প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] মানিকগঞ্জের আকাশে ছেঁয়ে গেছে ঢোল, নৌকাসহ নানা আকৃতির রঙ্গীন ঘুড়িতে

রাহুল রাজ: [২] আকাশে উড়ছে চিল, পাখি, ফুল, বাজ, কৌইরা, সাপা, ঢোল, তারা, লাভ, নৌকা নামের হরেক রকম ঘুড়ি। সারাবাংলার মত মানিকগঞ্জের আকাশে শোভা পাচ্ছে নানা আকৃতির ঘুড়ি। বৈশাখ থেকে শুরু করে আষাঢ়ের শেষ পর্যন্ত নানা আয়োজনে সব বয়সের মানুষ বিভিন্ন আকার ও আকৃতির ঘুড়ি তৈরি করে আকাশ ছোঁয়ার আনন্দ নিচ্ছেন।

[৩] মানিকগঞ্জের শিমুলিয়া ইউনিয়ানের দোলাকান্দা গ্রামে প্রতি বছর দেশীয় ঐহিৎ ধরে রাখতে আয়োজন হয় ঘুড়ি উৎসবের। মানিকগঞ্জ জেলার বিভিন্ন স্থানে আকাশে চোখ মেললেই দেখা যায় ঘুড়ির লড়াইয়ের দৃশ্য কান পাতলেই শোনা যাচ্ছে ঘুড়ির ভো ভো শব্দ। ঘুড়ি উদ্ভাবন এবং ওড়ানোর ইতিহাস অনেক প্রাচীন। কিংবদন্তি আছে, খ্রিস্টপূর্ব চতুর্থ শতাব্দীতে পূর্ব এশিয়া মহাদেশের লোকেরা ঘুড়ি ওড়ানোর ব্যাপারে দক্ষ ছিল। প্রায় ২৮০০ বছর পূর্বে চীন দেশে ঘুড়ির সর্বপ্রথম উৎপত্তি ঘটেছে। পরবর্তীকালে এটি এশিয়ার বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়ে।

[৪] এ ছাড়াও ইউরোপে ঘুড়ি খেলাটির প্রচলন ঘটে প্রায় ১৬০০ বছর পূর্বে। বর্তমানে বিভিন্ন ধরনের ঘুড়ি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে প্রচলিত। কোনোটি আকারে খুব বড় ও দেখতে মনোহর। আবার কোনোটি আকারে খুবই ছোট যা দ্রæত উড়তে পারে। মানিকগঞ্জের ঘুড়ি নিয়ে সবুজ মন্ডল জানান, অনেক আগে থেকেই আমাদের গ্রামে বছরের এই সময়ে গ্রামের প্রায় সবাই ঘুড়ি উড়ায়। আমাদের এখানে কেনা ঘুড়ির সংখ্যা খুব কম।

[৫] সবাই নিজেরাই দেশীয় উপাদানে বিভিন্ন আকারের ঘুড়ি তৈরি করে আকাশে উড়িয়ে থাকে। ঘুড়ি ওড়ানো আরো আকর্ষনীয় করতে রাতের আকাশে বিশেষ কায়দায় ঘুড়িতে লাইট লাগিয়ে অনেকে উড়াচ্ছেন যা দেখতে বেশ দৃষ্টি নন্দন লাগে।

[৬] নতুন প্রজন্মকে দেশীয় সাংস্কৃতিক ও ঐতিহ্যের সাথে পরিচয় করিয়ে দিতে প্রতিবছর আমরা কয়েকবার ঘুড়ি উৎসব আয়োজন করে থাকি। উৎসবে মানিকগঞ্জ ও এর আশেপাশে থেকে অনেকেই বিভিন্ন নামের নানান আকৃতির ঘুড়ি নিয়ে অংশগ্রহন করে থাকে।

সর্বাধিক পঠিত