প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] কুলাউড়া ও শ্রীমঙ্গলের রেডজোনের কিছু এলাকায় লকডাউন শুরু

স্বপন দেব, মৌলভীবাজার প্রতিনিধি :[২] জেলার কুলাউড়া পৌরসভার মাগুরা দক্ষিণ আবাসিক এলাকা (৪ নং ওয়ার্ড) বুধবার দুপুর থেকে লকডাউন করেছে উপজেলা প্রশাসন। আজ বুধবার দুপুর ১২টা থেকে এই এলাকা লক ডাউন করা হয়েছে।

[৩] কুলাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এটিএম ফরহাদ চৌধুরী জানান, গুরুতর অসুস্থ রোগী হাসপাতালে নেয়ার জন্য ও কৃষিপণ্যবাহী গাড়ি ছাড়া অন্য কোন যানবাহন রেডজোন এলাকায় চলাচল নিষিদ্ধ থাকবে। এলাকাটি লকডাউন থাকা অবস্থায় মুদি দোকান ও ফার্মেসী ছাড়া সব ধরনের দোকানপাট বন্ধ থাকবে। সরকারি আইন অমান্য করলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

[৪] কুলাউড়া উপজেলার তিনটি এলাকাকে রেড জোন হিসেবে চিহ্নিত জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ। এলাকাগুলো হচ্ছে পৌরসভার মাগুরা দক্ষিণ আবাসিক, কাদিপুর ইউনিয়নের মনসুর গ্রাম এবং বরমচাল ইউনিয়নের নন্দ নগর গ্রাম। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এটিএম ফরহাদ চৌধুরী জানান, ইউএইচও ডা. নূরুল হক, কুলাউড়া থানার ওসি ইয়ারদৌস হাসান সহ সমন্বিতভাবে পর্যায়ক্রমে রেডজোন ঘোষিত এলাকাগুলো লকডাউন করা হচ্ছে।

[৫] অন্যদিকে, শ্রীমঙ্গলে পৌর শহরের একটি এলাকাকে লকডাউন করেছে উপজেলা প্রশাসন। বুধবার সকাল থেকে শ্রীমঙ্গল পৌর শহরের কালিঘাট এলাকায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো.নজরুল ইসলাম, ইউএইচও ডা.সাজ্জাদ হোসেন চৌধুরী এবং থানা পুলিশ সড়কে বাঁশের বেড়িকেট দিয়ে লকডাউন করে দেয় । কৃষিপন্যবাহী যানবাহন ও হাসপাতালের রোগী ছাড়া অন্য যানবাহনও জনসাধারণ আসা যাওয়া নিষেধ করেছে উপজেলা প্রশাসন।

[৬] তবে পুলিশের কাছে নানা অজুহাতে লকডাউন ভেঙে বের হওয়ার চেষ্টা করছেন সাধারণ মানুষজন। তবে বন্ধ রয়েছে আশ পাশের দোকানপাট। গত সোমবার শ্রীমঙ্গল উপজেলার শহর ও শহরতলীর ৮ টি এলাকাকে এবং কুলাউড়া উপজেলার তিনটি এলাকাকে রেড জোন হিসেবে চিহ্নিত জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ।

[৭] শ্রীমঙ্গলের রেডজোন এলাকা হলো পৌর এলাকার কালিঘাট রোড, শ্যামলী, ক্যাথলিক মিশন রোড, সদর ইউনিয়নের উত্তর রুপসপুর, সবুজভাগ, মুসলিমবাগ, লালবাগ এবং বিরাইমপুর রেড এলাকা।

[৮] উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নজরুল ইসলাম বলেন, পৌর শহরের কালিঘাট পয়েন্ট থেকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পর্যন্ত মৌলভীবাজার সিভিল সার্জন রেড জোন ঘোষণা করেছেন।

[৯] এই এলাকায় এখন পর্যন্ত ৯জন করোনা রোগী শনাক্ত করা হয়েছে। আজ বুধবার সকাল থেকে এই এলাকা লক ডাউন করা হয়েছে। হাসপাতালের রোগী ও কৃষিপণ্যবাহী গাড়ি ছাড়া অন্য কোনো যানবাহন চলাচল নিষিদ্ধ এবং ওই এলাকায় লকডাউন থাকা অবস্থায় মুদি দোকান ও ফার্মেসি ছাড়া সব ধরনের দোকানপাট বন্ধ থাকবে। সরকারি আইন না মানলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে। সম্পাদনা: জেরিন আহমেদ

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত