প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় বায়ো স্প্রে প্লাস

মো. ফয়েজ আহমেদ (আরিফ), হেলথ কনসালট্যান্ট : [২] সারাবিশ্বে কোভিড-১৯ মহামারী আকার ধারণ করেছে। সমগ্র বিশ্বে এ ভাইরাসে সংক্রমণের পাশাপাশি বৃদ্ধি পাচ্ছে মৃত্যুর হার। বর্তমানে দেশেও কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত রোগী ও মৃতের সংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। কোভিড-১৯ এর কোনো টিকা এখন পর্যন্ত সফলভাবে আবিষ্কার করা সম্ভব হয়নি। কোভিড-১৯ থেকে হতে মুক্ত থাকতে একমাত্র উপায় হচ্ছে দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করা। কোভিড-১৯ এ সংক্রমিত হয়ে বেশি মৃত্যু হচ্ছে যাদের শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম বা অন্য কোনো জটিল রোগে আক্রান্ত ছিল। যেমন- উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, হৃদরোগ, হাঁপানি ইত্যাদি।

[৩] রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য আমরা প্রথমত যে কাজটি করতে পারি, তা হচ্ছে আমাদের খাদ্য তালিকায় ভিটামিন- সি জাতীয় ফল যেমন- সবুজ আপেল, কমলালেবু, সবুজ লেবু (খোসা সহ), পেঁপে ইত্যাদি, এন্টি অক্সিডেন্ট জাতীয় খাবার – রসুন, লং, সকল প্রকার বাদাম, ক্যাপসিকাম, কালোজিরা, টক দই, কোয়েল পাখির ডিম ও বেশি বেশি পানি পান করা। দ্বিতীয়তঃ পর্যাপ্ত পরিমাণ বিশ্রাম ও ঘুম। তৃতীয়তঃ গ্রোথ হরমোন বাড়ানোর মাধ্যমে- যেটাকে HGH হরমোন বলা হয়। HGH হরমোন মানুষের মাথার পেছনে অবস্থিত পিটুইটারী গ্লান্ড হতে নিঃসৃত হয়। HGH হরমোন মানুষের শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে থাকে।

[৪] কোভিড-১৯ প্রতিরোধে প্রয়োজন ভিটামিন, মিনারেল ও এ্যামাইনো এ্যাসিড সম্পন্ন ডায়েট চার্ট, যা আমাদের প্রতিনিয়ত মেইনটেইন করা সম্ভব হয় না। তাই আমাদের প্রয়োজন একটি ডায়েটারী সাপ্লিমেন্ট, যা আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে দিয়ে রোগাক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি হ্রাস করে এবং শরীরের বিভিন্ন অর্গানের কার্যক্ষমতা দ্রুত বাড়ায়। ডায়েটারী সাপ্লিমেন্ট ট্যাবলেট, ক্যাপসুল, সফট জেল, লিকুইড ও পাউডার আকারে পাওয়া যায়।

[৫] এমনি একটি ডায়েটারী সাপ্লিমেন্ট হচ্ছে বায়ো স্প্রে প্লাস, যা ২১ থেকে ২৮ দিনের মধ্যে আমাদের শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে দিতে সক্ষম। যারা ইতোমধ্যে কোভিড-১৯ আক্রান্ত (প্রাথমিক পর্যায়ে) হয়েছে, তারাও এটি ব্যবহার করে ব্যাপাক সুফল পাচ্ছে। বায়ো স্প্রে প্লাসের কাঁচামাল ঈড়ষড়ংঃৎঁস খরয়ঁরফ, যাতে রয়েছে সমস্ত ভাল চর্বি, সমস্ত ভাল এ্যামাইনো এ্যাসিড, প্রোবায়োটিক ব্যাকটেরিয়া, গ্রোথ ফ্যাক্টর, ইমিউন ফ্যাক্টর। বায়ো স্প্রে প্লাসে রয়েছে ৪৮ প্রকার উপাদান অর্থাৎ ১০ প্রকার ভিটামিন, ১০ প্রকার মিনারেল, ২২ প্রকার এ্যামাইনো এ্যাসিড, ৩ প্রকার ইমিউনোগ্লোবুলিনস (IgG, IgA, IgM) এবং ৩ প্রকার ন্যাচারাল গ্রোথ ফ্যাক্টর (IGF-1, Igf-2, GF-B)| সম্পাদনা : হ্যাপি

সর্বাধিক পঠিত