন, ২০২০, ১১:৩৩ দুপুর
আপডেট : ২৬ জুন, ২০২০, ১১:৩৩ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] সাফল্য-প্রত্যাশা ও প্রাপ্তি নিয়ে সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদের দুই বছর

ইসমাঈল ইমু : [২] ২০১৮ সালের ২৫ জুন বাংলাদেশের সেনাপ্রধানের দায়িত্বভার গ্রহণ করেন জেনারেল আজিজ আহমেদ। দেশ সেবার ব্রত নিয়ে গ্রহণ করা সেই দায়িত্বভার পালনে গত দুই বছর রয়েছে বেশ কিছু সাফল্য-প্রত্যাশা ও প্রাপ্তির গল্প। এই সময়ের মধ্যে দেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় নির্বাচন, আম্ফানের মত ‘সুপার সাইক্লোন’সহ ফনী ও বুলবুলের মত দুটি ঘূর্ণিঝড় এবং বর্তমান করোনা মহামারীতে তার নেতৃত্ব দেশের সেবায় নিয়োজিত রয়েছে সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা। সূত্র : ইত্তেফাক

[৩] কিছুদিন আগেই ক্যাডেট কমিশন লাভ করা ২৫৫ সেনা অফিসারকে দেশপ্রেম ও সাহসিকতার সাথে মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ হয়ে কাজ করার নির্দেশনা প্রদান করেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ।

[৪] এ সময় তিনি বলেন, সেনাবাহিনী বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের মূর্ত প্রতীক হিসেবেই সর্বদাই দেশপ্রেম ও সাহসিকতার সাথে মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। আমাদের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্বকে কেউ হুমকির মুখে ফেলে তাহলে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী তার সমুচিত জবাব দেয়ার জন্য সদা প্রস্তুত এবং সক্ষম।

[৫] বিগত দুই বছরে সেনা প্রধানের কাছে বেশ গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ ছিলো ২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচন। দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মত কোন বড় সহিংসতা ছাড়া জাতীয় নির্বাচন সমাপ্ত হয় ২০১৮ সালে। এ ক্ষেত্রেও তার নেতৃত্বে থাকা সেনাবাহিনীর বড় ভূমিকা রয়েছে। অনেক শঙ্কা ছিলো এই নির্বাচনকে ঘিরে অনেকে সন্ত্রাসী বা জঙ্গি হামলার আশঙ্কাও করেছিলো। কিন্তু দেশের মানুষকে নিরাপদ রাখতে সেনাবাহিনীর ভূমিকা ছিলো অবিচল। আর তা সম্ভব হয়েছিলো সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদের কারণে।

[৬] করোনা মহামারীতেও আমরা প্রতি নিয়ত লক্ষ্য করেছি মানবিক সেনাবাহিনীর ভূমিকা। অনেকে যেখানে সেনাবাহিনীকে কঠোর হয়ে সাধারণ মানুষের ওপর চরাও হওয়ার কথা বলছিলো, তখন সেনাপ্রধানের নির্দেশ আরো একবার মানবিক রূপে দেখা যায় সেনা সদস্যদের। বুদ্ধিদীপ্ত ও দুর্দান্ত সব পরিকল্পনা নিয়ে মানুষকে সচেতন করে তুলতে করোনাভাইরাসের ভয় উপেক্ষা করে নিজেদের কার্যক্রম চালিয়ে যায় সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা। সেনাপ্রধানের নির্দেশে নিজেদের রেশনের অর্থ থেকে দুস্থ ও দরিদ্রদের ঘরে ঘরে গিয়ে খাবার পৌঁছে দেয় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সদস্যরা। সেনাবাহিনীর এমন মানবিক রূপ দেখে মুগ্ধ হয়েছে সাধারণ মানুষ।

[৭] সেনাবাহিনী দেশের জন্য সর্বদা যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত বলে জানান সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ। করোনা মোকাবেলায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা পাওয়ার পর তিনি ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, প্রধানমন্ত্রী করোনা মোকাবেলায় যুদ্ধ ঘোষণা করেছেন। আমরা সৈনিক এবং এই যুদ্ধে আমরা সর্বোতভাবে নিয়োজিত থেকে সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী দেশ ও জনগণের কল্যাণে আত্মনিবেদন করছি। দেশের এই ক্রান্তিকালে সেনাবাহিনীকে জনগণের সেবায় আত্ম নিয়োগের সুযোগ প্রদানের জন্য সেনাবাহিনীর সকল সদস্যের পক্ষ থেকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। সম্পাদনা : খালিদ আহমেদ

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়