প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] গাড়ি বন্ধ রাখলে লস কম, খোলা রাখলে বেশি, দূরপাল্লায় যাচ্ছে ৩০ ভাগ বাস

সুজিৎ নন্দী : [২] এখন রাস্তায় বাস নামালে লোকসান হয়, না নামালে লোকসান কম হয়। এসি বাসের চলাচল প্রায় বন্ধ। নন-এসি বাসও ৩০ ভাগের শতাংশের বেশি চলে না। চালক-শ্রমিকদের কথা চিন্তা করে বাস চালু রাখা হয়েছে। মানুষের মুভমেন্ট নেই। তিন বাসের টিকেট বিক্রি হচ্ছে ২০টি, কিন্তু একটি বাস ছাড়ছে। গাবতলী, কল্যাণপুর, সায়েদাবাদ, ফকিরাপুল গেলে বিকাল থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত যাত্রী বসে থাকতে দেখা গেছে।

[৩] পরিবহন শ্রমিক নেতা শাহজাহান খান বলেন, সারা দেশের বিপণীবিতান ও বড় ব্যবসাকেন্দ্রগুলো এখনো পুরোদমে চালু হয়নি। এগুলো চালু থাকলে দূরদূরান্তের মানুষ ঢাকা থেকে মালামাল সংগ্রহ কিংবা অন্য ব্যবসায়িক কাজে আসতেন। এখন এ ধরনের যাতায়াত পুরোপুরি বন্ধ বলা যায়।

[৪] সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির নেতা খন্দকার এনায়েত উল্লাহ বলেন, করোনাভাইরাসের সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতির মধ্যে গণপরিবহন চালু হলে স্বাস্থ্যবিধি কতটা মানা যাবে, শুরুতে তা নিয়ে শঙ্কা ছিল। কিন্তু এখন দেখা যাচ্ছে, শতভাগ মানা হচ্ছে। কিন্তু বাসে যাত্রীই পাওয়া যাচ্ছে না।

[৫] তিনি আরো বলেন, বিলাসবহুল এসি ও নন এসি বাসের একটা বড় অংশ পর্যটন শহরগুলোতে চলাচল করে থাকে। করোনাভাইরাসের কারণে পর্যটনকেন্দ্রগুলো বন্ধ। এ ছাড়া প্রতিবছর কয়েক লাখ লোক সড়কপথে ভারতে যাতায়াত করেন। এখন তা বন্ধ রয়েছে।

[৬] শ্যামলী পরিবহনের স্বত্বাধীকারী রমেশ চন্দ্র জানান, ভয়-আতঙ্কের কারণে মানুষ যাতায়াত করছে না, এটা তো সবারই জানা। তবে দূরের পথে যাত্রী কমে যাওয়ার পেছনে পরিবহনমালিক-শ্রমিকেরা আরও কিছু সুনির্দিষ্ট কারণের কথা বলছেন। পুরোদমে ব্যবসা-বাণিজ্য চালু না হওয়া। বেড়াতে না যাওয়া, সরকারি-বেসরকারি অফিসে চাকরিজীবীদের উপস্থিতি কমে যাওয়া মূলত এর কারণে। এর পাশাপাশি শ্রমজীবী মানুষের যাতায়াতও কম এবং ভারত ভ্রমণ বন্ধ থাকায় সড়কপথে যোগাযোগ কমে গেছে। সম্পাদনা : খালিদ আহমেদ

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত