প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] পাপুলকে নিয়ে কুয়েতের রাজনৈতিক অঙ্গনে চাঞ্চল্য

ডেস্ক রিপোর্ট : [২] মানবপাচার ও অর্থপাচারের দায়ে কুয়েতে আটক বাংলাদেশি এমপি কাজী শহীদ ইসলাম পাপুলকে নিয়ে কুয়েতের রাজনৈতিক অঙ্গনে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। কুয়েতের সংসদে পাপুলের কর্মকা- নিয়ে আলোচনা হয়েছে। উপ-প্রধানমন্ত্রী পর্যন্ত কথা বলেছেন পাপুলকে নিয়ে।

[৩] সিআইডি হেফাজতে থাকা পাপুল স্বীকার করেছেন, মানবপাচার ও অর্থপাচার কাজে তাকে কুয়েতের এবং কুয়েতের বাইরে বেশ কিছু ব্যক্তি সহযোগিতা করেছেন। তার স্বীকারোক্তি মতে ঘুষগ্রহণের কৌশল বাতলে দেওয়া স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে কর্মরত দেশটির একজন সামরিক অফিসারসহ ৩ জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাকে আদালতে তলব করা হয়েছে।

[৪] পাবলিক প্রসিকিউশন তাদের জেরা করেছেন এবং আদালত তাদের বক্তব্য রেকর্ড করেছেন। ইংরেজি দৈনিক আরবটাইমস এবং আরবি দৈনিক আল-কাবাসে প্রতিবেদনে এসব তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।

[৫] এ ছাড়া কুয়েতের শীর্ষস্থানীয় সংবাদপত্র আল-রাইয়ের এক প্রতিবেদনে দেশটির তদন্তকারীদের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, লক্ষ্মীপুরের সংসদ সদস্য কাজী শহীদ ইসলাম পাপুল কুয়েতে তার জনশক্তি ব্যবসা থেকে বছরে প্রায় ২০ লাখ দিনার আয় করতেন। যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৫৫ কোটি ১৫ লাখ টাকা।

[৬] আল-রাইয়ের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কাজী পাপুলের মাধ্যমে ভুক্তভোগী বেশ কয়েকজন এবং তার সহযোগীদের জিজ্ঞাসাবাদ করে এসব তথ্য পেয়েছে দেশটির তদন্তকারী কর্মকর্তারা। তারা এ বিষয়ে তিনজনের বক্তব্য শুনেছেন। এই তিনজনের মধ্যে দুজন হলেন- এমপি পাপুলের জনশক্তি প্রতিষ্ঠানের পরিচালক এবং অপরজন কুয়েতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্নেল পদমর্যাদার কর্মকর্তা।

[৭] প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তদন্তে জানা যায়, বাংলাদেশ থেকে কর্মী আনার বিনিময়ে ঘুষ, নগদ অর্থ এবং বিভিন্ন উপহার দেওয়ার পরও বাংলাদেশি এই সাংসদের বার্ষিক মোট আয় আনুমানিক ২০ লাখ দিনার।’

[৮] এমপি পাপুল মানবপাচার ও অর্থপাচারের অভিযোগে অভিযুক্ত। গত বৃহস্পতিবার থেকে এ ঘটনায় কুয়েতে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর মধ্যে তিনজন দেশটির কর্মকর্তা। তাদের মধ্যে একজন কুয়েতে শ্রমবিষয়ক সরকারি সংস্থার জনশক্তি কর্মকর্তা। এই কর্মকর্তার বোনের একটি জনশক্তি প্রতিষ্ঠান রয়েছে এবং বাংলাদেশ থেকে কুয়েতে শ্রমিক আনার জন্য এমপি পাপুলের সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটির একটি চুক্তি রয়েছে।

[৯] কুয়েতের জনশক্তি প্রতিষ্ঠান মারাফি কুয়েতির মালিক এমপি পাপুল এবং কুয়েতের এক নাগরিক। দেশটিতে শ্রমিক পাঠানোর বিনিময়ে জনপ্রতি প্রায় তিন হাজার দিনার নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে বাংলাদেশি এই এমপির বিরুদ্ধে। এ ছাড়া প্রতিবছর সে দেশে থাকার অনুমতিপত্র পুনরায় অনুমোদন করাতে প্রতিষ্ঠানটিকে মোটা অঙ্কের অর্থ প্রদান করতে হতো শ্রমিকদের।আমাদের সময়, প্রিয়ডটকম

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত