প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] লাদাখ সীমান্তে আরো ৩ হাজার সেনা মোতায়েন করেছে ভারত

ইসমাঈল আযহার: [২] দ্বিপাক্ষিক সমঝোতা উপেক্ষা করে চীন এলএসি বরাবর নির্মাণ অব্যাহত রাখায় ইন্দো-চিন প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর শক্তি বাড়াতে দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ইন্দো-টিবেটিয়ান বর্ডার পুলিশ এখবর দিয়েছে। এনডিটিভি, আনন্দবাজার

[৪] জানা গেছে, শুধু বাহিনী নয়, সামরিক সরঞ্জামও বাড়াবে ভারত। ১৫ জুনের ঘটনার আগে ধাপে ধাপে আইটিবিপি বাহিনী বাড়িয়েছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। আরও বাহিনী পাঠাতে উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এলএসি’র সব পেট্রলিং পয়েন্টে কড়া নজরদারি রাখতে কোম্পানি পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

[৫] সামরিক ও কূটনৈতিক স্তরে একাধিক আলোচনার পরেও গালোয়ান, প্যাংগং লেক আর হটস্প্রিংস এলাকা এখনও উত্তেজিত। যদিও ভারত চায় সীমান্তে আবার পূর্বের স্থিতিশীলতা ফিরুক। একারণে ১৪,১৫ ও ১৬ তিনটি পয়েন্ট থেকে সেনা কমাতে চেয়েছিলো ভারত।

[৬] এদিকে, লাদাখের প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখায় উত্তেজনা কমাতে ভারত ও চিনের আলোচনার প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার একদিন পরেই উপগ্রহ চিত্রে গালোয়ান নদী উপত্যকায় প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখার দুই দিকেই চীনা নির্মাণের ছবি ধরা পড়েছে। খবরে বলা হয়, ১৫ জুন ওই এলাকায় সংঘর্ষে ভারতের ২০ ও চীনের ৪৫ জন সেনা নিহত হয়েছে। নিহতদের মধ্যে একজন কর্নেলও রয়েছেন।

[৭] গালোয়ান নদী উপত্যকায় প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর রাস্তা যথেষ্ট পরিমাণে চওড়া করা হয়েছে মাটি খোঁড়ার যন্ত্র দিয়ে। গালোয়ানের চিনের অংশের উল্টোদিকে কোনও ভারতীয় রাস্তা নির্মাণের কাজের চিত্র ধরা পড়েনি। যদিও, উত্তরের দৌলতবেগ ওল্ডি এবং দক্ষিণের ডারবাকের সংযোগকারী ৬ কিলোমিটার জাতীয় সড়কের কাজ সম্পন্ন করেছে ভারত।

[৮] গত সোমবার চুসুলের মোল্ডো এলাকায় লেফটেন্যান্ট জেনারেল পর্যায়ের বৈঠক হয় দুই দেশের মধ্যে, প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর যে এলাকাগুলো নিয়ে দুই দেশের মতপার্থক্য রয়েছে সেগুলো মেটাতে সম্মত হয় দুই দেশ। তবে উভয় পক্ষের কেউই এখনও সেনা সরিয়ে নেওয়ার প্রস্তুতি শুরু করেনি। সম্পাদনা : সালেহ্ বিপ্লব

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত